এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বিতর্ক বাড়িয়ে ভোটের দিন লাঠি নিয়ে গ্রাম পাহারার নির্দেশ দিলীপের

বিতর্ক বাড়িয়ে ভোটের দিন লাঠি নিয়ে গ্রাম পাহারার নির্দেশ দিলীপের

হরিরামপুর বাসস্ট্যান্ডে নিজেপির দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে উপস্থিত হলেন রাজ্য বিজেপির সম্পাদক দিলীপ ঘোষ। এছাড়াও এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন, বিজেপি জেলা সভাপতি শুভেন্দু সরকার, জেলা পর্যবেক্ষক সঞ্জীব মিশ্র এবং ঐ অঞ্চলের স্থানীয় দলীয় কর্মী এবং সমর্থকেরা। দিলীপ বাবু তাঁর ভাষণে এলাকাবাসীকে নির্বাচনের দিন সম্পর্কে গ্রামের নিরাপত্তার প্রসঙ্গে তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গীতে কিছু উপদেশ দিলেন। তিনি বললেন, “পঞ্চায়েতে ভোট লুটের চেষ্টা হবে। আমি বলে যাচ্ছি, ভারতীয় জনতা পার্টি কিন্তু মেনে নেবে না। খোলা ময়দান ছেড়ে দেবে না। সিপি আই এম, কংগ্রেস শুয়ে পড়েছে। তারা ঘুমাক। আমরা প্রতিরোধ করব। যদি কোনও লুটেরা ভোট লুট করতে আসে তাহলে তার সঙ্গে ‘সেরকম’ ব্যবহার করুন। গ্রামে যদি বাইরের লোক ঢোকে তাকে প্রশ্ন করুন, চ্যালেঞ্জ করুন। যদি গ্রামের ভোটার না হয় তাহলে বলুন আজ তুমি গ্রামে ঢুকবে না। গ্রামে বেয়াই এলে বলবেন, বেয়াইমশাই কাল আসুন। মাছ-ভাত কাল হবে। আজ লাঠির বাড়ি খেতে হবে। কারণ আজ ভোট আছে। কাঁচা বাঁশের লাঠি নিয়ে ভোট পাহারা দিন। গ্রাম পাহারা দিন। এত কষ্ট করে মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছে। এরপর যে ঠাকুর যে ফুলে সন্তুষ্ট তাকে সেই ফুল দিয়ে পুজো করুন। বাকিটা বিজেপি দেখে নেবে।”

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

একইসাথে তিনি রাজ্যের উন্নয়নকে একরকম বিদ্রুপ করেই বললেন, “রাস্তায় লাঠি, বোমা হাতে উন্নয়ন দাঁড়িয়ে থাকে। মনোনয়নের সময় তা দেখা গিয়েছিল। দিদির এক ভাই আছে। নাম কেষ্ট। তিনি পুলিশ, গুন্ডা, ডাকাত নিয়ে রাজত্ব করেন। ওখানকার পাথর খাদান, কয়লা খাদান, বালি খাদানের সব টাকা লুট করছেন। কোনও বিরোধীকে থাকতে দেবেন না। বোমা-বন্দুক দিয়ে উড়িয়ে দিচ্ছেন সবাইকে। তৃণমূলের ক্যাডাররা বোমা-বন্দুক হাতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে। বাংলায় এখন একটাই শিল্প। বোমা শিল্প। আর তৃণমূলের উন্নয়ন তো রাস্তায় নেমে এসেছে। তাই, পশু-পাখিরাও জঙ্গল ছেড়ে চলে আসছে উন্নয়ন দেখতে। বাঘ-হাতি-গন্ডারকেও এরা ছাড়ছে না।” এমনকি তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন না করলে সিভিক ভলান্টিয়ারদের চাকরী যাওয়ার সম্ভবনার কথা উল্লেখ করে দিলীপ বাবু এদিন বললেন, “সিভিক কর্মীদেরও ক্যাডার বানাতে চাইছে তৃণমূল। তাই তৃণমূল না করলে চাকরি থেকে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। প্যারাটিচারদেরও একই অবস্থা। চাকরির স্থায়িত্ব নেই। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সিভিক ভলান্টিয়ার, প্যারাটিচারদের চাকরির স্থায়িত্ব হবে। আমাদের হাতে ক্ষমতা দিন। সোনার বাংলা গড়ব।”

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!