এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > “মমতা ব্যানার্জি শাড়ি পরা হিটলার” দাবি দিলীপ ঘোষের,

“মমতা ব্যানার্জি শাড়ি পরা হিটলার” দাবি দিলীপ ঘোষের,

তৃণমূল প্রস্তাবিত সর্ব ভারতীয় ব্রিগেড সমাবেশ নিয়ে আগেও চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আজ ফের ব্রিগেডের কর্মসূচির বিরুদ্ধে বিষোদগার করতে দেখা গেল তাকে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিজেপি বিরোধী হেভিওয়েট রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়ে গেল ১৯’এর ব্রিগেড সমাবেশ।

এই সমাবেশের মঞ্চ থেকেই পাকাপাকিভাবে লোকসভা ভোটে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করার বার্তা দিলেন বিরোধীরা পাশাপাশি মোদী সরকারের বিরুদ্ধে দফায় দফায় ক্ষোভ উগড়ে দিলেন জাতীয় স্তরের নেতারা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ‘হিটলার’ বলে আক্রমণ করতেও পিছপা হলেন না বিরোধী জোটের মধ্যমণি তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

দেশের প্রধানমন্ত্রীকে এভাবে সম্বোধন করায় বেজায় চটে গেলেন দিলীপ বাবু। সময় নষ্ট না করে নিজস্ব স্টাইলেই তৃণমূল নেত্রীকে জবাব দিয়ে দিলেন তিনি। বললেন,”মমতা ব্যানার্জি শাড়ি পরা হিটলার। তিনি আবার প্রধানমন্ত্রীকে হিটলার বলছেন। আমার নামে ১০০টি কেস দিয়েছে পুলিশ। BJP-র কর্মীদের কেস দেওয়া হচ্ছে।” পাশাপাশি ব্রিগেড সমাবেশকেও কটাক্ষ করে বললেন,ব্রিগেডের সার্কাস দেখে তাঁর মন ভরে গিয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাল্টা দিতে তিনি আরো বললেন,মোদীজির কোনো এক্সপায়ারি ডেট হয় না। আগামী লোকসভা ভোটে ফের ক্ষমতায় আসবে বিজেপি সরকার। বিরোধীরা যতোই বিজেপির পতন ঘটানোর জন্য লম্ফঝম্প করুক না কেন অন্তিমে জয় বিজেপিরই হবে। তিনি আরো বললেন,”চন্দ্রবাবু, অখিলেশের কটা ভোট আছে? তৃণমূলেরই বা কটা ভোট আছে বাংলার বাইরে? প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের সময় তো লটারি করতে হবে। আমাদের পার্টির একটাই মুখ। আর এদের ক্ষেত্রে নয়তো কালীঘাটের ব্যক্তি, না হলে অখিলেশ বা তেজস্বী।”

 

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

অর্থাৎ দিলীপ বাবুর বক্তব্য,বিরোধীরা যতোই জোট বেঁধে লড়াই করুক না কেন,আসলে বিরোধীদের কোন মুখ নেই। জোটের কোনো নির্দিষ্ট নেতা নেই যাকে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসানো যায়। হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নয়তো সপা প্রধান অখিলেশ যাদব বা বসপা সুপ্রিমো মায়াবতীকে প্রধানমন্ত্রীর পদে বসানোর স্বপ্ন দেখেন তাঁরা। জোট নিয়ে লাফালাফি করলেও বিরোধীদের কোনো সঠিক দিশা নেই। তবে বিজেপির অবস্থা বিরোধীদের মতো নয়। বিজেপির সংগঠনে একতা রয়েছে। বিজেপি সর্বদা একজনের ভাবমূর্তিকেই সামনে রাখে। তিনি হলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এমনটাই অভিমত বিশ্লেষকমহলের।

ব্রিগেড সমাবেশ প্রসঙ্গে দিলীপ বাবুকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি এই সমাবেশ ব্যর্থ হয়েছে বলেই দাবী করেন। যুক্তিতে বলেন,জনসভায় ২৮-৩০ লাখ লোক জমায়েত করে বিজেপিকে চমকে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল তৃণমূল। কিন্তু জনসভায় ২ লাখেরও বেশি লোক হয়নি। ১ লাখের বেশি মানুষ তো কোলকাতায় এমনি ঘুরতেই এসেছিল। পুলিশ দিয়েই শাসকদল মাঠ ভরিয়ে রেখেছিল বলে কটাক্ষ করেন রাজ্য বিজেপি সুপ্রিমো।

এরপর ব্রিগেডে উপস্থিত জাতীয় স্তরের নেতাদের সম্পর্কে দিলীপ বাবুকে প্রশ্ন করা হলে তিনি গর্জে উঠে বলেন,দিল্লি থেকে আসা নেতাদের আগে উচিৎ গ্রাম বাংলার অবস্থা খতিয়ে দেখা। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের অবস্থা রাস্তার কুকুরের থেকেও খারাপ। এমনটাই দাবী করেন তিনি। পাশাপাশি এটাও বলেন,কয়েকজন রাজনৈতিক নেতাদের ভাষণ শুনে তাঁর মনে হচ্ছিল রাজনৈতিক জীবনের শেষ ভাষণ দিচ্ছেন তাঁরা।

দেশের ব্রাত্য নেতাদের নিয়েই সভা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাঁরা গনতন্ত্রের মারণযজ্ঞ চালাচ্ছে তাঁরাই গনতন্ত্র নিয়ে বড় বড় কথা বলেছে। এভাবেই কড়া ভাষায় বিরোধীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন রাজ্যের পদ্মবাহিনীর সেনাপতি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!