এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > ‘তৃণমূলের কর্মীরা বাঘের মতো’ – সভায় দিলীপ ঘোষকে হুঁশিয়ারি অভিষেকের, জেনে নিন বিস্তারিত

‘তৃণমূলের কর্মীরা বাঘের মতো’ – সভায় দিলীপ ঘোষকে হুঁশিয়ারি অভিষেকের, জেনে নিন বিস্তারিত

ফের প্রকাশ্যে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে চাঁচাছোলা ভাষায় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। “আমাদের কর্মীরা বাঘের মতো। বাঘকে চিমটি কাটলে কী পরিণতি হয় তা আপনার ভালো করে জানা আছে।” এমনটা বলেই বিড়লাপুর ব্রিগেড প্রস্তুতিসভা থেকে দিলীপ ঘোষকে কটাক্ষ করলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সভায় অভিষেক ব্যানার্জির পাশাপাশি একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের বজবজ-১ ব্লকের সভাপতি শ্রীমন্ত বৈদ্য, বজবজ কেন্দ্রের বিধায়ক অশোক দেব, সাতগাছিয়া কেন্দ্রের বিধায়ক সোনালী গুহ ও বিষ্ণুপুর কেন্দ্রের বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল সহ স্থানীয় নেতৃত্বরা।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

চলতি মাসেরই ১৯ তারিখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রস্তাবিত জাতীয় স্তরের ব্রিগেড সভা রয়েছে। লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি বিরোধী এই সর্বভারতীয় সমাবেশকে প্রস্তুতি পর্ব শেষের পর্যায়ে এখন। দলনেত্রীর নির্দেশমতোই জেলাস্তর থেকে সমাবেশে লক্ষাধিক লোক জমায়েত করার লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সভা করে বেড়াচ্ছেন তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতারা। আর সেজন্যেই এদিন বিড়লাপুরের নোদাখালিতে প্রস্তুতি সভার আয়োজন করেছিল তৃণমূল। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সভা থেকেই দিলীপ ঘোষকে আক্রমণ শানিয়ে বলেন,”দিলীপ ঘোষ কখনও বলছেন তৃণমূলকে মারব। কখনও বলছেন হাসপাতালে পাঠাব। কখনও বলছেন স্ট্রেচারে শোয়াব। আমি দিলীপবাবুকে অনুরোধ করছি। দয়া করে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের উজ্জীবিত করবেন না। আমাদের কর্মীরা বাঘের মতো। বাঘকে চিমটি কাটলে জঙ্গলে অন্যদের কী পরিণতি হয়, তা আপনার ভালো করে জানা আছে।”

পাশাপাশি তিনি আরো জানান,তৃণমূলের দলনেত্রী স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নির্দেশ রয়েছে বলেই দলীয় কর্মীরা সংযত আচরণ করেন। যদি তৃণমূলের জায়গায় অন্য কোনো দল রাজ্যের ক্ষমতায় থাকতো তাহলে বিজেপিকে পশ্চিমবঙ্গে অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়েও খুঁজে পাওয়া যেত না বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। আসলে তৃণমূল হিংসা,সন্ত্রাস এবং প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। মানুষের স্বার্থে মানুষের জন্য রাজ্যে মা মাটি মানুষের সরকার গড়েছে তৃণমূল। বদলা নয়,বদলের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনটা বলেই বিজেপিকে তোপ দাগলেন তৃণমূলের এই হেভিওয়েট যুবনেতা।

আসলে লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ যতোই এগিয়ে আসছে ততোই বিজেপি বনাম তৃণমূল বিরোধ আরো বেশি করে প্রকাশ্যে আসছে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি জনসভার মঞ্চ থেকে তৃণমূলকে বিঁধতে যেমন শালীনতার সীমাকে অতিক্রম করেন তেমনি শাসকদের নেতা-কর্মীরাও বিজেপির বিরুদ্ধে গর্জে উঠে দিলীপ ঘোষকে বুঝিয়ে দেন ইট মারলে পাটকেল টাও খেতে হবে। আপাতত এই দুই যুযুধান গোষ্ঠীর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের খেলায় উত্তপ্ত রয়েছে বঙ্গের রাজনীতি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!