এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > দিদিকে বলোর হাত ধরে কৃষক ভোট ফিরে পেতে বড়সড় পদক্ষেপ শাসকদলের – জানুন বিস্তারিত

দিদিকে বলোর হাত ধরে কৃষক ভোট ফিরে পেতে বড়সড় পদক্ষেপ শাসকদলের – জানুন বিস্তারিত

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ফলাফল ভালো হয়নি। আর তারপরেই দলের রননীতিকার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোরকে। যার পরেই দিদিকে বলো কর্মসূচি করে দলকে জনসংযোগে পাঠিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এই কর্মসূচি করে শুধু সাধারণ মানুষের বাড়িতে পৌছনোই নয়, এবার চাষের খেতেও পৌঁছে যাবে ‘দিদিকে বলো’র প্রচার।

সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার তৃণমূলের কৃষক সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নেয় যে আগামী ২৭ আগস্ট রাজ্যের সমস্ত খেত-খামারে একযোগে জনসংযোগে নামবে পশ্চিমবঙ্গ কিষাণ ও খেতমজদুর ইউনিয়ন। আগামী দুইমাস ধরে তারা তাদের সংগঠনের জেলা সম্মেলন শেষ করবে।

আর তারপরেই এই বৈঠক নভেম্বর মাসে কলকাতায় কৃষক সমাবেশের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, প্রাথমিক পর্যায়ে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের নেতৃত্বদের প্রশান্ত কিশোরের পেশাদার সংস্থা আইপ্যাক প্রথমে গোটা তৃনমূল দলকে জনসংযোগে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। আর এবার দ্বিতীয় পর্বে তৃণমূলের বিভিন্ন শাখা সংগঠনকেও পথে নেমে জনসংযোগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর সেই কারণেই তৃনমূলের কৃষক সংগঠনের এদিনের এই বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে সংগঠনের রাজ্য সভাপতি বেচারাম মান্না বলেন, “মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ তামিলনাড়ু সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কৃষক আত্মহত্যার ঘটনা বেড়ে চলেছে। ঋণের জালে জড়িয়ে কৃষক সমাজ বিপন্ন। ব্যতিক্রম একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ। নানাবিধ সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রকল্প নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইসব প্রকল্পে রাজ্যের কৃষক সমাজ উপকৃত। তাদের আয়ের পরিমাণও বেড়ে চলেছে।

একইসঙ্গে তাদের কাছে এসব উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সুফল যথাযথ পৌঁছচ্ছে কি না, সেদিকে নজর দিতে বলেছেন তৃণমূল নেত্রী। পাশাপাশি কৃষক পরিবারের কারও কিছু অভাব অভিযোগ থাকলে, তা যাতে তাঁরা সরাসরি দিদিকে বলতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এদিন বৈঠকে রাজ্য নেতৃত্ব আলোচনা করেছে।”

জানা গেছে, আগামী ২৭ আগস্ট একসঙ্গে রাজ্যের সব জেলাতেই ‘দিদিকে বলো’র প্রচারে নামবেন তৃনমূলের কৃষক সংগঠন। তৃনমূলের দাবি, যেহেতু এখন জোরকদমে ধান চাষ শুরু হয়েছে, এই সময় চাষিরা খেতের কাজে ব্যস্ত থাকবে। তাই ‘দিদিকে বলো’র হেল্প লাইন নম্বর সহ কার্ড, ব্যাজ ইত্যাদি প্রচার সামগ্রী নিয়ে সংগঠনের কর্মীরাই মাঠে পৌঁছে যাবে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,
গত লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের গ্রামীণ এলাকাগুলোতে তৃনমূলের ফলাফল খুব একটা ভালো হয়নি। একটা সময় সিঙ্গুর আন্দোলনে ভর করে গত 2011 সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আর সেখানেই ফলাফলে অস্বস্তি বাড়িয়েছে তৃণমূলের।

বিগত পঞ্চায়েত ভোটে ত্রিস্তরেই তাদের একাধিপত্য কায়েম হলেও লোকসভা ভোটে তার রেশ ধরে রাখতে তৃণমূল ব্যর্থ হয়েছে। যার ফলে দলের কৃষক সংগঠনকে আরও সক্রিয় করার নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। এদিন এই প্রসঙ্গে বেচারাম মান্না বলেন, সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে জেলায় জেলায় সম্মেলন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সব জেলা সম্মেলন শেষ করতে হবে। নভেম্বরের ১৪ তারিখ কলকাতায় গান্ধী মূর্তির পাদদেশে রাজ্য কৃষক সমাবেশ হবে। যে সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীকে থাকার জন্য আবেদন জানানো হবে বলেও খবর। সব মিলিয়ে এবার “দিদিকে বলো” কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে কৃষকদের কাছে পৌঁছাতে উদ্যোগী তৃনমূলের শাখা সংগঠন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!