এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > চিটফান্ড কেলেঙ্কারি তদন্তে এবার তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেতাকে নোটিশ পাঠাল সিবিআই,

চিটফান্ড কেলেঙ্কারি তদন্তে এবার তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেতাকে নোটিশ পাঠাল সিবিআই,

Priyo Bandhu Media

চিটফান্ড কেলেঙ্কারি তদন্তে নেমে একের পর এক রাজনৈতিক হেভিওয়েটদের তলব করছে সিবিআই এমনটাই দাবি কলকাতার এক ওয়েব পোর্টালের। সম্প্রতি তৃণমূল নেতা সুব্রত বক্সিকে একদফা জেরা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এবার তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়ানকে তলব করেছে সিবিআই। তাঁর বাড়িতে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তবে তিনি বাড়িতে না থাকায় সেটা তিনি গ্রহণ করতে পারেননি।

উল্লেখ্য,সম্প্রতি রোজভ্যালিকান্ডে এসভিএফের কর্ণধার শ্রীকান্ত মোহতাকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। তাঁর বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকা প্রতারণা এবং গৌতম কুন্ডুকে হুমকি দেওয়া সহ,সারদা সহ অন্যান্য চিটফান্ডে তাঁর জড়িত থাকা অভিযোগ রয়েছে। এই শ্রীকান্ত মোহতার সূত্র ধরেই একে একে রাজনৈতিক হেভিওয়েটদেট তলব করছে সিবিআই।

সারদা মামলায় সম্প্রতি জেরা করা হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বক্সীকে। প্রায় ঘন্টা তিনকে সিবিআইয়ের জেরা সহ্য করার পর দফতর থেকে বেরিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন,লোকসভা ভোটের আগে সিবিআই দিয়ে তৃণমূল নেতাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু এভাবে তৃণমূলকে দমানো সম্ভব নয়। এরপর এদিন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকেও তলব করল সিবিআই।

এর আগে এদিনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক মানিক মজুমদারের বাড়িতেও হানা দেয় সিবিআইয়ের এক বিশেষ দল। সারদা,রোজভ্যালি মামলায় বেশ কিছু বিষয়ে জেরা করা হয় তাকে। বেশ কিছুক্ষণ ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চলে বলে জানা গিয়েছে। তবে কোন কোন বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে সেটা নিয়ে এখনো কোনো বিবৃতি দেননি মানিক মজুমদার। মানিকবাবু বর্তমানে কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর অফিসের দায়িত্বে রয়েছেন।

উল্লেখ্য,লোকসভা ভোটের মুখে ফের দীর্ঘদিনের বিতর্কিত চিটফান্ড কান্ড নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে সিবিআই। এর আগে ২০১৪ এর লোকসভা ভোট এবং ২০১৬ এর বিধানসভা ভোটের আগে চিটফান্ড কান্ড নিয়ে এরকম সক্রিয়তা দেখিয়েছিল সিবিআই। বিশেষজ্ঞদের মতে,এই আর্থিক কেলেঙ্কারিতে বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক হেভিওয়েটের নাম আগেও প্রকাশ্যে এসেছে।

[content_block id=3910

এমনকি এর জন্যে তাঁরা জেলও খেটেছেন। এইসব আর্থিক কেলেঙ্কারির সঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে৷ কাজেই লোকসভা ভোটের আগে বিরোধীদের প্রকৃত স্বরূপ যদি আমজনতার সামনে তুলে ধরা যায় তাহলে বিজেপির ভোটব্যাঙ্কে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

সিবিআই সূত্রের খবর,চিট ফান্ড ইস্যুতে যাঁদের নাম এখনও শোনা যায়নি এমন অনেককেই সিবিআই ডাকতে চলেছে। এমল ব্যাপারে অনেক নথিও যোগাড় করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা।

যদিও এই খবরের সত্যতা বা সূত্র সম্পর্কে ওই ওয়েব পোর্টালে কিছু লেখা নেই, প্রিয়বন্ধু বাংলার তরফেও এই খবরের সত্যতা যাচাই করে দেখা সম্ভব হয় নি। এই প্রবন্ধ সম্পূর্ণরূপে ওই পোর্টালে প্রকাশিত খবরের পরিপ্রেক্ষিতে করা, কোনোভাবেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয় বা কোনো ব্যক্তি বা দলের সম্মানহানির উদ্দেশ্যে রচিত নয়।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!