এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > দিল্লি সফরের দ্বিতীয় দিনে রাষ্ট্রপতি সাক্ষাতে তৃণমূল নেত্রী, “সৌজন্য বৈঠক” ঘিরে জল্পনা

দিল্লি সফরের দ্বিতীয় দিনে রাষ্ট্রপতি সাক্ষাতে তৃণমূল নেত্রী, “সৌজন্য বৈঠক” ঘিরে জল্পনা

জাতীয় রাজনীতির সঙ্গে রন্ধ্রে রন্ধ্রে সম্পর্ক মিশে আছে বাংলার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আর তাইতো রাজনৈতিক কর্মসূচি হোক বা প্রশাসনিক কর্মসূচি – যখনই রাজধানী দিল্লিতে যান তিনি, ঠিক তখনই সংসদ ভবন বা রাষ্ট্রপতি ভবনে যেতে ভোলেননা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আর এবারও দিল্লি সফরের দ্বিতীয় দিনে সেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিকেল চারটে পনেরো নাগাদ রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সাথে দেখা করার জন্য সময় চাওয়ার ব্যাপারে খবর পাওয়া গেছে। তবে অতীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাষ্ট্রপতি ভবনে যাওয়ার সঙ্গে এবারের রাইসিনা হিলসে যাওয়ার মধ্যে বিভিন্ন জল্পনা খুঁজে পাচ্ছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সামনেই লোকসভা ভোট। আর সেই লোকসভা ভোটের আগে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে দিয়ে রাজ্যকে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে কদিন আগেই মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

আর তার এই ধরনিয় বসার সময় বিভিন্ন মহলে জল্পনা সৃষ্টি হয়েছিল যে তাহলে কি বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে! তবে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হলে পাল্টা তিনিও ব্যবস্থা নেবেন বলে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আর এহেন একটা পরিস্থিতিতে দিল্লিতে এসে প্রথম দিন গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে পরদিন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সাথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে শুরু করেছে। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠমহলের সদস্যরা অবশ্য বলছেন, এর সঙ্গে কোনো রকম রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই।

প্রতিবারের মতো এবারও শুধুমাত্র সৌজন্য সাক্ষাৎ করতেই রাইসিনা হিলসে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সত্যিই কি তাই? শুধুই কি সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো রাজনৈতিক কারণ! তা জানার জন্য সাড়ে পাঁচটা নাগাদ প্রেসক্লাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংবাদিক বৈঠকের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!