এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > দাড়িভিট কাণ্ডে চরম পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের, জানিয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

দাড়িভিট কাণ্ডে চরম পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের, জানিয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

ইসলামপুর দাড়িভিটি হাইস্কুলের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় এবার স্কুলের প্রধান এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক দুজনকেই শো’কজ এবং সাসপেন্ড করা হল। যতদিন অব্দি তাঁরা নির্দোষ প্রমাণিত না হচ্ছেন ততোদিন বৈধ থাকবে এই সাসপেনসন,এমনটাই এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

সঙ্গে স্কুলের পরিচালন সমিতির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে প্রশাসক হিসাবে মহাকুমা শাসককে নিযুক্ত করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। এর আগে জেলা স্কুল পরিদর্শককে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। দাড়িভিট হাইস্কুলের ঘটনায় এ নিয়ে তিনজনকে সাসপেন্ড করা হল। গতকালই শিক্ষকদের নামে এই সাসপেনশন লেটার ইস্যু হয়ে গিয়েছে। এমনটাই জানা গিয়েছে শিক্ষা দপ্তর সূত্রে।

কেন স্কুলের প্রধান এবং সহকারীকে সাসপেন্ড করা হল তা নিয়ে রীতিমতো প্রশ্ন উঠেছে। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন। দাড়িভিট ঘটনায় কিছু প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে তাঁদের দুজনকেই বিকাশভবনে আসতে বলা হয়েছিল। কিন্তু বিষয়টা ইচ্ছে করেই এড়িয়ে গিয়েছেন দুজনেই। এরপর গত সপ্তাহে প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী প্রধান শিক্ষককে ডেকে পাঠানো হলে প্রশ্নের নিরিখে তাঁদের বলা সাফাইতে সন্তুষ্ট হতে পারেননি শিক্ষাদপ্তরের আধিকারিকরা।

তাই স্বাভাবিকভাবেই বিতর্কে জড়িয়েছেন তাঁরা। বিতর্ক বরদাস্ত করা হবে না,সাফ হুঁসিয়ারী শিক্ষামন্ত্রীর। তাই সংশ্লিষ্ট দুজনকেই শো’কজ এবং সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে,দাড়িভিট ঘটনার দেড় মাস পড়েও স্কুলে তালা ঝুলছে এখনো। দীর্ঘদিন ক্লাস বন্ধ থাকায় পঠনপাঠন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্কুলের। সামনে আবার মাধ্যমিক পরীক্ষা। এরকম পরিস্থিতিতে স্কুল না খোলায় উষ্মা প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী। পরামর্শ দিলেন ঝামেলা না করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করার। এবং পুজোর পরেই নির্দিষ্ট দিনে স্কুল খোলার আশ্বাসও দিলেন। এ ব্যাপারে যাতে ফের কোনো জটিলতার সৃষ্টি না হয়,তার জন্য প্রশাসনের পাশাপাশি স্থনীয় বিধায়ক সহ একাধিক নেতৃত্বের সঙ্গে কথাও বলেছেন তিনি। নির্দেশ দিয়েছেন স্কুল দ্রুত খোলার জন্যে।

তবে, স্কুল দ্রুত খুললেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই দাড়িভিটের। পুজোর ছুটির শেষে ফের স্কুলের সামনে ধর্নায় বসার প্ল্যান রয়েছে নিহত দুই ছাত্রের পরিবারের। ঘটনার দেড় মাস অতিক্রম হয়ে গেলেও সুবিচার পাননি তাঁরা,গ্রামের নিরীহ মানুষগুলোকে মিথ্যা মামলার জেলে পাঠানো হয়েছে। এজন্য রাজ্যসরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করবে তাঁরা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এদিকে দাড়িভিট স্কুলের শিক্ষকদের বেতনও আটকে দিয়েছে প্রশাসন। রাজ্যসরকারের এই নিষেধাজ্ঞাকে আমানবিক তথা বেআইনি বলেই ব্যাখ্যা করলেন শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী-শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চের যুগ্ম সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারী। এ ব্যাপারে রাজ্যসরকারের বিরোধীতা করে বলেন,”নিয়োগকে কেন্দ্র করে যে অঘটন ঘটেছে, তার দায় শিক্ষাদপ্তর এবং পুলিস প্রশাসনকে নিতে হবে। বিদ্যালয় এর জন্য বিন্দুমাত্র দায়ী নয়।”

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!