এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ডিএ মামলায় হাইকোর্টে জয় পেলেও, ফয়সালা আপাতত বিশ বাঁও জলে – জানুন বিস্তারিত

ডিএ মামলায় হাইকোর্টে জয় পেলেও, ফয়সালা আপাতত বিশ বাঁও জলে – জানুন বিস্তারিত

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া এক্সক্লুসিভ – ডিএ মামলায় হাইকোর্টে মুখ পুড়েছে রাজ্য সরকারের – কিন্তু, তবুও রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ পাওয়ার আশা আপাতত বিশ বাঁও জলে। কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে আজ স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুন্যালে বা স্যাটে দুটি পৃথক মামলার শুনানি ছিল। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ছিল কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়ীজ ও ইউনিটি ফোরামের ও অপর মামলাটি ছিল সরকারি কর্মচারী পরিষদের। দুটি মামলাতেই আজ কোনো শুনানি না করে তা পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৮ ই এপ্রিলের ডেট দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী, স্যাটে এই মামলায় রাজ্য সরকারকে ৩ সপ্তাহের সময় দেওয়া হবে হলফনামা জমা দেওয়ার জন্য। আর তার পাল্টা হলফনামা দেওয়ার জন্য মামলাকারীরা আরও এক সপ্তাহ সময় পাবেন। অর্থাৎ, আগামী ১৮ ই এপ্রিল যদি স্যাট শুনানি করে নতুন কোনো দিন না দিয়ে, তাহলে সেদিন থেকে শুধু এক মাস সময় পেরিয়ে যাবে হলফনামা আদান প্রদানেই। এরপর প্র্রতি এক মাসে আবার শুনানি হবে – অর্থাৎ সব মিলিয়ে তা চলে যাবে প্রায় জুনের তৃতীয় সপ্তাহে। এরপরে নতুন কিছু না হলে, রায় ঘোষণা হতে হতে প্রায় জুলাই মাস।

হাতের মুঠোয় আরও সহজে প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে যোগ দিন –

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

এদিকে, গতকাল কলকাতা হাইকোর্টে নতুন করে একটি মামলা গৃহীত হয়েছে – যেখানে জনৈক ব্যক্তি দাবি করেছেন, যদি বাজারের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য ডিএ দেওয়া হয়, তাহলে তা শুধু সরকারি কর্মচারীরা কেন পাবেন? সেক্ষত্রে ডিএর হকদার আমজনতাও। এই সংক্রান্ত একটি মামলা এর আগে কলকাতা হাইকোর্টে গৃহীত হয় নি, কিন্তু গতকালের করা আবেদন গৃহীত হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দাবি, এই জনস্বার্থ মামলা আসলে রাজ্য সরকারের ‘চাল’ – রাজ্য সরকারের মনোভাবে স্পষ্ট যে কোনো অবস্থাতেই তারা সরকারি কর্মচারীদের প্রাপ্য ডিএ দিতে রাজি নয়। কিন্তু আদালতে যেভাবে মামলা এগোচ্ছে তাতে যে কোন দিন এর রায় সামনে আসবে এবং সেখানে রাজ্য সরকারের হার নিশ্চিত!

এই প্রসঙ্গে সরকারি কর্মচারী পরিষদের রাজ্য আহ্বায়ক দেবাশীষ শীল জানান, ভারতবর্ষের ইতিহাসে এরকম স্বৈরাচারী সরকার এর আগে দুটো দেখি নি। খেলা-মেলা-উৎসবে টাকার খরচ দেখলে চোখ কপালে উঠবে, অথচ রাজ্য চালাচ্ছে যে সরকারি কর্মচারীরা, তাঁদের দিনের পর দিন প্রাপ্য অর্থ থেকে বঞ্চিত করে যাচ্ছে এই সরকার! শুধু রাস্তা খুঁজে যাচ্ছে এই মামলাকে কিভাবে দীর্ঘায়িত করে, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বঞ্চিত করা যায়। রাজ্য সরকারি কর্মীদের প্রাপ্য মেরেই রাজ্যজুড়ে দান-খয়রাতি চলছে! ক্লাবকে অনুদানে টাকা আছে, দুর্গাপুজোয় ১০ হাজার করে বিলোতে টাকা আছে – শুধু টাকা নেই সরকারি কর্মচারীদের বেলায়। এইভাবে দিনের পর দিন ডিএ বা পে-কমিশন মেরে এই সরকার বেশিদিন টিকতে পারবে না। এর প্রতিফলন ভোটবাক্সে পড়বেই – আগামী ২৩ শে মে ইভিএম খুললেই মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী সেটা টের পাবেন!

Top
error: Content is protected !!