এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ফের কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে তৃণমূল কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে পোস্টার, জোর চাঞ্চল্য শহরে

ফের কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে তৃণমূল কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে পোস্টার, জোর চাঞ্চল্য শহরে

লোকসভা নির্বাচনে 42 এ 42 এর টার্গেট পূরণ না করায় তীব্র হতাশা গ্রাস করেছিল রাজ্যের শাসকদলকে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ফলাফল পর্যালোচনায় দুর্নীতিই প্রধান দায়ী, তা বুঝতে পেরে সেই দুর্নীতি রোধ করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

গত 18 ই জুন নজরুল মঞ্চে কলকাতার কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠকে এই ব্যাপারে সকলকে সতর্ক করে দেন তিনি। কেউ কাটমানি খেলে তাকেই সেই টাকা ফেরত দিতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এরপরই তৈরি হয় বিপত্তি। দিকে দিকে তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের ঘিরে টাকা ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে সাধারণ মানুষ।

যার জেরে আরও অস্বস্থিতে পরে ঘাসফুল শিবির। কিছুদিন আগেই কলকাতা কর্পোরেশনের 57 নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর জীবন সাহার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলার অভিযোগে ফ্লেক্স লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল এলাকায়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

এমনকি তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেনের বিরুদ্ধে কাটমানি খাওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হতে দেখা যায় উত্তর কলকাতার সিঁথি এলাকার এক প্রোমোটার সুমন্ত্র চৌধুরীকে। অভিযোগের তালিকা থেকে বাদ পড়তে দেখা যায়নি মন্ত্রী সাধন পান্ডের মত ব্যক্তিত্বদেরও। আর এই পরিস্থিতিতে যখন হেভিওয়েট নেতা, সাংসদ, কাউন্সিলার ও মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় প্রবল চাপে তৃণমূল, ঠিক তখনই এবার এই কাটমানি কান্ডে মধ্য কলকাতার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার এবং বিধাননগর এলাকায় তৃণমূল কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে ফের পোস্টার পড়তে দেখা গেল।

বুধবার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুটি গেটে এলাকার নাগরিকবৃন্দদের নাম করে একটি পোস্টার দেওয়া হয়েছে। যেখানে লেখা রয়েছে, কলকাতা কর্পোরেশনের 50 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দে কাটমানি কাণ্ডে জড়িত। একই অভিযোগ তুলে বিধাননগর পৌরসভার 8 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রীতা সাহার বিরুদ্ধেও সেই পোস্টার পড়তে দেখা গেছে।

যদিও বা এই গোটা ঘটনাটিকে বিরোধীদের ষড়যন্ত্র এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে বলে জানিয়ে দেন সেই অভিযুক্ত দুই কাউন্সিলর মৌসুমী দে এবং রিতা সাহা। তবে কাউন্সিলররা যাই বলুন না কেন, যে ভাবে তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে পোস্টার পড়ছে, তাতে তাদের এই বক্তব্য আদৌ ঢোপে টেকে কিনা, এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

Top
error: Content is protected !!