এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > শ্রমিক সংগঠনের অধিকার নিয়ে নতুন বিল কেন্দ্রীয় সরকারের, বামফ্রন্ট – কংগ্রেসের তীব্র বিরোধিতা, পাশে তৃণমূল কংগ্রেস

শ্রমিক সংগঠনের অধিকার নিয়ে নতুন বিল কেন্দ্রীয় সরকারের, বামফ্রন্ট – কংগ্রেসের তীব্র বিরোধিতা, পাশে তৃণমূল কংগ্রেস

দু’দিনব্যাপী দেশজুড়ে ডাকা সর্বভারতীয় শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে সাধারণ ধর্মঘটের প্রথম দিনেই লোকসভায় “দ্য ট্রেড ইউনিয়ন বিল 2019″ পেশ করলেন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষকুমার গঙ্গওয়ার। যে বিলে শ্রমিক সংগঠনগুলির স্বীকৃতি প্রদান সহ সেই শ্রমিক সংগঠন গুলির প্রতিনিধিত্বের চূড়ান্ত স্বীকৃতির ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকেই সমস্ত অধিকার নেওয়ার উল্লেখ থাকায় এই বিলের প্রবল বিরোধিতায় সরব হলেন সিপিএম, আরএসপি এবং কংগ্রেসের সাংসদরা।

অন্যদিকে বিলের বিরোধিতা করলেও এই ব্যাপারে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদদের। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত 1926 সালে 2 জানুয়ারী শ্রমিক সংগঠন আইনে সংশোধনী আনার ব্যাপারে কেন্দ্রের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা একটি অনুমোদন দেয়। আর এই ঘটনার 6 দিনের মধ্যেই এই ট্রেড ইউনিয়নস বিল 2019” কে সংসদে নিয়ে আসল কেন্দ্র। কিন্তু ঠিক কী আছে এই বিলে?

সূত্রের খবর, এই বিলে বলা হয়েছে যে, ‘1926 সালে ট্রেড ইউনিয়ন প্রধানত শ্রমিক সংগঠনগুলির নথিভুক্তকরণের লক্ষ্যে কার্যকর হয়েছিল। কিন্তু সেখানে শ্রমিক সংগঠনগুলির স্বীকৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে কিছু বলা নেই।’ আর তাই এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র এবং রাজ্যস্তরে শ্রমিক সংগঠনগুলির স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যেই এই আইনে সংশোধনী আনা প্রয়োজন বলে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিকে কেন্দ্রের পক্ষ থেকেই এই বিল আনা হলেও এদিন লোকসভায় তার তীব্র বিরোধিতা করতে দেখা যায় সিপিএমের এ সম্পথ, এম বি রাজেশ, আরএসপির এন কি প্রেমচন্দন এবং কংগ্রেসের শশী থারুরের মত সাংসদদের। এদিন তারা বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের জনস্বার্থবিরোধী নীতির বিরোধিতায় যখন দেশজুড়ে দু’দিনব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের রয়েছেন শ্রমিকেরা, ঠিক তখনই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে লোকসভায় এই বিলে সংশোধনী করছে কেন্দ্র। এতে দেশের শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকারকে খর্ব করা হচ্ছে।”

অন্যদিকে এই ধর্মঘটে দেশে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি এই কথা বলে এদিন সংসদে এই বিল পেশের সময় কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষকুমার গঙ্গওয়ার বলেন, “শ্রমমন্ত্রকের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শ্রমিক সংগঠন গুলির অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে। তবে তাদের প্রতিনিধিদের ব্যাপারে এতদিন কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল না। তাই এই বিল আনা হয়েছে।”

সব মিলিয়ে ট্রেড ইউনিয়নগুলি পক্ষ থেকে ডাকা প্রথম দিনের ধর্মঘটেই সংসদের শ্রমিক সংগঠনের অধিকার নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন বিল আনার ঘটনায় তীব্র সোচ্চার হলো বিরোধীরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!