এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > করোনা আতঙ্কের জেরে লকডাউনের ফলে কালোবাজারি রুখতে ময়দানে নেমে পড়লেন তৃণমূল নেতারা!

করোনা আতঙ্কের জেরে লকডাউনের ফলে কালোবাজারি রুখতে ময়দানে নেমে পড়লেন তৃণমূল নেতারা!

Priyo Bandhu Media

সোমবার সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী বিকেল পাঁচটা থেকে রাজ্য লকডাউনের কথা বলা হয়েছিল। আর রবিবার লকডাউনের এই নির্দেশ জারি হতেই প্রতিটি পরিবারে শোরগোল পড়ে যায়। 4-5 দিনের জন্য সোমবার সকালের মধ্যেই ব্যাগ ভর্তি বাজার নিয়ে আসতে হবে বলে কর্তাদের কাছে দাবি করেন গৃহিণীরা। করুন অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে কর্তাদের পকেট দিয়ে প্রজাপতি উড়লেও, কিছু করার ছিল না তাদের। যেনতেন প্রকারেণ 4-5 দিনের বাজার সোমবারেই করে রাখতে চাইছিলেন সকলে।

যদিও বা সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশনামায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, বাজার এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা সব সময় খোলা থাকবে। কিন্তু তা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের আতঙ্ক কমছিল না কিছুতেই। যার কারণে আগেভাগেই বাজার করে রাখতে উদ্যোগী হয়েছিলেন তারা। তবে আশ্চর্যজনকভাবে লকডাউনের আগে বাজারে আনাজপাতির দাম দেখে রীতিমত চোখ কপালে উঠে ছিল অনেকেরই।

যেখানে আলু 18 থেকে কুড়ি টাকা, পেঁয়াজ 30 টাকা, লঙ্কা 150 টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। আর এই পরিস্থিতিতে কালোবাজারি আটকে সাধারণ মানুষের দিকে যাতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া যায়, তার জন্য এদিন সকাল সকাল বাজারে গিয়ে পৌঁছলেন তৃণমূল নেতারা।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, সোমবার কান্দি মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল নেতাদের পথে নামতে দেখা যায়। এদিন কান্দি মহকুমা তৃণমূলের সভাপতি গৌতম রায় সকাল-সকাল কান্দির সবজি বাজারে যান। অন্যদিকে সালারের বিভিন্ন বাজার পরিদর্শন করেন ভরতপুর 2 ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মহম্মদ আজহারউদ্দিন। একইভাবে লকডাউন হওয়ার আগেই সকাল-সকাল বাজারের পরিস্থিতি দেখতে গোকর্ণতে পৌঁছন কান্দি ব্লক তৃণমূল সভাপতি পার্থপ্রতিম সরকার। আর সেখানেই বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন তৃণমূল নেতারা। কেন এত দাম!

এদিন এই প্রসঙ্গে কান্দি মহকুমা তৃণমূলের সভাপতি গৌতম রায় বলেন, “মানুষের চাহিদার তুলনায় জোগান কম‌। তাই ব্যবসায়ীরা কালোবাজারি করতে শুরু করেছেন। কিন্তু বিভিন্ন এলাকায় আমাদের নেতৃত্ব দেখেছেন, যাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে কেউ কালোবাজারি না করতে পারে।” তবে তৃণমূলের এই কাজকে সকলে সাধুবাদ জানালেও, বারবার বলা সত্ত্বেও এদিন ভরতপুর 1 ব্লক বিডিও অফিস সংলগ্ন এলাকায় বিপুল মানুষদের একসাথে মাস্ক এবং সাবান বিলি করতে দেখা যায় তৃণমূল কংগ্রেসকে। যা নিয়ে উঠতে শুরু করে প্রশ্ন।

শুধু তাই নয়, এদিন তৃণমূলের যে সমস্ত নেতারা এই মাস্ক বিলি করতে এসেছিলেন, তাদের অনেকেরই মুখে মাস্ক ছিল না। সব মিলিয়ে লকডাউনের আগে রীতিমতো আনাজপাতির দাম যেভাবে চড়া আকার ধারণ করেছে, তা কবে নিয়ন্ত্রিত হয়, তার দিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!