এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > করোনা আতঙ্কের মধ্যেই হাইকোর্টে ব্যাকফুটে রাজ্য! বাকস্বাধীনতার সবক শেখালো আদালত!

করোনা আতঙ্কের মধ্যেই হাইকোর্টে ব্যাকফুটে রাজ্য! বাকস্বাধীনতার সবক শেখালো আদালত!


করোনা ভাইরাস সর্বত্র চরম আকার ধারণ করছে। এমনি সময় বিরোধীদের গলাটিপে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয় বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মাঝেমধ্যেই অভিযোগ ওঠে। কিন্তু এই করোনা ভাইরাস নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ময়দানে নেমে পড়া দেখে অনেকেই ভেবেছিলেন, এই সময় অন্তত রাজনীতিটা হবে না।

তবে সম্প্রতি ফেসবুক পোস্টে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা কিভাবে করা হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন চিকিৎসক ইন্দ্রনীল খান। যার পরেই রাজ্য সরকারের রোষানলে পড়তে হয় তাকে। তবে রাজ্য সরকার তার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে এফআইআর দায়ের করলেও, এবার কলকাতা হাইকোর্টের পক্ষ থেকে কার্যত সবুজসংকেত পেলেন সেই চিকিৎসক। উল্টে চাপে পড়ল রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, এদিন বিচারপতি আইপি মুখোপাধ্যায় স্কাইপের মাধ্যমে এই মামলাটি শোনেন।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

আর এরপরই তিনি বলেন, “ভারতীয় সংবিধানে বাকস্বাধীনতার উল্লেখ রয়েছে। তাই একজনের বক্তব্য সরকারের দুর্নাম করলে, তাকে গ্রেফতার করতে হবে এমনটা গ্রহণযোগ্য নয়।” পাশাপাশি সেই চিকিৎসকের মোবাইল এবং সিমকার্ড যেভাবে পুলিশ নিয়ে নিয়েছিল, তা যাতে তাকে দ্রুত ফেরত দেওয়া হয়, এদিন সেই কথাও জানান বিচারক। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সময় যদি সরকারপক্ষ বিরোধিতাকে সহ্য করতে না পারে, তাহলে তা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক।

কেননা এই সময়ে এই চিকিৎসক সরকারের বিরোধিতাকে উপেক্ষা করে সাধারন মানুষকে বাঁচানোর জন্য কিছু কথা বলেছিলেন। আর সেই কথা বলতে গিয়ে যেভাবে সরকারের রোষানলে পড়তে হয়েছিল তাকে, তাতে শেষ পর্যন্ত হাইকোর্টের নির্দেশে সেই ব্যক্তিই ছাড় পেলেন। উল্টে চাপে পড়ল রাজ্য সরকার। যা বর্তমান সময়ে রাজ্য সরকারের পক্ষে অত্যন্ত খারাপ দিক হয়েই প্রস্ফুটিত হল বলে মত বিশ্লেষকদের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!