এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > কোচবিহারে জোড়া অনশন কর্মসূচিতে ঘুম উড়েছে প্রশাসনের, সামাল দিতে আসরে মন্ত্রী

কোচবিহারে জোড়া অনশন কর্মসূচিতে ঘুম উড়েছে প্রশাসনের, সামাল দিতে আসরে মন্ত্রী

একই দিনে জোড়া ফলায় বিদ্ধ কোচবিহার জেলা প্রশাসন। প্রথমে দিনহাটার সাবেক ছিটের বাসিন্দারা তাঁদের শিবিরে নানা অব্যাবস্থা ও এক অপহৃত কিশোরীর খোঁজের দাবিতে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সামনে অনশন বিক্ষোভে সামিল হন। জানা গেছে, গত জুন মাসের 14 তারিখ থেকে তাঁদের শিবিরের এক কিশোরী নিখোঁজ রয়েছেন।

শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন অনুপ্রবেশকারীরা তাঁদের শিবিরে আশ্রয় নিলেও পুলিশ প্রশাসন এই ব্যাপারে কোনোরুপ উদ্যোগ নিচ্ছে না। তাই এই অভিযোগ নিয়ে কয়েখটি দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপিও জেলা প্রশাসনের কাছে জমা দেন শিবিরের বাসিন্দারা। তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে, শিবিরে থাকা প্রতিটি পরিবারের একজন সদস্যের চাকরির ব্যাবস্থা করা, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটার ব্যাবস্থা এবং নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

জানা গেছে, এই অনশনের কয়েক ঘন্টার পরেই পুলিশি তৎপরতায় তা উঠে যায়। এদিন অনশনকারীদের তরফ থেকে ওসমান গনি নামে এক ব্যাক্তি বলেন, “জেলা প্রশাসনের কর্তারা সমস্যা মেটানোর আশ্বাস দেওয়ায় আমরা এই অনশন তুলে নিয়েছি।” এদিকে স্মারকলিপির সমস্ত দাবি খতিয়ে দেখে সেই আশ্রয়শিবিরে নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়টিকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন জেলার গোয়েন্দা বিভাগের তদন্তকারী আধিকারিকেরা। অন্যদিকে দিনহাটার আশ্রয় শিবিরের বাসিন্দাদের এই অনশন বিক্ষোভ প্রসঙ্গে রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, “ছিটমহলের সার্বিক উন্নতির পরিকল্পনা আমরা নিয়েছি। কোনো স্বার্থান্বেষী গোষ্টী এই উস্কানি দিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে।”

অন্যদিকে সকালে এই বিক্ষোভ উঠিয়ে দিলেও সোমবার রাতে কোচবিহারের বিএসএনএল দপ্তরের সামনে অনশনে বসেন কোম্পনীর ক্যাজুয়াল অ্যান্ড কনট্রাক্ট লেবার ইউনিয়নের আওতায় থাকা কর্মীরা। জানা গেছে, নিজেদের পরিবার সমেত প্রায় 67 জন এখানে অনশন চালাচ্ছেন। তাঁদের মূল এবং প্রধান দাবি, বেতন বৃদ্ধি ও স্থায়ীকরন। আর এই দাবি না মেটা পর্যন্ত যে তাঁরা অনশন চালিয়ে যাবেন সেই ব্যাপারে নিজেদের মত স্পষ্ট করে দিয়েছেন সংগঠনের জেলা সভাপতি চন্দন মাহাতো। অন্যদিকে তাঁদের সমস্ত দাবি কোলকাতায় পাঠানোর পাশাপাশি অনশন প্রত্যাহারের আবেদনও জানানো হয়েছে বলে জানান জেলার টেলিকম আধিকারিক দিপালী রায়। সব মিলিয়ে একই দিনে কোচবিহারের জোড়া অনশনে প্রবল চাপে জেলা প্রশাসন থেকে মন্ত্রী আমলারা।

 

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!