এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > করোনা সংকটে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্শি আদৌ অটুট থাকবে তো? তীব্র জল্পনা রাজনৈতিক মহলে!

করোনা সংকটে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্শি আদৌ অটুট থাকবে তো? তীব্র জল্পনা রাজনৈতিক মহলে!


বর্তমানে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ সবকিছুকে আটকে দিয়েছে। এখন প্রত্যেকটা শাসকের কাছে একটাই টার্গেট, এই ভাইরাসকে বধ করা। আর তার জন্য নানা মহলে নানা চেষ্টা চলছে। এখন রাজনীতিকে কিছুদিনের জন্য ভুলে গিয়েছেন সকলেই। ভারতবর্ষের মধ্যে যে রাজ্যে সব থেকে বেশি করোনার প্রকোপ তা হল মহারাষ্ট্র। আর এবার করোনা দুর্ভোগের মধ্যে সেই মহারাষ্ট্রে তৈরি হল সাংবিধানিক সংকট।

জানা যায়, গত বছর সংবিধানের 164 নম্বর ধারা অনুসারে 28 নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন বাল ঠাকরের পুত্র উদ্ধব ঠাকরে। সেদিক থেকে তিনি তখন কোনো জনপ্রতিনিধি না হয়েই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন। তাই নিয়মানুযায়ী 24 মের আগে রাজ্যের আইনসভার যে কোনো একটি কক্ষে তাকে নির্বাচিত হতে হবে। তবে করোনা ভাইরাসের জন্য এখন সমস্ত কিছু বন্ধ রয়েছে।

ফলে সেদিক থেকে যদি তার এই নির্বাচনের ময়দানে না নেওয়া হয়, তাহলে মহারাষ্ট্রে সাংবিধানিক সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে মহারাষ্ট্রের আইনসভায় যে দুটি শূন্য পদ রয়েছে, তার মধ্যে একটিতে এমনিতেই মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেকে নির্বাচিত করা নিয়ে সমস্যা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনগণের প্রতিনিধিত্ব আইন 1951 এর 151 এ ধারা অনুসারে শূন্য পদে কোনো সদস্যের মেয়াদ অবশিষ্ট যদি এক বছরেরও কম হয়, তবে সেই পদে মনোনয়ন দেওয়া যাবে না।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সেদিক থেকে দুটি পদের মেয়াদ আগামী জুন মাসের 2 তারিখে শেষ হবে। এর আগে কোনো ভাবেই সেখানে নিজের মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন না উদ্ধব ঠাকরে। ফলে তৈরি হয়েছে প্রবল সমস্যা। আর করোনার মত ভয়াবহতার সময় এইভাবে যদি মহারাষ্ট্রে সাংবিধানিক সঙ্কট শুরু হয়, তাহলে কোন দিকে এগোবে পরিস্থিতি, কে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি দখল করবেন, তা নিয়ে এখন জলঘোলা শুরু হয়েছে সেই রাজ্যে।

এদিন এই প্রসঙ্গে বিজেপির এক নেতা বলেন, “মহারাষ্ট্র সরকারের উচিত সংবিধান-বিশেষজ্ঞ বা আইনি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করা এবং এই সংকট সমাধান করা। অবশ্যই নির্বাচন কমিশনের কাছে যাওয়া উচিত গোটা বিষয়টা নিয়ে। এটা কোনো রাজনৈতিক ইস্যু নয়, বরং সাংবিধানিক সঙ্কট।” তবে এই ব্যাপারে তেমন ভাবে কোনো গুরুত্ব দিতে নারাজ শিবসেনা। এদিন এই প্রসঙ্গে শিবসেনা প্রধান সঞ্জয় রাউত বলেন, “রাজ্যপাল যে বিজেপির হয়েই কাজ করেন, এই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে একটা বিষয় আমি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে চাই যে, আগামী 27 মের পরও মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন উদ্ধার ঠাকরেই।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন এই সমস্ত বিষয় আলোচনার বিষয় নয়। কেননা মহারাষ্ট্রে করোনায় যে পরিস্থিতি, তাতে দিনকে দিন মানুষের জীবন নিয়ে সংশয় তৈরি হচ্ছে। ফলে সেদিক থেকে সমস্ত কিছু যখন বন্ধ, তখন কে মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন, আর কে মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন না, তা দূরের প্রশ্ন। এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন মানুষ তাদের জীবন-জীবিকার সুরক্ষা রাখতে পারবে কিনা। ফলে সাংবিধানিক সঙ্কট মহারাষ্ট্রে হলেও, এখন কিভাবে তা মেটানো যাবে, তার উত্তর খুঁজে পাচ্ছেন না কেউ। কারণ করোনা পরিস্থিতিতে সমস্ত কিছু বন্ধ। এখন গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, তার দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!