এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সখ্যতা বাড়াবার চেষ্টা করলেও কংগ্রেসের বিরোধিতাই পাবেন তৃণমূল নেত্রী, নিশ্চিত করলেন সোমেন মিত্র

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সখ্যতা বাড়াবার চেষ্টা করলেও কংগ্রেসের বিরোধিতাই পাবেন তৃণমূল নেত্রী, নিশ্চিত করলেন সোমেন মিত্র

জাতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেস এবং তৃণমূল হাতে হাত ধরে বিজেপি বিরোধিতায় সুর চড়ালেও রাজ্যে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবল বিরোধী হিসেবে পরিচিত রাজ্যের প্রদেশ কংগ্রেস নেতাদের আগামী লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্যের ক্ষেত্রে স্ট্যাটেজি ঠিক কি হবে তা নিয়ে এতদিন প্রবল ধন্দে ছিলেন রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেসের সোমেন মিত্র, আব্দুল মান্নানেরা।

কিন্তু সম্প্রতি সেই রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেসের নেতারা হাইকমান্ডের সাথে বৈঠক করে বেরিয়ে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, কোনো মতেই রাজ্যে তৃণমূলের সাথে জোট বা সমঝোতা করা হবে না। তবে রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্র একথা বললেও গত কাল দিল্লিতে বিজেপি বিরোধিতায় যন্তরমন্তরের ধরনা মঞ্চে সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী ও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে চলছিল তীব্র জল্পনা।

তাহলে কি অবশেষে রাজ্যে সেই তৃণমূলের সাথেই জোট করতে হবে কংগ্রেসকে! তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে তৈরি হয়েছিল নানা প্রশ্নচিহ্ন। কিন্তু এই সমস্ত জল্পনাকে দমিয়ে দিয়ে রাজ্যে তৃণমূলের সাথে কোনো মতেই জোট করা হবে না বলে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্র।

সূত্রের খবর, এদিন দিল্লির যন্তরমন্তরে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্র বলেন, “যেখানে জাতীয় প্লাটফর্ম আছে সেখানে জাতীয় নেতাদের যাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই কারণেই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ধর্না’ মঞ্চে রাহুল গান্ধী গেছেন। তাই রাহুল গান্ধীর এই উপস্থিতিকে বাঁকা চোখে দেখার কিছু নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাহুল গান্ধী এক মঞ্চে থাকলেই কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের সখ্যতা হবে এরকম ভাবার কোনো কারণ নেই। এই রাজ্যে তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেসের বিরোধিতা থাকবেই।”

এদিকে রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্র যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সাথে কোনো জোট হবে না বলে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিচ্ছেন, ঠিক তখনই কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ও রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গেল সিপিআইএম নেতা তথা শিলিগুড়ির বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্যকে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

এক ঢিলে দুই পাখি মারার মতো রাজ্য ও কেন্দ্রর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে অশোক ভট্টাচার্য বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার বেআইনি ভাবে বিভিন্ন রাজ্যে হস্তক্ষেপ করছে। আর এর বিরুদ্ধে দিল্লিতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের এই ধরনায় চন্দ্রবাবু নাইডু, রাহুল গান্ধী উপস্থিত হচ্ছেন। তবে দিল্লির না কোন পুলিশ কমিশনারকে বাঁচাবার জন্য নয়।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কিছুদিন আগেই কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়ে মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসে পড়েছিলেন তৃনমূল সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন এভাবে একজন পুলিশ কমিশনারকে বাঁচানোর জন্য ধর্নায় বসলেন তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে উঠতে শুরু করেছিল নানা প্রশ্ন।

আর এদিন অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ধর্নার প্রসঙ্গ টেনে এনে একদিকে যেমন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরোধিতা করলেন অশোক ভট্টাচার্য, ঠিক তেমনি সেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র নিন্দা করলেন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

অন্যদিকে বাম পরিচালিত শিলিগুড়ি পুরনিগমের সঙ্গে রাজ্য সরকার অসহযোগিতা করছে এই অভিযোগে চলতি মাসের শেষ অথবা মার্চ মাসের শুরুতে তিনি কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসবেন বলেও এদিন জানিয়ে দেন এই বাম বিধায়ক। সব মিলিয়ে এবার লোকসভা নির্বাচন আসতে না আসতেই অভিযোগ পাল্টা অভিযোগকে ঘিরে সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!