এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > আরেক হেভিওয়েট কংগ্রেস বিধায়ক কি এবার তৃণমূলের পথে ,জল্পনা তুঙ্গে

আরেক হেভিওয়েট কংগ্রেস বিধায়ক কি এবার তৃণমূলের পথে ,জল্পনা তুঙ্গে

শুভেন্দু অধিকারী আগেই বলেছেন তিনি কংগ্রেসকে রাজ্য থেকে বিতাড়িত করবেন।রাজ্যে কংগ্রেস শুন্য হবে। আর তাই সেই লক্ষ্যেই একের পর এক বিধায়ক টেনে নিচ্ছেন দলে। কিছুদিন আগে শুভেন্দুবাবু ও দাবি করেছেন যে মালদহের প্রথম সারির জনপ্রতিনিধিরা তৃণমূলে আসতে চেয়ে তাঁর সাথে যোগাযোগ করেছেন। ফলে জল্পনা ছড়িয়েছিলো মৌসম, আবু তাহের যাচ্ছেন তৃণমূলে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

কিন্তু সেই জল্পনা থামতে না থামতেই শুরু নতুন জল্পনা। এবারশিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসিদেওয়ার কংগ্রেসের বিধায়ক সুনীল তিরকির তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছে। জল্পনার কারণ হলো গুঞ্জন উঠেছে দু দিন আগে নাকি তিনি শিলিগুড়িতে ক্রেতা সুরক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূলের প্রবীণ নেতা সাধন পাণ্ডের সঙ্গে দেখা করে প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক করেন। জানা গেছে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই সাধনবাবু শিলিগুড়িতে এসেছিলেন। ফলে তৃণমূল নেতার সাথে বৈঠক করে জল্পনা ছড়ায় সুনীলবাবু তৃণমূল যোগ দেবেন আর তাই সাধনবাবুর সাথে বৈঠকে করে সে বিষয়ে আলোচনা করেছেন। কিন্তু সব জল্পনায় জল ঢেলে দিয়ে সুনীলবাবুর ঘনিষ্ঠ মহল জানিয়েছেন যে এলাকায় সে ভাবে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না সুনীলবাবুকে। তাই সেই বিষয়েই কথা বলতে গিয়েছিলেন। সুনীলবাবুও জানান যে যেভাবে কাজ করা দরকার তা করতে পারছি না। নানাভাবে অসহযোগিতা হচ্ছে। এলাকার উন্নয়নের কাজ করব কী, বেশিরভাগ সময় থানা পুলিসের পিছনেই সময় কেটে যাচ্ছে। এলাকার মানুষ তো আর এসব মানবেন না। তবে জল্পনা বাড়িয়ে তিনি বলেন , সাধনবাবু শিলিগুড়িতে এসেছিলেন, আমাকে ডেকেছিলেন ওনার সাথে আমার পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে তাই দেখা করেছি। সাথেই জল্পনা বাড়িয়ে জানান যে আমার চিন্তাভাবনা সম্পর্কে তিনি জানতে চেয়েছিলেন। যা বলার বলেছি।

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু হয় না। অনেক কিছুই হতে পারে। সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়। অপেক্ষা করুন। এর থেকে বেশিকিছু এখন বলতে পারছি না। অন্যদিকে সাধনবাবুও যোগদানের জল্পনাকে উস্কে দিয়ে বলেন , সুনীলবাবুর সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। আমাদের জোটের সময় তিনি দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। তারপর জোট ভেঙে যাওয়ায় তিনি ইস্তফা দেন। সম্পর্ক একবার হলে তো আর ভাঙে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করার জন্য আমরা তো সবাইকেই চাইছি। এর বেশি কিছু এখন বলছি না।
তাই রাজনৈতিকমহলের মতে লোকসভা ভোটকে টার্গেট করে মাঠে নেমেছে তৃণমূল আর সেই ঘর ভাঙার তালিকায় বড় নাম কংগ্রেস আর সেই তালিকায় রয়েছে সুনীলবাবুর নাম ও। তাই তাঁর সাথে সেই নিয়েই বৈঠক হওয়া কিছু অবিশ্বাস্য নয়। আর তাছাড়া দুজনের কেউই স্বীকার না করলেও নাও বলেননি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!