এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > তবে কি সাধের “হাত” হারাতে চলেছেন সোনিয়া-রাহুল?

তবে কি সাধের “হাত” হারাতে চলেছেন সোনিয়া-রাহুল?

কংগ্রেসের সাধের হাত নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হলেন বিজেপি নেতা অশ্বিনী উপাধ্যায়।এমনটাই দাবি করেছে একটি ওয়েব পোর্টাল।তাদের দাবি,অশ্বিনী উপাধ্যায়ের অভিযোগ কংগ্রেসের প্রতীক হাত চিহ্নটি জনপ্রতিনিধি আইন ও আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন করেছে।এই বিষয়ে ছ’পাতার আবেদন পত্র লিখে নির্বাচন কমিশনার ওমপ্রকাশ রাওয়াতের সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি।

বিরোধিতার কারণ জানিয়ে অশ্বিনী উপাধ্যায় বলেন, ‘কংগ্রেস প্রতীক মানবদেহের একটি অঙ্গ। ফলে সেই প্রতীক মানুষের সঙ্গে সর্বদা সর্বত্র চলে যায়। নির্বাচন বিধির ১৩০ নম্বর ধারায় বলা আছে, ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনও দলের প্রতীক দেখানো যাবে না। জনপ্রতিনিধি আইনের ১৫১ ধারায় উল্লেখ রয়েছে ভোটের ৪৮ ঘণ্টার আগে প্রচার শেষ করতে হবে। অথচ ভোটের দিনও কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা হাত তুলে ওই চিহ্নে ভোটের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। এবং অবলীলায় ভোটকেন্দ্রের মধ্যেও এই প্রচার চলে।’পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘অঙ্গ হিসেবে একমাত্র হাতকেই প্রতীক চিহ্ন হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কার্যত দেখা যাচ্ছে, সেই প্রতীকের অপব্যবহার করা হচ্ছে। এবং আইন লঙ্ঘনও করা হচ্ছে।’একই সাথে তিনি বলেন,কংগ্রেসের প্রতীক হিসাবে ছিল জোড়া বলদ।সেই বলদ কি ভাবে ইন্দিরা গান্ধীর সময় হাতে পরিণত হয়ে গেলো ?যদিও অশ্বিনী এই বিষয়ে সমালোচনায় না গিয়ে হাত চিহ্নটি খারিজের দাবি জানান এদিন।রাজনৈতিক মহলের অনেকের বক্তব্য হাত চিহ্নকে সরানোর পিছনে বিজেপি যে ভাবে উঠে পরে লেগেছে তাতে আগামী দিনে কংগ্রেসের প্রতীকটি থাকা বা না থাকা নিয়ে সৃষ্টি করছে একটা বড়ো প্রশ্ন।আবার অনেকের বক্তব্য কংগ্রেস কি সব বিষয়টিকে চুপচাপ মেনে নেবেন? মূলত এই সকল প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেবে আগামীদিন।এখন দেখার বিষয় নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে তার বক্তব্য কি রাখেন।যদিও এই খবরের সত্যতা বা সূত্র সম্পর্কে ওই ওয়েব পোর্টালে কিছু লেখা নেই, প্রিয়বন্ধু বাংলার তরফেও এই খবরের সত্যতা যাচাই করে দেখা সম্ভব হয় নি। এই প্রবন্ধ সম্পূর্ণরূপে ওই পোর্টালে প্রকাশিত খবরের পরিপ্রেক্ষিতে করা, কোনোভাবেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয় বা কোনো ব্যক্তি বা দলের সম্মানহানির উদ্দেশ্যে রচিত নয়।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!