এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > ২ কংগ্রেস ও ১ বাম বিধায়ককে দলে নেওয়ার পর বাঁকুড়ায় বিরোধীদের আরো বড় ধাক্কা

২ কংগ্রেস ও ১ বাম বিধায়ককে দলে নেওয়ার পর বাঁকুড়ায় বিরোধীদের আরো বড় ধাক্কা

দলের ওপর অভিমান করে কাউন্সিলরের পদ থেকে ইস্তফা ঘোষণা করে তৃণমূলে যোগ দিলেন বাঁকুড়ার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিএমের টিকেটে জেতা কাউন্সিলর অনন্ত গড়াই। এদিন জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে তিনি পদত্যাগ পত্র পেশ করেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা সভাপতি অরূপ খান, বিধায়ক শম্পা দরিপা, পুরপ্রধান মহাপ্রসাদ সেনগুপ্ত, উপ-পুরপ্রধান দিলীপ অগ্রবাল। এদিন অরূপ বাবু জানান,”মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নে অনুপ্রাণিত হয়েই তৃণমূলে যোগ দিলেন অনন্ত।” দল ছাড়ার প্রশ্ন উঠলে অনন্ত বাবু দাবি করেন, “রাজ্যের উন্নয়নের যজ্ঞে সামিল হতেই দল পরিবর্তন করলাম। সিপিএমে থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা যাচ্ছিল না। আমার উপর অনৈতিক কাজ করার চাপ দিচ্ছিলেন দলের কর্মীরা।” বিষয়টিতে খুশি হয়ে পুরপ্রধান এদিন জানান, “তাঁর ভাবমূর্তি খুবই স্বচ্ছ্ব, বয়সও খুব কম। আমি নিশ্চিত তিনি আরও ভাল কাজ করবেন।” সূত্রের খবর, এদিন অনন্তবাবুর ইস্তফা পত্র জমা দেওয়ার কথা জানতে পেরে তাঁর সাথে যোগাযোগ করেন পুরপ্রধান এবং তাঁর ইস্তফা পত্র প্রত্যাহার করিয়ে তাঁকে তৃণমূলে যোগ দিতে বলেন। এদিন মহকুমা শাসক অসীমকুমার বালা জানান, “অনন্তবাবু সকালে কাউন্সিলর পদে ইস্তফাপত্র জমা দিয়ে গিয়েছিলেন। বিকেলে এসে ওই ইস্তফাপত্র প্রত্যাহার করেন।” পদত্যাগের বিষয়টিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে অনন্তবাবু বলেন, “আমি কাউন্সিলর পদ থেকে ইস্তফা দিতে মহকুমাশাসকের দফতরে যাইনি।” অনন্তবাবুর ইস্তফা পত্র জমা দেওয়ার বিষয়টিকে সমর্থন না করে এদিন মহাপ্রসাদবাবু বলেন, “অনন্ত কাউন্সিলর পদ থেকে ইস্তফা দেননি। তিনি দল পরিবর্তনের নিয়ম জানতে মহকুমাশাসকের দফতরে গিয়েছিলেন।” সূত্রের খবর, গত পুরনির্বাচনে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মোট ২৪ টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ১২ টি, বামফ্রন্ট ৫ টি, বিজেপি ২ টি, নির্দল ৪ টি ও কংগ্রেস ১ টি আসনে জেতে। অনন্তবাবু মোট ৪৮ টি ভোটে প্রাক্তন পুরপ্রধান তথা প্রবীণ তৃণমূল নেতা তারা কুণ্ডুকে পরাজিত করেন। ভোটের পর পরই ৩ টি নির্দলের কাউন্সিলর তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় তৃণমূলের আসন বেড়ে দাঁড়ায় ১৫ টি। এরপর এদিন অনন্তবাবুর তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর তৃণমূলের আসন এখন ১৬ টি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!