এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > নিজেদের গরজেই “তৃণমূল বিরোধিতা” থেকে আপাতত শত হাত দূরে থাকবেন সোমেন মিত্ররা!

নিজেদের গরজেই “তৃণমূল বিরোধিতা” থেকে আপাতত শত হাত দূরে থাকবেন সোমেন মিত্ররা!

শ্যাম রাখবেন না কুল রাখবেন! এখন এই প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছে রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দপ্তর বিধান ভবনের অন্দরমহলের। লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপি ভালো ফল করার পরই শাসক দল তৃণমূল থেকে একাধিক বিধায়ক বিজেপিতে যোগদান করতে শুরু করেন। আর এমত একটা উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তারা যাতে বিরোধী দলের তকমা না খোয়ান তার জন্য দলত্যাগ রোধ আইন লাগু করার কথা ভেবেছে কংগ্রেস।

আর এই দলত্যাগ রোধ আইন যদি লাগু করা হয়, তাহলে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যে সমস্ত বিধায়ক গেছেন, তাদের সদস্যপদ খারিজ হয়ে যাবে এবং তাতে কংগ্রেসের সদস্য সংখ্যা অনেকটাই কমে যাবে রাজ্য বিধানসভায়। ফলে সেই ক্ষেত্রে বিপাকে পড়বে প্রদেশ কংগ্রেস। আর তাই দলছুটদের বিরুদ্ধে আর তেমন কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে অতি সক্রিয়তা দেখাতে চাইছে না রাজ্য বিধানসভায় কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা। ফলে এহেন একটা পরিস্থিতিতে রাজ্য বিধানসভার আগামী অধিবেশনে কিভাবে তারা পথ চলবেন, তা নিয়ে প্রবল ধন্দে হাত শিবির।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

প্রসঙ্গত, বরাবরই কবরের সহ অন্যান্য বিরোধীদলেরা অভিযোগ করেন যে, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য বিধানসভার অধিবেশনকে এড়িয়ে চলেন। গত ফেব্রুয়ারীতে তিন দিনের বাজেট অধিবেশন হয়েই সমাপ্ত হয়ে গিয়েছে অধিবেশন। যা কার্যত নজিরবিহীন বলেই মনে করছে অনেকে। কিন্তু লোকসভা ভোটে বিজেপির এই প্রবল উত্থান এখন ভাবাচ্ছে রাজ্যের খাতায়-কলমে বিরোধী দল কংগ্রেসকে। অনেকেই বলছেন, শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে বেশি বিরোধিতা না করে এখন বিজেপির বিরুদ্ধে হয়ত বা বিরোধিতার পথ বেছে নেবে কংগ্রেস।

কেননা তাদেরকে বিধানসভায় বিরোধী আসন টিকিয়ে রাখতে হবে। আর আর তাই শাসক দল তৃণমূল অপেক্ষা এখন তাদের মূল লড়াই রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হয়ে ওঠা বিজেপির সাথে। এদিন এই প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্র বলেন, “তৃণমূলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে মানুষের কাছে আমরা বিকল্প হয়ে উঠতে পারিনি বলেই বিজেপিতে ভোট চলে গিয়েছে। তাই তৃণমূলের বিরুদ্ধে এই লড়াই জারি থাকবে।”

কিন্তু সোমেন মিত্রের সাথে একমত নন রাজ্য বিধানসভায় কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান। এদিন তিনি বলেন, “আগে যেভাবে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করতাম এবার তা নিয়ে ভাবতে হবে। আমরা এমন কিছু করব না যাতে বিজেপি উৎসাহিত হয়ে পড়ে।”

এদিকে এই প্রসঙ্গে কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক মনোজ চক্রবর্তী বলেন, “গত লোকসভায় বিজেপি ও তৃণমূল দুজনের সঙ্গেই লড়তে হয়েছে। তাই বিধানসভায় আমাদের যতটুকু শক্তি থাকবে, তা নিয়েই আমরা সরব হব।” সব মিলিয়ে এবার রাজ্য বিধানসভায় পরবর্তী অধিবেশনে কংগ্রেসের ভূমিকা ঠিক কি হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!