এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > চিটফান্ড নিয়ে সংসদে কংগ্রেসের তীব্র আক্রমণের মুখে দাঁড়িয়ে মহাজোটে ফাটল ধরিয়ে সম্পর্কছেদ তৃণমূলনেত্রীর

চিটফান্ড নিয়ে সংসদে কংগ্রেসের তীব্র আক্রমণের মুখে দাঁড়িয়ে মহাজোটে ফাটল ধরিয়ে সম্পর্কছেদ তৃণমূলনেত্রীর

জাতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেস- তৃণমূলের সাথে হাতে হাত ধরে বিজেপি বিরোধিতায় আওয়াজ তুললেও রাজ্যে সেই প্রদেশ কংগ্রেসের নেতারাই উঠতে-বসতে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করছেন বলে বিভিন্ন সময় বঙ্গ কংগ্রেসের “দ্বিচারিতা” নিয়ে সরব হতে দেখা গেছে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

এবার অবশেষে সংসদের শেষদিনের অধিবেশনে বাংলার কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরীর মন্তব্যে সেই কংগ্রেসের সাথেই সমস্ত সম্পর্ক ছেদ করে দেওয়ার কথা শোনা গেল খোদ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। কিন্তু কি এমন হল, যার কারণে কংগ্রেসের উপর এতটা ক্ষুব্ধ হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

সূত্রের খবর, বুধবার সংসদের শেষ দিনের অধিবেশনে চিটফান্ড বিল নিয়ে একটি আলোচনা শুরু হয়। আর সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা সাংসদ অধীর চৌধুরী বলেন, “যারা বাংলায় চুরি করছে তারাই এখন চোরেদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলছে। অবিলম্বে চিটফান্ডে লুট হওয়া টাকা সরকারের ফেরত দেওয়া উচিত।” আর আশ্চর্যজনকভাবে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরীর এহেন মন্তব্যকে টেবিল চাপড়ে এদিন সমর্থন করতে দেখা যায় ইউপিএর চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধীকেও।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

আর এই ঘটনার পরই সংসদের সেন্ট্রাল হলে এসে গোটা বিষয়টি নিয়ে কিছুটা হলেও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ পড়তে দেখা যায়। আর এরপরই সোনিয়া গান্ধীর কাছে গোটা বিষয়টি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এদিন লোকসভায় যে ঘটনাটা ঘটল, তারপর আর কংগ্রেসের সঙ্গে কোনো সম্পর্কই রাখা সম্ভব নয়।”

আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন মন্তব্যের পরই ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে মাঠে নামেন সোনিয়া গান্ধী। জানা যায়, তৃণমূল নেত্রীকে আশ্বস্ত করে ইউপিএ চেয়ারপার্সন বলেন, “ইস্যুভিত্তিক ও রাজ্য ভিত্তিক কিছু ইস্যুতে আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য হতেই পারে। কিন্তু এটি রাজনৈতিক ছিন্ন করার মতো বিষয় নয়। দিনের শেষে আমরা সবাই এক।”

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সোনিয়া গান্ধী যাই বলুন না কেন, চিটফান্ড নিয়ে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এদিন সংসদে প্রবল তৃণমূল বিরোধী হিসেবে পরিচিত কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরীর মন্তব্যকে ঘিরে তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসের ওপর যে বেজায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন তা নিঃসন্দেহে বলাই যায়।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!