এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সাংগঠনিক নির্বাচন ঘিরে তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, প্রকাশ্যে হাতাহাতি

প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সাংগঠনিক নির্বাচন ঘিরে তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, প্রকাশ্যে হাতাহাতি

প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি পদে রদবদলের পরেই তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের আচ পাওয়া যাচ্ছিল রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দপ্তর বিধান ভবন থেকে। বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রর সাথে প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর দূরত্ব ক্রমশ বেড়েই চলছিল। আর এবারে প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনকে ঘিরে প্রবল গোষ্ঠী কোন্দল বাঁধল সেই বিধান ভবনেই।

সূত্রের খবর, গত সোমবার থেকে দুদিন ধরে বিধান ভবনে রাজ্য যুব কংগ্রেসের সভাপতি পদের সাংগঠনিক নির্বাচনে এক ভোটগ্রহণ পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এখানে একদিকে প্রার্থী প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের উত্তরণ মিত্র আর অপর দিকে প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সাদাব খান। আর এখানেই একে অপরের বিরুদ্ধে বয়স বানিয়ে ভোটে প্রার্থী হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।

জানা গেছে, বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রর পুত্র রোহন মিত্র অভিযোগ করেন যে তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাদাব খান বয়স বাড়িয়ে এইখানে লড়ছেন। প্রসঙ্গত, সর্বভারতীয় যুব কংগ্রেসের সংবিধান অনুযায়ী কংগ্রেসের যুব সংগঠনের সদস্যপদ নেওয়ার সর্বোচ্চ বয়স 35 বছর। যেখানে রোহনের বয়স 34। তবে রোহনের এই দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন তারই প্রতিদ্বন্দ্বী সাদাব খান।

তার দাবি,1985 সালে তাঁর জন্ম। পাশাপাশি তার আরও অভিযোগ যে, তার ভোটারদের এদিন ভোট কেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়ার পাশাপাশি মারধর করা হয়েছে। তবে এই অভিযোগের আঙুল ব্যক্তিবিশেষে কারও দিকে না তুললেও তিনি যে তার প্রতিদ্বন্দ্বী রোহন মিত্রের দিকেই এই অভিযোগ তুলেছেন তা বুঝতে বাকি নেই কারোরই।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অন্যদিকে এই ব্যাপারে রোহন মিত্রর অনুগামীরা ভোটকেন্দ্রে গোলমালের বিষয়টিকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তবে প্রদেশ কংগ্রেসের যুব সভাপতি পদের নির্বাচনে এহেন উত্তেজনা প্রসঙ্গে প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ঘনিষ্ঠ কংগ্রেস পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক মনোজ চক্রবর্তী এদিন বলেন, “যুবদের ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করব না। তবে যে গোলমাল হয়েছে তা অনভিপ্রেতই ছিল।” সব মিলিয়ে এবার প্রদেশ কংগ্রেসের যুব সভাপতির নির্বাচনেও চরম অস্বস্তিতে বিধান ভবন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!