এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > শিল্পাঞ্চলে বিজেপি-কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন ধরালো তৃণমূল কংগ্রেস

শিল্পাঞ্চলে বিজেপি-কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন ধরালো তৃণমূল কংগ্রেস

রাজ্যজুড়ে মুখ্যমন্ত্রীর ‘উন্নয়ন যজ্ঞে’ শামিল হতে অন্যদল ছেড়ে শাসকদলে যোগ অব্যাহত। গতকাল ব্যারাকপুরে কংগ্রেস ছেড়ে অন্তত ২০০ জন কর্মী-সমর্থক ও বিজেপি ছেড়ে অন্তত ৫০ জন কর্মী-সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। একসময় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অঘোষিত দুনম্বর নেতা মুকুল রায় বিজেপিতে যোগ দিতেই, ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক দায়িত্ত্ব চলে যায় ভাটপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিংয়ের হাতে। আর তিনিও কালবিলম্ব না করে দলের সাংগঠনিক বৃদ্ধিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তাঁর হাত ধরে একে একে সব বিরোধী শিবিরেই ভাঙন ধরতে থাকে। গতকালে অনুষ্ঠানেও তাঁর হাত থেকে ঘাসফুলের পতাকা নিয়েই তৃণমূলে যোগ দিলেন কংগ্রেস ও বিজেপি ত্যাগীরা।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এই দলবদলকারীদের মধ্যে অন্যতম হলেন ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের দাপুটে কংগ্রেস নেতা শিবশংকর গুহ। স্থানীয় সূত্রের খবর, শিবশংকরবাবুর এই দলবদলের ফলে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে কংগ্রেস কার্যত অস্তিত্ত্বহীন হয়ে পড়ল। তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে অর্জুনবাবু বলেন, অন্য রাজনৈতিক দলে যাঁরা স্বচ্ছ ভাবমূর্তির, তাঁদের তৃণমূলে যোগদানের জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। আর সেই আহ্বানে সাড়া দিয়েই ‘শিবুদা’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নযজ্ঞে শামিল হলেন। যাঁরা মমতা বন্দোপাধ্যায়ের আদর্শ মেনে স্বচ্ছ রাজনীতি করেন, কোনও কারণে আমাদের দল থেকে দূরে সরে গিয়ে ছিলেন। তাঁরা দলে আসুক ও দলকে শক্তিশালী করুক সেটা আমরা চাই।

অন্যদিকে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে শিবশংকরবাবু বলেন, বিজেপির মতো সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মাথা চারা দিতে দেওয়া যাবে না। ওরা ত্রিপুরায় জিতেছে ঠিকই, ত্রিপুরার মানুষের কতটা সমস্যা হবে, তা ওঁরা বুঝতে পারবেন। কংগ্রেসে থেকে আর মানুষের জন্য কিছু করার উপায় নেই। এখন বাংলায় চার নম্বর দল হয়ে গিয়েছে কংগ্রেস । আমাদের নেতৃত্বের সমস্যা ছিল আর যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী উন্নয়ন করছেন বাংলার, তা দেখে তৃনমুল কংগ্রেস এ যোগ না দিয়ে আর কোনও উপায় ছিল না। প্রসঙ্গত এই দলবদলের ফলে টিটাগড় পুরসভা এলাকায় শিবশংকর গুহর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস কার্যালয়টির দখলও চলে আসে তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে। তৃণমূল কংগ্রেসের এই ‘নতুন কার্যালয়টি’ নাউনভাবে উদ্বোধন করেন অর্জুন সিং ও ব্যারাকপুরের স্থানীয় বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত।

Top
error: Content is protected !!