এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > জোড়া ধাক্কা কংগ্রেসের, বড়সড় অস্বস্তিতে হাত শিবির

জোড়া ধাক্কা কংগ্রেসের, বড়সড় অস্বস্তিতে হাত শিবির

Priyo Bandhu Media


2014 সালের নির্বাচনে সর্বকালের সর্বসেরা ফলাফল করে ভারতীয় জনতা পার্টি। দিল্লির মসনদে প্রতিষ্ঠিত হয় নরেন্দ্র মোদি সরকার। সেই 14 সালের নির্বাচনে ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি খারাপ ফল করে কংগ্রেস। তবে 2019 সালে 2014 সালের তুলনায় ভালো ফল করলেও দেশজুড়ে ভরাডুবি হয় জাতীয় কংগ্রেসের।

সমগ্র দায় স্বীকার করে কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেন রাহুল গান্ধী। আর এরপরই সেই দায়িত্ব পুনরায় সামলান সোনিয়া গান্ধী। তবে কংগ্রেসের দুঃসময় যেন পার হওয়ার নাম নিচ্ছে না। এবার মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের আগে একই দিনে জোড়া ধাক্কা খেল কংগ্রেস।

বস্তুত, কয়েকদিন আগেই কংগ্রেস ছেড়ে ছিলেন বলিউড অভিনেত্রী উর্মিলা মাতন্ডকর। আর তার অদ্যাবধি পার হতেই প্রবীণ কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী কৃপা শংকর সিং পদত্যাগ করলেন কংগ্রেস থেকে। সূত্রের খবর, তিনি মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের প্রধান মল্লিকার্জুন খারগের কাছে তার পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। বেশ কয়েকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা দলত্যাগ করতে পারেন। চতুর্দিক থেকে সেই খবর শোনা যাচ্ছিল।

সম্প্রতি তিনি বিজেপি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। জানা যায়, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত প্রসাদ লালের সঙ্গে সাক্ষাতের পর থেকেই তার কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে জোর জল্পনা চলছিল। এবার সেই জল্পনার অবসান ঘটল কৃপাশংকরের কংগ্রেস ত্যাগের ঘোষণা করায়।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

বলাই বাহুল্য, কৃপাশঙ্করের এই কংগ্রেস ত্যাগের ফলে মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচনের আগে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হল কংগ্রেস পার্টি। এমনিতেই লোকসভা ভোটে পরাজয়ের ধাক্কা এখনও পর্যন্ত কাটিয়ে উঠতে পারেনি কংগ্রেস। তারপর বর্ষীয়ান এই নেতার কংগ্রেস ত্যাগ রীতিমত চিন্তার বিষয় কংগ্রেস অধ্যক্ষ সোনিয়া গান্ধীর কাছেও। সদ্যসমাপ্ত সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে মাত্র 52 টি আসনে জয়লাভ করেছে ভারতের সবচেয়ে পুরন রাজনৈতিক দল।

এছাড়াও রাজস্থান, গুজরাট, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ এবং দিল্লি এই রাজ্যগুলিতে একটিও আসন জয়লাভ করতে পারেনি জাতীয় কংগ্রেস। এক মাত্র মহারাষ্ট্রে একটি আসনে জয়লাভ করে হাত শিবির। এমত অবস্থায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ঘুরে দাঁড়ানো যথেষ্টই বড় চ্যালেঞ্জ কংগ্রেসের কাছে। ইতিমধ্যেই অধ্যক্ষের আসনে পুনরায় বসেছেন সোনিয়া গান্ধী।

আর তার সভাপতিত্বের কালে মহারাষ্ট্রের এহেন প্রবীণ নেতার কংগ্রেস ত্যাগ করাটা যথেষ্ট সাংগঠনিক চিন্তার বিষয় তার কাছে। এর আগে কংগ্রেসের নেতা রাধাকৃষ্ণ ভিখে পাতিল মহারাষ্ট্রের বিরোধী দলনেতা থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। আর এবার প্রাক্তন মন্ত্রীর পদত্যাগকে কেন্দ্র করে রীতিমতো হতাশার ছবি ছড়িয়ে পড়েছে মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের মধ্যে।

এখন এই প্রতিকূলতা কাটিয়ে আগামী নির্বাচনে কংগ্রেস কিভাবে ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে জোরদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে! সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!