এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলেজ নির্বাচন নিয়েও তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, বিধায়ক বনাম জেলা সভাপতির দ্বন্দ্বে শোরগোল!

কলেজ নির্বাচন নিয়েও তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, বিধায়ক বনাম জেলা সভাপতির দ্বন্দ্বে শোরগোল!

কোনোমতেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বন্ধ করা যাচ্ছে না তৃণমূলের। দলের তরফ থেকে কড়া বার্তা দিয়েও, এই কঠিন অসুখ যে সারান নয়, তা কার্যত যত দিন যাচ্ছে, ততই প্রমাণিত হতে শুরু করেছে। এবার রাজগঞ্জ কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি নির্বাচন ঘিরেও তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এল। জানা গেছে, এই কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতির জন্য বিধায়ক খগেশ্বর রায় এবং জেলা তৃণমূলের সভাপতি কিষাণকুমার কল্যাণী পৃথক পৃথকভাবে উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের কাছে দুটি নাম পাঠিয়েছেন। আর তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতা সভাপতি নিয়ে এই ধরনের দড়ি টানাটানিতে এবার উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে সেই কলেজে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রশাসক। যা নিয়ে এখন তীব্র গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের অন্দরমহলে।

কেন একটা সামান্য কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি পদ নিয়ে একই দলের দুই নেতা কোন্দলে জড়াবেন! দলীয় সূত্রের খবর, চাউলহাটির এক সংখ্যালঘু নেতাকে এই কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি হিসেবে বসানোর জন্য শিক্ষা দপ্তরের কাছে সুপারিশ করেন জেলা তৃণমূল সভাপতি কিষাণ কুমার কল্যাণী। আর কিষানবাবুর সেই পোস্ট সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল হতেই তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন রাজগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায়। যেখানে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে দরবার করে জেলা তৃণমূল সভাপতির সুপারিশ করা নাম যাতে বাদ পড়ে, তার জন্য আবেদন করেন তিনি। আর তা নিয়েই এখন তৈরি হয়েছে চরম মতানৈক্য।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে রাজগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায় বলেন, “সুখানিতে কলেজ প্রতিষ্ঠার পেছনে দীর্ঘ লড়াই করেছি এবং আমি বিদায়ী পরিচালন কমিটির সভাপতি। তাই বিদায়ী সভাপতির পরিবর্তে অন্য কাউকে আমরা কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে মানব না। শিক্ষামন্ত্রীকে ইতিমধ্যেই আমি জানিয়েছি। জেলা সভাপতি এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকলে সেটা মানা হবে না।”

অন্যদিকে এই ব্যাপারে জেলা তৃণমূলের সভাপতি কিষাণকুমার কল্যাণী বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আমরা রাজনীতির বাইরে রাখতে চাই। তাই বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদেরই কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি করার জন্য শিক্ষা দপ্তরে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। এর বেশি কিছু বলব না।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামান্য একটি কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি পদ নিয়ে যেভাবে তৃণমূল বিধায়ক এবং জেলা সভাপতি দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ছেন, তাতে তৃণমূলের শৃঙ্খলা যে দিনকে দিন নষ্ট হচ্ছে, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত প্রায় প্রত্যেকেই। এখন গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!