এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ধর্নামঞ্চ থেকেই সুদীপ্ত সেনের চিঠি ‘ফাঁস’ করে পাল্টা হেভিওয়েট নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূল নেত্রীর

ধর্নামঞ্চ থেকেই সুদীপ্ত সেনের চিঠি ‘ফাঁস’ করে পাল্টা হেভিওয়েট নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূল নেত্রীর

এবার সারদার কর্ণধার সুদীপ্ত সেনের গোপন চিঠি প্রকাশ্যে এনে রাজ্য-রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই চিঠিতে সুদীপ্ত সেন নাকি স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন, অসমের মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্বশর্মা তাঁর কাছ থেকে বেশ কয়েকটি ভাউচার সই করে তিন কোটি টাকা নিয়েছেন। পরে সেই টাকা আর ফেরত দেননি তিনি। এই চিঠিরই খোলাসা করেই বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন এদিন মুখ্যমন্ত্রী ধর্মতলার ধর্নামঞ্চ থেকে। চিটফান্ড কান্ডে এবার বিজেপির জড়িত থাকার অভিযোগ সামনে এনে চাঞ্চল্য বাড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সামনেই লোকসভা ভোট, হাতে গোনা আর তিন-চার মাস বাকি মাত্র। আর এই মুহূর্তে রাজনৈতিক মহল সবথেকে বেশি সরগরম রয়েছে চিটফান্ড কান্ড নিয়েই। সিবিআই ও রাজ্য পুলিশের দ্বন্দ্বে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে ক্রমশ। চিটফান্ড কান্ডে বিশেষ কিছু জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে সিবিআই আধিকারিকদের কলকাতা পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাংলোতে গিয়ে হাজির হওয়াকে কেন্দ্র করেই এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। এর জেরে ওদিন রাতেই সিবিআই কর্তাদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় শেক্সপিয়র সরণি থানায়। রাজীব কুমারকে চিটফান্ড কান্ডে সিবিআইয়ের তলব করার প্রতিবাদে ওই রাতেই ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এমনকি, এই ইস্যু নিয়ে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। তার পরিপ্রেক্ষিতে, দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় নির্দেশ দিয়ে দিয়েছে, চিটফান্ড কান্ডে তদন্তের খাতিরে সিবিআইয়ের সমস্ত জেরার সম্মুখীন হতে হবে রাজীব কুমারকে। তবে তাকে এখনই গ্রেফতার করা যাবে না তাঁকে। এই প্রেক্ষিতেই বাজি পাল্টে দেওয়ার খাতিরে, সারদাকর্তা সুদীপ্ত সেনের চিঠি সামনে এনে বিজেপি বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত, প্রায় ছয় বছর আগে, চিটফান্ড কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসার পর কাশ্মীরে আত্মগোপন করেছিলেন, সারদার কর্ণধার সুদীপ্ত সেন। তবে গা ঢাকা দেওয়ার আগে সিবিআইয়ের গোয়েন্দাদের উদ্দেশ্যে একটি চিঠি লিখেছিলেন তিনি।

আর এতদিনে, সেই চিঠিই প্রকাশ্যে এল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মারফতে। অসমের মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্বশর্মা সুদীপ্ত সেনকে কেন ফেরতে দেননি সেই টাকা? সে প্রসঙ্গে সওয়াল করেন নেত্রী। ধর্নার মঞ্চ থেকেই গর্জে উঠে বলেন, ‘হিমন্তের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না? বিজেপি করেন বলেই কি সাতখুন মাফ?’ তবে পাল্টা ট্যুইট করে সারদার থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করে বিতর্কের গোড়ায় জল ঢেলেছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। উল্লেখ্য, সিবিআই ও রাজ্য পুলিশের ডামাডোলের মাঝে চিটফান্ড মামলার তদন্ত কিন্তু থামিয়ে রাখেননি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা।

সারদাকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত দেবযানী মুখোপাধ্যায়কে জেরা করতে চেয়ে বারাসাত আদালতে আবেদন করল সিবিআই। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি জেলে গিয়ে তাঁকে জেরা করারই আবেদন করেছে সিবিআই। আপাতত তিনি দমদম সেন্ট্রাল জেলে হাজতবাস করছেন। সিবিআই সূত্রের খবর, এর আগে জেরার সময় দেবযানী মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তদন্ত চলাকালীন মিডল্যান্ড পার্কের দপ্তর থেকে বেশ কয়েকটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করেছিলেন সিটের সদস্যরা। সারদাকাণ্ডের তদন্তের জন্যেই রাজীব কুমারের নেতৃত্বে সিট গঠন করেছিল রাজ্য সরকার। আর তাই, জল্পনা ছড়িয়েছে এবার দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করা হতে পারে রাজীব কুমারকে।

Top
error: Content is protected !!