এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > সংখ্যালঘু অধিকার দিবসে সংখ্যালঘু পড়ুয়া নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

সংখ্যালঘু অধিকার দিবসে সংখ্যালঘু পড়ুয়া নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস সর্বদাই দাবি করে আসে – এই রাজ্যে সংখ্যালঘুদের সব থেকে বড় বন্ধুর নাম তৃণমূল কংগ্রেস। আর সংখ্যালঘু উন্নয়নে সবথেকে মানবিক, সবথেকে আন্তরিক ব্যক্তির নাম – মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবার, লোকসভা ভোটের আগেই সংখ্যালঘু পড়ুয়াদের নিয়ে বড়সড় ঘোষণা রাজ্য সরকারের। পশ্চিমবঙ্গের ১.৭ কোটিরও বেশি সংখ্যালঘু পড়ুয়াকে বৃত্তি দেওয়া হয়েছে বলেই জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন সংখ্যালঘু অধিকার দিবস উপলক্ষ্যে ট্যুইট করে জানালেন, ‘‌আপনারা জানলে খুশি হবেন এই বাংলায় আমরা ১.৭ কোটির বেশি সংখ্যালঘু পড়ুয়াকে বৃত্তি দিয়েছি। গোটা দেশের মধ্যে এর চেয়ে বেশি পড়ুয়াকে আর কোনও রাজ্য বৃত্তি দিতে পারেনি। আগামী দিনে পথ চলার জন্য সমস্ত পড়ুয়াকে জানাই শুভ কামনা’‌। শুধু তাই নয়, এদিন রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সংহতি বজায় রাখার উপরও জোর দিয়ে নেত্রী, সাম্যের বার্তা দেন। তিনি জানান, বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের নীতি মেনেই রাজ্যে বিভেদের রাজনীতি দমন করা সম্ভব।

এর মধ্যেই যাবতীয় শক্তি নিহিত আছে বলেও জানান তিনি। প্রতি বছর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষা করার জন্যে এই দিনটি পালিত হয় বলেও ট্যুইটারে জানালেন তিনি। উল্লেখ্য, বাংলায় প্রায় ৩০% ভোট রয়েছে সংখ্যালঘুদের। তাই জয়ের জন্য এই ভোটব্যাঙ্কের গুরুত্ব শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস তো বটেই – বিরোধীরাও স্বীকার করেন। অতীতে এই ভোটব্যাঙ্ক দখলে রাখতে সবরকম চেষ্টা করতে দেখা গিয়েছে বামফ্রন্টকে। এখন সেই ভূমিকা নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস – বলে দাবি বিরোধীদের।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এমনকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্যের শীর্ষ ক্ষমতায় আসতে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কের যে বিশেষ ভূমিকা রয়েছে, সেকথা অস্বীকার করার উপায় নেই তৃণমূলের বলেও দাবি করা হয় বিভিন্ন মহল থেকে। তাই মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার পর থেকেই সংখ্যালঘুদের প্রয়োজন মেটাতে সবসময় তৎপরতা দেখিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের কথা মাথায় রেখেই একের পর এক প্রকল্প চালু করেছেন তিনি। সংখ্যালঘুরা যাতে সমাজের প্রথম সারিতে এগিয়ে আসতে পারে তার জন্যে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অভিমত – বছর ঘুরতেই লোকসভা ভোট – তাই জয়ের পথ মসৃণ করতে সংখ্যালঘুদের ভোট হাতছাড়া করতে চান না তিনি। আর এদিনের ঘোষণার পর তিনি ফের বুঝিয়ে দিলেন, লোকসভা ভোটের আগে সংখ্যালঘুদের মন পেতে চেষ্টায় কোন খামতি রাখবেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় – এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। যদিও, শাসকদলের তরফে দাবি, সমগ্র বিষয়টাকে অহেতুক রাজনৈতিক রঙ দেওয়া হচ্ছে।

শাসকশিবিরের আরও দাবি, মুখ্যমন্ত্রী সর্বদা সর্বধর্ম সমন্বয়ের কথা বলেন – রাজ্যের সকলের উন্নতি চান। তাই প্রতিটা বিষয়েই তিনি বিশেষ গুরুত্ত্ব দেন। দুর্গাপূজা সুষ্ঠুভাবে সমাধা করতে যেমন তিনি দুর্গাপূজা কমিটিগুলিকে অনুদান দেন – তেমনই রাজ্যের প্রতিটি জনজাতির জন্য আলাদা আলাদা বোর্ড গঠন করে তাঁদের উন্নয়নের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা করেন। পাহাড় থেকে জঙ্গলমহল – সর্বত্রই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে তিনি বিশেষ নজর দেন। আর, তারই অন্যতম অংশ হিসাবে সংখ্যালঘুদেরও সমাজের সামনের সারিতে নিয়ে আসতে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছেন ও নিচ্ছেন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!