এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে চা বানিয়েছিলেন, এবার ভাঙা পড়লো দিঘার সেই চায়ের দোকান

মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে চা বানিয়েছিলেন, এবার ভাঙা পড়লো দিঘার সেই চায়ের দোকান

রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে গিয়েছিলেন দীঘার বিজ্ঞান মঞ্চ লাগোয়া একটি ছোট চায়ের দোকানের মালিক পরিমল জানা। কারণ অবশ্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি বছরের অগাস্টে দীঘা সফরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আর সেখানেই হাঁটতে হাঁটতে ঢুকে পড়েন পরিমল জানার চায়ের দোকানে। শুধু দোকানে ঢোকাই নয়, দোকানে ঢুকে নিজেই চা বানাতে শুরু করেন ও শেষে সঙ্গে থাকা প্রশাসনিক আধিকারিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরকেও চা বানিয়ে খাওয়ান। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর ছড়াতেই বিখ্যাত হয়ে যায় দীঘার পরিমল জানার চায়ের দোকানে।

বেশ চলছিল। যে দোকানে মুখ্যমন্ত্রী পা রেখেছেন সেই দোকানকে দেখতে ভিড় বাড়াচ্ছিলেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে এখানে বেড়াতে আসা পর্যটকরাও। পরিমল জানার দোকান দীঘার অন্যতম দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠেছিল। কিন্তু বিপত্তি ঘটলো কদিন আগে।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

জানা যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর যাওয়ার কয়েকমাসের মধ্যেই দোকান ভাঙা পড়ে পরিমলের। আগামিকাল দিঘায় শুরু শিল্প সম্মেলন যার উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই নিয়েই গত নভেম্বর মাস থেকেই দিঘায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছিল জেলা প্রশাসন। রাস্তার পাশে ফুটপাতে থাকা নানা ব্যবসায়ীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল জেলা প্রশাসন। বাদ যাননি পরিমলবাবুও . তবে তাঁর দাবি প্রশাসনের নির্দেশ মেনেই রাস্তার পাশে থাকা নিজের দোকানের কিছুটা অংশ নিজেই ভেঙে নিয়েছেন তিনি। আর দোকানের বাকি অংশটুকুও রাস্তা থেকে কয়েক ফুট পিছনের দিকে সরিয়ে নিয়েছেন।

যদিও এখন দোকানের হতশ্রী অবস্থা দেখে অনেকেই আর ভিড়ছেন না তাঁর দোকানে। এই নিয়ে পরিমল জানা বলেন, ‘দিদি আমার দোকানে পা রাখার পর আমাদের কিছু হবে বলে আশা করেছিলাম । কিন্তু এভাবে উচ্ছেদ অভিযানের শিকার হব ভাবতেই পারিনি।তাছাড়া এখনও পর্যন্ত পুনর্বাসনের সুযোগটুকুও পাইনি’।

মুখ্যমন্ত্রী আবার দীঘায় আসছেন। যদি দোকানের এই পরিস্থিতি দেখে একটা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দেন সেই আসতেই দিন কটাক্ষেন পরিমল জানা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!