এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > পুজোর মরশুমের আগে রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ, নবান্নের বৈঠকের পর তটস্থ সবাই

পুজোর মরশুমের আগে রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ, নবান্নের বৈঠকের পর তটস্থ সবাই

জনসাধারনকে অসুবিধেই ফেলে তাঁর সরকার যে কোনো কাজই করে না তা বারে বারে আধিকারিকদের বুঝিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারে কোলকাতা পুরসভার রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া হুশিয়ারির মুখে পড়লেন পুর কমিশনার খলিল আহমেদ এবং মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়।

সূত্রের খবর, গত 6 আগষ্ট কোলকাতার রাস্তা নিয়ে পুরভবনে একটি বৈঠক করেন পুরসভার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। যেখানে রাজ্য এবং কেন্দ্রের দুপক্ষেরই অধীনস্থ সংস্থা উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, সেই বৈঠকেই মেয়র বলেছিলেন, বর্ষা শেষ না হলে এই রাস্তা মেরামত সম্ভব নয়। কারন বৃষ্টির জলে এই নতুন তৈরি রাস্তাতে পিচ জমাট বাঁধতে পারবে না। পুরসভা সূত্রের খবর, শহরের ইএম বাইপাস, ডায়মন্ডহারবার রোড, পার্ক সার্কাস, বাইপাস কানেক্টর, বেলেঘাটা ইএম বাইপাস, মানিকতলা মেন রোড এই রাস্তাগুলির ভগ্নপ্রায় দশা। মানিকতলা বা এপিসি রোডে ট্রাম লাইন সংলগ্ন রাস্তায় সবচেয়ে খারাপ অবস্থা। আর এই খারাপ রাস্তার জেরে মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনা লেগেই আছে শহর বা শহরতলীতে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রব্লেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

 আর এতেই চরম ক্ষুদ্ধ মুখ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার এক বৈঠকে পুর কমিশনারকে প্রশ্ন করেন,”কেন লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করার পরও রাস্তা ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে?” এখানেই একাংশ পুরকর্তা মনে করছেন, পছন্দের ঠিকাদারদের দিয়ে কাজ করানোই কাল হচ্ছে পুরসভার। নিম্নমানের মশলা থাকার জন্যই রাস্তার এই বেহাল দশা। তবে মুখ্যমন্ত্রীর এহেন কড়া বার্তার পরে হয়ত শহরের রাস্তাগুলি মেরামতিই এখন পাখির চোখ হবে বলে মত পুর প্রশাসনের কর্তাদের।

Top
error: Content is protected !!