এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > মুখ্যমন্ত্রীর দেখানো পথেই এবার পুলিশের ভুঁড়ি কমাতে বড়সড় উদ্যোগ

মুখ্যমন্ত্রীর দেখানো পথেই এবার পুলিশের ভুঁড়ি কমাতে বড়সড় উদ্যোগ


রাজ্যের মানুষদের রক্ষার ভার যে পুলিশ কর্মীদের হাতে, সেই পুলিশ কর্মীদের অত্যাধিক শারীরিক মেদ নিয়ে বারে বারেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন মহল। এমনকি পুলিশকর্মীদের ভুঁড়ি থাকার কারণে রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই পুলিশ কর্মীদের শারীরিক সক্ষমতার ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু তা সত্বেও এই মেদের কারণে প্রশ্নের মুখে পড়েছে রাজ্যের পুলিশ মহলের একাংশ। এবার সব সমস্যার সমাধান করে পুলিশদের জন্য জমির ব্যাবস্থা করলো রাজ্য সরকার।

সম্প্রতি রাজ্য পুলিশের ভিশন টুয়েন্টি টুয়েন্টির নথিতে স্বীকার করা হয়েছে যে, অত্যাধিক শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রমের কারণে রাজ্যের সিংহভাগ পুলিশকর্মীরাই ডায়াবেটিস এবং হাইপারটেনসানের মত রোগে ভোগেন। ফলে যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে তাঁদের কাজ কর্মে। কিন্তু এই মেদ মুক্ত শরীর গড়তে এতদিন ঠিকঠাক ব্যায়ামাগারেরও ব্যবস্থা ছিল না পুলিশ কর্মীদের জন্য। তবে এবারে সেই পুলিশ কর্মীদের জন্য মানবাজার পুলিশের জিমটিকে নতুন করে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হল।

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার মানবাজার থানা চত্বরে আধুনিক ফাইভ স্টেশন মাল্টি জিমের উদ্বোধন করেন জেলা পুলিশ সুপার আকাশ মাঘারিয়া। এদিন এই জিম উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে গোটা মানবাজারকে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল। দেবদারু গাছের মধ্যে কোথাও ঝোলানো হয়েছিল স্যান্টাক্লজ, আবার কোথাওবা সেখানে ঝুলেছিল চকলেট।

 

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

স্থানীয়দের মতে, এতদিন ঝালদা বা বড়বাজারে পুলিশকর্মীদের শরীরচর্চার জন্য যন্ত্রপাতি রাখা হলেও মানবাজারে সেই রকম কোনো সুযোগই পাননি পুলিশকর্মীরা। তবে শুধু পুলিশকর্মীরাই নয়, তরুণ-তরুণীরাও নিজেদের শরীরকে ঠিক রাখতে এই জিমটি ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানা গেছে।

এদিনের এই জিম উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন মানবাজারের এসডিপিও আফজল আবরার, ডিএসপি (হেডকোয়াটার) বিদ্যুৎ তরফদার, ডিএসপি ট্রাফিক দুর্লভ সরকার, ডিএসপি (প্রোবেশন) আবদুল কাউম এবং মানবাজার মহকুমা থানার সমস্ত আইসি এবং ওসিরা। কিন্তু যে পুলিশের মেদ কমানোর জন্য এই শরীরচর্চা ও জিমের ব্যবস্থা করা হল, সেই পুলিশকর্মীরা আদৌ কি সেই শরীরচর্চা করতে নিজেদের সময় দিতে পারবেন?

পুলিশমহলের একাংশের মতে, কাজের পরে তাঁদের শরীরচর্চার খুব একটা সময় থাকে না। তাই জিম হলেও তা নামে মাত্রই। সব মিলিয়ে জিম উদ্বোধনে গিয়েও পুলিশের পক্ষ থেকে সেই পুলিশ কর্মীদের শরীরের মেদ কমানোর পরামর্শ দিলেন পুলিশের শীর্ষ স্থানীয় কর্তাব্যক্তিরা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!