এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বড় ধাক্কা মুখ্যমন্ত্রীর, নিজের মামারবাড়ির গ্রামেও লোকসভা ভোটে এগিয়ে বিজেপি

বড় ধাক্কা মুখ্যমন্ত্রীর, নিজের মামারবাড়ির গ্রামেও লোকসভা ভোটে এগিয়ে বিজেপি

এবারের লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের তৃণমূলের ফল খুব একটা ভাল হয়নি। বিজেপির থেকে হাতেগোনা চারটি আসন বেশি পেলেও বেশিরভাগ ওয়ার্ড এবং বিধানসভাতেই হারতে হয়েছে শাসক দলকে। যেমন, বীরভূমে দুটি লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীরা জয়লাভ করলেও বেশীরভাগ পঞ্চায়েতেই তৃণমূলকে পেছনে ফেলে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি।

বস্তুত, এই বীরভূমের রামপুরহাট থানার কুসুম্বা গ্রামে তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার বাড়ি। ছোটবেলায় বেশিরভাগ সময়টা এই মামাবাড়িতেই কাটিয়ে ছিলেন তিনি। আর সেই কুসুম্বা গ্রামের প্রায় বেশিরভাগ বুথেই তৃণমূলের ভরাডুবি হয়েছে।

দেখা গেছে, এখানকার 29 নম্বর বুথে বিজেপি 360 এবং তৃণমূল 238 টি ভোট পেয়েছে। 30 নম্বরে বিজেপি 376, তৃণমূল 184, 31 নম্বরে বিজেপি 354, তৃণমূল 213 এবং 32 নম্বর বুথে বিজেপি 438 এবং তৃণমূল 226 টি ভোট পেয়েছে। আর যে জেলায় বীরভূমের দাপুটে তৃণমূলের নেতা হিসেবে পরিচিত অনুব্রত মণ্ডল এবং যেখানে খোদ তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার বাড়ি, সেই কুসুম্বা গ্রামে বেশিরভাগ পঞ্চায়েতে বিজেপি এগিয়ে যাওয়ায় এবং তৃণমূলের ভরাডুবি হওয়ায় মাথায় হাত পড়েছে শাসক দলের নেতা-নেত্রীদের।

কেন এমনটা হল! এদিন এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মামাতো ভাই তথা বীরভূম জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ নীহার মুখোপাধ্যায় বলেন, “জেলা পরিষদ থেকে পঞ্চায়েত সমিতি, গ্রাম পঞ্চায়েত – প্রত্যেকটি বিভাগ থেকে এখানকার সার্বিক উন্নয়ন করা হয়েছে। তার পরেও কেন এই ফল! এর কোনো উত্তর আমরা পাচ্ছি না।”

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

তবে এই কুসুম্বা গ্রাম যে বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত, সেই বিধানসভা রামপুরহাটেও এবার অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। কেন এমনটা হল! এদিন এই প্রসঙ্গে রামপুরহাটে তৃণমূল বিধায়ক তথা মন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কেন এমনটা হল সেই ব্যাপারে পর্যালোচনা করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

তবে তৃণমূলের এই ভরাডুবির পেছনে অন্য কারণ দেখছে বিজেপি। এদিন এই প্রসঙ্গে বীরভূম জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি শুভাশিস চৌধুরী বলেন, “তৃণমূল নেতাদের ঔদ্ধত্য, পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন জমা না দিতে দেওয়া থেকে দুর্নীতির জন্যই এলাকার মানুষ তৃণমূলের উপর ক্ষুব্ধ। আর সেই ক্ষোভই ভোটের ফলে দেখা গিয়েছে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এবারের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল 22 টি আসন দখল করলেও ফলাফল পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, বেশিরভাগ পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং বিধানসভায় এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। ফলে সামনের বিধানসভা নির্বাচনে যদি এই ফল বজায় থাকে, তাহলে যে তৃণমূলের পক্ষে তা অত্যন্ত দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে সেই ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত বিশেষজ্ঞ মহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!