এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের ‘কলকাতা-আই’ প্রজেক্ট থমকে কেন? কোন পথে হবে সমাধান?

মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের ‘কলকাতা-আই’ প্রজেক্ট থমকে কেন? কোন পথে হবে সমাধান?

কলকাতাকে লন্ডন বানানোর স্বপ্ন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনেকদিনের। রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পরেই এমনটাই রাজ্যবাসীকে জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। জানিয়ে দিয়েছিলেন তিলোত্তমাকে অত্যাধুনিক উন্নয়নের মোড়কে গড়বেন তিনি। এর জন্য প্রশাসনের তরফ থেকে গঙ্গা পাড়ের মিলেনিয়াম পার্কের কাছে ‘কোলকাতা আই’ প্রকল্প তৈরির কথাও জানানো হয়েছিলো। তবে প্রথম থেকেই প্রকল্প নির্মানকে ঘিরে নানা ইস্যু সামনে আসছিল। তাই নিয়ে জল্পনাও কম ছিল না রাজনৈতিকমহলে। এবার আবার জল্পনাকে আরো একটু উসকে দিতে প্রকাশ্যে আসলো প্রকল্প-কেন্দ্রীয় নতুন সমস্যা।

আর্থিক জট বাঁধ সেধেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের রূপায়ণে। জানা গেছে প্রকল্পটি নির্মানকল্পে প্রয়োজন সাড়ে সাতশো কোটি টাকা। কিন্তু এতোটাকা খরচ করতে প্রাথমিকভাবে আপত্তি জানিয়েছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী। রাজ্যের কোষাগার থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ কোটি টাকা দেওয়া সম্ভব বলেই বার্তা দিয়েছেন তিনি।এবার বাকি ৪৫০ কোটি টাকা কোত্থেকে আসবে তা নিয়ে কার্যত চিন্তায় মাথায় হাত পড়ল রাজ্যসরকারের।

তবে প্রশাসনের তরফ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, গ্লোবাল টেন্ডার ডেকে ‘কোলকাতা আই’ প্রকল্পের বেসরকারি বিনিয়োগকারীর খোঁজ চালানো হবে। আর এই বেসকরকারী পুঁজি হদিশ পেতেই পেশাদার সংস্থা ঠিক করতে নতুন টেন্ডার ডাকা হয়েছে। এর পোশাকি নাম ট্রানজ্যাকশন অ্যাডভাইজার। এঁদের কাজ হবে প্রকল্পটি তৈরির জন্য বেসরকারি লগ্নি জোগাড় করা।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এ প্রসঙ্গে, বিধানসভার বাইরের রাজ্যের পুর এবং নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানান, কোলকাতা আই-প্রকল্প নির্মাণ লক্ষ্যেই এই অ্যাডভাইজার খোঁজার কাজ চলছে। সরকারি এবং বেসরকারি উদ্যোগেই এই প্রকল্প তৈরি করা হবে। এবং এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও বিশ্বের কাছে পশ্চিমবঙ্গের নতুন নজির তৈরি হবে। কোলকাতা নতুনভাবে সামনে আসবে বিশ্বের দরবারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের মুকুটে আরো একটি পালক জুড়বে। তবে প্রশ্নও উঠেছে রাজনৈতিকমহল থেকে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান যা আর্থ সামাজিক অবস্থা তাতে কী শুধু মনোরঞ্জনের দিকটি বিচার করে একটি প্রকল্পের জন্য কোনো বেসরকারি সংস্থা এই বিপুল পরিমান টাকা খরচা করতে রাজি হবে কিনা! তবে এ প্রশ্নের জবাবে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি প্রশাসনের তরফ থেকে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!