এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > মুখ্যমন্ত্রী বিদ্যাসাগরের মূর্তি উন্মোচন করবেন বলে পিছিয়ে গেল কলেজের পরীক্ষা! ছিছিক্কার সর্বত্র

মুখ্যমন্ত্রী বিদ্যাসাগরের মূর্তি উন্মোচন করবেন বলে পিছিয়ে গেল কলেজের পরীক্ষা! ছিছিক্কার সর্বত্র

বিদ্যাকে নয়, বঙ্গ রাজনীতিতে এখনো অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বিদ্যাসাগরকে। তবে তার আদর্শকে নয়, মূর্তি প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই এ এক নতুন রাজনীতির আমদানি হচ্ছে বাংলায়। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই লোকসভা ভোটের প্রচারে আসা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ কলকাতার মাটিতে রালি করলে শাসক বনাম বিরোধী দলের তরজায় ভেঙে দেওয়া হয় ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তিকে। যা নিয়ে বিস্তর জলঘোলা তৈরি হয়।

কখনও প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যাসাগরের অষ্টধাতুর মূর্তি তৈরি করে দেবে কেন্দ্রীয় সরকার। আবার তার পাল্টা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলা কারও কাছে ভিক্ষা চায় না। আর দুই প্রশাসনিক প্রধানের এই তরজার মাঝেই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শুধু বাংলার, নাকি সমগ্র ভারতের তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে গোটা বঙ্গবাসী। বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙ্গার পরেই শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “11 ই জুন দুপুর একটায় হেয়ার স্কুলের মাঠে বিদ্যাসাগরের আবক্ষ ব্রোঞ্জ মূর্তি উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে 11 এবং 12 ই জুন সেই বিদ্যাসাগর কলেজের বায়োকেমিস্ট্রি দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা রয়েছে। জানা গেছে, বিদ্যাসাগরের মূর্তি উদ্বোধনের জন্য এখন সেই 11 এবং 12 জুনের পরীক্ষা পিছিয়ে 13 এবং 14 ই জুন করে দেওয়ার কথা জানিয়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আর এই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এখন উঠতে শুরু করেছে নানা প্রশ্ন।

শিক্ষাবিদদের মতে, যে বিদ্যার প্রসারের জন্য আজীবন সংঘর্ষ চালিয়ে এসেছেন বিদ্যাসাগর, শিক্ষার সর্বাঙ্গীন সফলতাই ছিল যার জীবনের অন্যতম লক্ষ্য, সেই শিক্ষার অন্যতম মাধ্যম পরীক্ষা ব্যবস্থাকে পিছিয়ে দিয়ে তার মূর্তি নির্মাণের মাধ্যমে কোন আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন বাংলার প্রশাসনিক প্রধান!

অনেকে বলছেন, এটা আসলে গাছ কেটে বৃক্ষরোপনের কথা প্রচার করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যাসাগরকে সামনে রেখে সমাজকে শিক্ষা সম্পর্কে সচেতন করা মুখ্যমন্ত্রীর অন্যতম প্রয়াস তো বটেই, কিন্তু তার পেছনেও রয়েছে প্রতিযোগিতার রাজনীতির গোপন হাতছানি।সবকিছু মিলিয়ে বর্ণপরিচয়ের জনক এর বর্ণ কি রকম হবে, দৃশ্যমান নাকি অদৃশ্যমান! তা নিয়েই জোর জল্পনা বঙ্গমহলে।

Top
error: Content is protected !!