এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > কঠিন সময়ে রাজনীতি ভুলে সব দল মুখ্যমন্ত্রীর পাশে! করোনা রুখতে রাজনীতিবিদদের ভূমিকায় সাবাশি

কঠিন সময়ে রাজনীতি ভুলে সব দল মুখ্যমন্ত্রীর পাশে! করোনা রুখতে রাজনীতিবিদদের ভূমিকায় সাবাশি


করোনাকে আটকানোর জন্য প্রথম থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করছেন সকলে। দল, রং না দেখে সকলকে একত্রিত হওয়ার বার্তা দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। আর এই পরিস্থিতিতে রাজ্য লকডাউনের আগে রাজ্যের বিরোধী মতকে প্রাধান্য দিতে নবান্নে সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছিলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। যার মূল এজেন্ডা ছিল, করোনা মোকাবিলায় সরকারি ব্যবস্থাপনা।

জানা যায়, এই বৈঠকেই কমবেশি প্রতিটি রাজনৈতিক দল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাছে প্রস্তাব দেন যে, কলকাতার মত রাজ্যের বিভিন্ন জেলা বা মহকুমা স্তরেও যাতে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরি করা হয়। আর সকলের সেই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েই করোনা ভাইরাসের উপসর্গ থাকা লোকজনের চিকিৎসার জন্য রাজ্যের সমস্ত জায়গায় কোয়ারেন্টাইন সেন্টার প্রস্তুত রাখতে পুলিশকে নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

অর্থাৎ রাজ্য সরকার এই করোনাকে আটকাতে যে সমস্ত রকম পদক্ষেপ নিতে চলেছে, তা এদিনের ঘটনায় আরও বেশি করে পরিষ্কার হয়ে গেল বলে মত বিশেষজ্ঞদের। জানা যায়, সোমবার নবান্নের সভাগৃহে সর্বদলীয় বৈঠকের সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি, ফরওয়ার্ড ব্লক সহ বেশ কিছু রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে করোনার উপসর্গ পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন সরঞ্জাম অপ্রতুলের ব্যাপারটি তুলে ধরা হয়।

আর সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিধি মেনে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ এই সমস্ত সরঞ্জাম সরবরাহ করে। কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে স্পষ্ট করে জানিয়েছিলাম, মাত্র 40 টি কিড আমাদের কাছে আছে। আজ পর্যন্ত আইসিএমআর 90 টা কিট পাঠিয়েছে। যা পর্যাপ্ত নয়।”

এরপরেই বিজেপি দলের প্রতিনিধি হিসেবে জয়প্রকাশ মজুমদারের উদ্দেশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আপনাদের দলের তরফে কেন্দ্রীয় সরকারকে বলুন না, মরেটরিয়াম দিতে‌। অন্তত বুলবুল দুর্যোগের টাকাটা দিতে বলুন না! কাজে লাগবে। রাজনীতিটা আমরা না হয় পরে করব।”

একইভাবে এখন কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত বাংলাকে সাহায্য করা বলে এদিনের বৈঠকে দাবি জানিয়েছেন রাজ্যের কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান এবং বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন সমস্ত রাজনৈতিক রঙকে ভুলে যাওয়া উচিত। রাজনীতি ততক্ষণ স্থায়ীত্ব লাভ করবে, যতক্ষণ স্থায়ীত্ব লাভ করবে মানবজীবন। তাই সেই মানবজীবনকে রক্ষার্থে রাজ্য প্রশাসনের করোনা আটকানোর পদক্ষেপকে স্বাগত জানাচ্ছেন সকলেই।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!