এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > বাংলায় সংগঠন বাড়াতে ১০০ কোটি খরচ, তীব্র তরজা তৃণমূল ও বিজেপিতে

বাংলায় সংগঠন বাড়াতে ১০০ কোটি খরচ, তীব্র তরজা তৃণমূল ও বিজেপিতে

আগামী ২০১৯ এর লোকসভা ভোটে যত বেশি সংখ্যক সম্ভব আসনে পশ্চিমবঙ্গ থেকে জয়ী হওয়ায় এখন বিজেপির ‘পাখির চোখ’। আর তাই ত্রিপুরার ফলাফল সামনে এলেই বাংলায় সংগঠন বাড়াতে আসরে নামবে বিজেপি বলে খবরে প্রকাশ। আপাতত রাজ্যের ৩৭ টি সাংগঠনিক জেলাতেই দলীয় কার্যালয় খোলা থেকে আরম্ভ করে দলের কাজে এসইউভি গাড়ি ও কর্মীদের জন্য বাইক কেনাতেই এই টাকা খরচ করা হবে বলে জানা গেছে। তবে এই ১০০ কোটির মধ্যে কলকাতায় নতুন করে গড়ে উঠতে চলা ঝাঁ চকচকে রাজ্য সদর দফতরের হিসাব ধরা নেই। সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যাচ্ছে, বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ত্বের দাবি পার্টি ফান্ডের যেখানে কোনো অসুবিধা নেই, সেখানে তৃণমূলের থেকেও বড় সদর দফতর করে দেখিয়ে দিতে হবে। আর তাই খরচটা অক্লেশে ১৫০ কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আর এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র তরজা শুরু হয়ে গেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপিতে। রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, এখন বোঝা যাচ্ছে জনগণনের ‘আচ্ছে দিন’ আসেনি, আসলে বিজেপির ‘আচ্ছে দিন’ এসেছে। নোট বাতিলের আগাম খবর ছিল বলে যে যে টাকা ওরা সরিয়ে রেখেছিল, তা দিয়েই এখন দলীয় দফতর বানানো হচ্ছে। অন্যদিকে পুরমন্ত্রীর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন বিজেপির রাজ্য সহসভাপতি সুভাষ সরকার। তিনি জানিয়েছেন, নোটবন্দির অনেক আগেই দলীয় দফতর নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, জমি কেনার লেনদেন পুরোটাই চেকে হচ্ছে। দুই শীর্ষনেতার এই বিবৃতির লড়াই দেখেই বোঝা যাচ্ছে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের লড়াই এখানেই শেষ হবে না। সবথেকে বড় কথা পশ্চিমবঙ্গ বরাবরই বিজেপি-বিমুখ ছিল, কিন্তু বর্তমানে রাজ্যের ‘অঘোষিত’ প্রধান বিরোধী দলের নাম বিজেপি, যা শাসকদলের বিভিন্ন শীর্ষনেতার বিজেপিকে আক্রমন করার ধরন দেখেই বোঝা যাচ্ছে। রাজনৈতিক মহল এখন মুখিয়ে বিজেপির এই আড়ম্বরে সংগঠন সাজানোর ঘটনা কতখানি বাংলার ভোটব্যাঙ্ককে প্রভাবিত করে সেদিকেই।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!