এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বড়সড় দুঃসংবাদ, মাথায় হাত সিভিক ভলেন্টিয়ারদের ! শুরু চরম উৎকণ্ঠা!

বড়সড় দুঃসংবাদ, মাথায় হাত সিভিক ভলেন্টিয়ারদের ! শুরু চরম উৎকণ্ঠা!


বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ক্ষমতায় আসার পরপরই সিভিক ভলেন্টিয়ার চালু করেছিল রাজ্যের মা-মাটি-মানুষের সরকার। তবে চলতি মাসেই প্রথম প্যানেলের সিভিক ভলান্টিয়ারদের কাজের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে মালদহে। যার ফলে সেই সমস্ত সিভিক ভলান্টিয়ারদের মধ্যে এখন তীব্র চিন্তার ভাঁজ পড়তে শুরু করেছে।

জানা যায়, গত 2013 সালের 18 নভেম্বর দুটি প্যানেল মিলে এই মালদহ জেলায় মোট 9600 জন সিভিক ভলেন্টিয়ার কাজে যোগদান করেন। 8000 টাকার পারিশ্রমিকেই তাদের দিয়ে কাজ করানো হয়। আর প্রথম প্যানেলের সিভিকরা মার্চ থেকে অগাস্ট, দ্বিতীয় প্যানেলের সিভিকরা সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কাজ করেন।

কিন্তু আর মাত্র কয়েকদিন রয়েছে, তারপরই প্রথম প্যানেলের সিভিকদের কাজের মেয়াদ রয়েছে। এব্যাপারে মালদহ জেলার সিভিক ভলেন্টিয়াররা বলেন, “আগস্ট মাসেই আমাদের ছয় মাস পূর্ণ হচ্ছে। সেপ্টেম্বর থেকে আমরা কাজ করতে পারব না। তাই পয়সা পাবো না। এই ছয় মাস আমরা বেকার হয়ে বসে থাকি। সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। সিভিক ভলান্টিয়ার বলে 6 মাস কেউ কোথাও আমাদের কাজে নিতে চায় না। এই সমস্যা নিয়ে আমরা বিভিন্ন মহলে দরবার করেছি। আমরা সারা বছর কাজে বহাল থাকতে চাই।” তবে সিভিকদের এই সমস্যা নিয়ে ইতিমধ্যেই সমস্ত রাজনৈতিক দল তাদের পাশে দাঁড়াতে শুরু করেছে।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে মালদহ জেলা কংগ্রেসের সভাপতি মোস্তাক আলম বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছেলেগুলোর সমস্যা মিটানো উচিত। না হলে তাদের ক্ষতি হয়ে যাবে। আমরা তাদের জন্য বিধানসভায় সরব হয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করব।”

শুধু তাই নয়, আগামী 29 আগস্ট এই ব্যাপারে জেলার পুলিশ সুপারের কাছে তারা স্মারকলিপিও জমা দেবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন জেলা কংগ্রেসের সভাপতি। অন্যদিকে এই প্রসঙ্গে মালদহ জেলা বিজেপির সভাপতির গোবিন্দ মন্ডল বলেন, “আমাদের সদস্যপদ গ্রহন পর্ব শেষ হলেই আমরা সিভিকদের সমস্যা নিয়ে আন্দোলনে নামব।”

একইভাবে সিভিকদের হয়ে সুর চড়াতে দেখা গেছে সিপিএমকেও। এদিন এই প্রসঙ্গে মালদহ জেলা সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক অম্বর মিত্র বলেন, “আমরা প্রথম থেকেই বলছি সিভিকদের কাজের ধরন ও সময় নির্দিষ্ট করতে হবে। ইচ্ছামতো যেকোনো কাজ করানো যাবে না। সবাইকে কাজ দিতে হবে।”

তবে এই প্রসঙ্গে মালদহ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক হেমন্ত শর্মা বলেন, “আমাদের দলের জেলা সভানেত্রী সিভিকদের ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছেন। মুখ্যমন্ত্রী পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। খুব শীঘ্রই এই সমস্যা মিটে যাবে।” তবে কর্মহীন হওয়ার আশঙ্কায় যেভাবে মালদহ জেলার বিপুল সিভিক ভলান্টিয়ার উৎকণ্ঠায় রয়েছেন, তাতে তাদের উৎকন্ঠা পাকাপাকিভাবে কবে দূর হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!