এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বড় ধাক্কা রাজ্য সরকারের, আদালতের নির্দেশে চাকরি ফেরত পেতে চলেছেন প্রায় 50 হাজার সিভিক ভলান্টিয়ার

বড় ধাক্কা রাজ্য সরকারের, আদালতের নির্দেশে চাকরি ফেরত পেতে চলেছেন প্রায় 50 হাজার সিভিক ভলান্টিয়ার

অশোভন আচরণের জেরে চাকরি চলে গিয়েছিল রাজ্যের প্রায় 50000 সিভিক ভলান্টিয়ারের। কিন্তু এবার সেই চাকরি যাওয়া 7 জনের ক্ষেত্রে চাকরি বাতিলের নির্দেশ খারিজ করে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, আদালতের তরফে বলা হয়েছে যে সেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের চাকরি যাওয়ার জন্য তাদের কোন অশোভন আচরণ দায়ী তা উল্লেখ করতে হবে।

আর এই রায় হাতে পাওয়ার 15 দিনের মধ্যেই সরকারকে এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, গত 2014 সালে পুজোর আগে সিভিক ভলান্টিয়ারদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে ধর্মতলায় একটি বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। আর তারই জেরে তাঁদের এই চুক্তিভিত্তিক চাকরি বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়।

এদিকে 2014 সালে এই ঘটনা ঘটলেও 2019 সালে মামলাকারী বাপি মন্ডল ও অন্যান্যরা এই ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। হাইকোর্টে সরকারি সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে চাকরিতে যাতে তাঁদের পুনর্বহাল করা হয় সেই ব্যাপারে দাবিও জানানো হয় মামলাকারীদের তরফে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এদিকে 2014 সালে ঘটনা ঘটলেও 2019 সালে অর্থাৎ প্রায় প্রায় পাঁচ বছর পর মামলাটি আদালতে আসলে দেরির কারণেই মামলাটি খারিজ হওয়া উচিত বলে আদালতে জানায় রাজ্য। রাজ্যের তরফে আরও জানানো হয় যে, যখন চাকরিতে নিয়োগ করা হয় তখন চুক্তিতে স্পষ্টভাবে বলা ছিল যে, যখন খুশি সেই চাকরি বাতিল হতে পারে। তাই এই মামলার কোনো সারবত্তাই নেই।

অন্যদিকে পাল্টা এই ব্যাপারে মুখ খুলে মামলাকারীদের আইনজীবী সৌম্য রায় বলেন, “অভিযোগ যাই থাকুক না কেন তা জানিয়ে অভিযুক্তদের কাছ থেকে তার জবাব পাওয়ার কোনো চেষ্টাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে করা হয়নি। যে কোনো মূল্যে স্বাভাবিক সুবিচারের নীতি অনুসরণ করতে হবে। কিন্তু এক্ষেত্রে গুরুতরভাবে তা লঙ্ঘিত হয়েছে।”

অন্যদিকে মামলাকারীদের তরফে আদালতের কাছে আরও জানানো হয় যে, তাঁরা ঠিক কী অশোভন আচরণ করেছে তা কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। সমস্ত বক্তব্য শোনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে রায় হাতে পাওয়ার 15 দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

সূত্রের খবর, এদিন সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাভাবিক সুবিচারের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সাথে সাথে 7 জনের ক্ষেত্রে চাকরি বাতিলের সরকারি নির্দেশও খারিজ করেন তিনি।

Top
error: Content is protected !!