এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > ১১ বছরের পুরোনো ঘটনার তদন্তে আবার নন্দীগ্রামে সিআইডি টীম – বাড়ছে রাজনৈতিক জল্পনা

১১ বছরের পুরোনো ঘটনার তদন্তে আবার নন্দীগ্রামে সিআইডি টীম – বাড়ছে রাজনৈতিক জল্পনা

রাজ্য-রাজনীতিতে নন্দীগ্রাম একটি অতি-স্পর্শকাতর নাম। বাম-জমানা শেষ করে রাজ্যে তৃণমূল-জমানা শুরু হওয়ার পিছনে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অবদান অনস্বীকার্য। আর তাই আজও নন্দীগ্রাম রাজ্য-রাজনীতিতে এক বড় ইস্যু। এমনিতে এই এলাকা ঘাসফুল শিবিরের তরুণ তুর্কি শুভেন্দু অধিকারীর ‘গড়’ নামেই পরিচিত – কিন্তু সেখানেও ইদানিং গেরুয়া শিবির উঁকিঝুঁকি মারতে শুরু করে দিয়েছে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনেই তা প্রমাণিত। ফলে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে এই অঞ্চলের রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি কি হয় সেদিকে নজর অনেকেরই, কেননা নন্দীগ্রামে যদি কোনো কারণে ঘাসফুল শিবিরের পদস্খলন হয় তার প্রভাব বাকি রাজ্যে বিপুলভাবে পড়ার সম্ভাবনা।

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

আর এইসবের মাঝেই সেই নন্দীগ্রামে নতুন করে সিআইডির আনাগোনা বেশ জল্পনা বাড়াচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, শ্রীহরি পাণ্ডের নেতৃত্বে সিআইডির একটি টিম নন্দীগ্রামের ভাঙাবেড়া ও গোকুলনগরের অধিকারীপাড়ায় একটি নিখোঁজ মামলার তদন্ত করতে উপস্থিত হয়। প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে গুলি চালনার ঘটনার পর সুব্রত সামন্ত ও দুর্গাপদ মাইতি নামে দুই ব্যক্তি নিখোঁজ হন। চলতি বছরের মার্চ মাসে নিখোঁজ দুই পরিবারের সদস্যরা হলদিয়া মহকুমা থানায় তৎকালীন সিপিএম সংসদ সদস্য লক্ষ্মণ শেঠ সহ ১৫ জনের নামে অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিলে গতকাল নন্দীগ্রামে আসে সিআইডির টিমটি, তদন্তকারী অফিসাররা নিখোঁজদের পরিবারের সঙ্গে কথাবার্তাও বলেন। কিন্তু ১১ বছর আগের ঘটনায় এতদিন পরে কেন নতুন করে নিখোঁজদের পরিবার অভিযোগ জানালো এবং তা নিয়ে কেনই বা নতুন করে নাড়াচাড়া শুরু হল – তা নিয়ে একাধিক জল্পনা ছড়াচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।

Top
error: Content is protected !!