এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > চিদাম্বরম, রবার্ট ভদ্রার পর এবার বড়সড় আইনি সমস্যায় খোদ সোনিয়া ও রাহুল

চিদাম্বরম, রবার্ট ভদ্রার পর এবার বড়সড় আইনি সমস্যায় খোদ সোনিয়া ও রাহুল

Priyo Bandhu Media

লোকসভা ভোট যতই এগিয়ে আসছে ততই যেন অশুভ মেঘ দেখা দিচ্ছে কংগ্রেসের অন্দরে। কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে যখন বিভিন্ন ইস্যুতে সরব হচ্ছে গান্ধী পরিবার, তখনই যেন বিনামেঘে বজ্রপাতের সৃষ্টি হল দেশীয় রাজনীতিতে। ইতিমধ্যেই এই বজ্রপাত পড়েছে চিদম্বরম এবং রবার্ট ওয়াধেরার মাথায়। কেননা, পি চিদম্বরমের বিরুদ্ধে সিবিআই এয়ারসেল ম্যাক্সিস ডিলে একটি চার্জশিট জমা দিয়েছে।

সূত্রের খবর, এই কংগ্রেস নেতার গ্রেপ্তার হওয়া খালি সময়ের অপেক্ষা। পাশাপাশি জমি ডিল নিয়ে ইডির পাঠানো একের পর এক নোটিশে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে রবার্ট ওয়াধেরার কপালেও। তবে এই দুজনের চিন্তা যে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী এবং সোনিয়া গান্ধীকে ভাবিয়ে তুলবে তা বুঝতে পারেননি কেউই। কিন্তু কি এমন নতুন সমস্যা এসে গ্রাস করল সোনিয়া এবং রাহুল গান্ধীকে?

জানা গেছে, দেশের প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর প্রতিষ্টিত এবং সম্পাদিত পত্রিকা ন্যাশনাল হেরাল্ডে ঋণ থাকার কারনে 2008 সালে তা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু এরপরই এই পত্রিকার ঋণ হিসাবে থাকা 90 কোটি টাকা মিটিয়ে দেয় কংগ্রেসেরই অপর একটি পত্রিকা ইয়ং ইন্ডিয়ান। আর এরপরেই এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন যে, ন্যাশনাল হেরাল্ডের 2 হাজার কোটি টাকার মত সম্পত্তি থাকলেও কেন কংগ্রেসের অপর একটি পত্রিকা থেকে সেই বিপুল টাকা মেটানত হল? যা নিয়ে শুরু হয় মামলাও। জানা যায়, 2010-11 অর্থবর্ষে সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীর আয়কর জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু ত্রুটি রয়েছে বলে দাবি করে আয়কর দপ্তর। কিন্তু একে সম্পূর্নই ভিত্তিহীন বলে দাবি করে গত মার্চ মাসে এই আয়কর দপ্তরের দাবির বিরুদ্ধে সোনিয়া এবং রাহুল গান্ধী একটি পিটিশনও দাখিল করেন। কিন্তু শেষ অবধি কংগ্রেসের রাহুল এবং সোনিয়ার এই অভিযোগ আর ঢোপে টিকল না। এদিন হাইকোর্ট স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে যে, এই ব্যাপারে যা অভিযোগ জানানোর তা আয়কর দপ্তরেই জানাতে হবে। আদালত এই ব্যাপারে কোনোওরুপ হস্তক্ষেপ করবে না। সব মিলিয়ে এখন লোকসভার আগে আয়কর দপ্তর থেকে ফের যদি কোনু অশনি সংকেত আসে তাহলে তা কিভাবে মোকাবিলা হবে এখন সেই নিয়েই প্রবল চিন্তায় সর্বভারতীয় কংগ্রেসের প্রাক্তন এবং বর্তমান সভাপতি।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!