এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > আসন্ন বিধানসভায় কত আসন বিজেপির? কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে জমা পড়ল মুকুল রায়ের ‘রিপোর্ট’

আসন্ন বিধানসভায় কত আসন বিজেপির? কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে জমা পড়ল মুকুল রায়ের ‘রিপোর্ট’

২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ৪২-এ-৪২ করার ডাক দিয়ে ময়দানে নামলেও, রাজ্যজুড়ে প্রবল গেরুয়া উত্থানে তা থেমে যায় ২২ আসনেই। অন্যদিকে বিজেপি ২০১৪-র পর ২০১৯ – এই ৫ বছরে তাদের আসন সংখ্যা বাড়িয়ে নিয়েছে ২ থেকে ১৮। যা যথেষ্ট প্রশংসনীয় বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। আর এর পরথেকেই ২০২১-কে পাখির চোখ করে এগোচ্ছে বঙ্গ-বিজেপি।

ফলে, এখন রাজ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো – এই মুহূর্তে বিধানসভা নির্বাচন হলে কত আসন পাবে বিজেপি? সূত্রের খবর, এদিন সেই বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে এক গোপন রিপোর্ট শীর্ষ নেতৃত্বের হাতে তুলে দেন গেরুয়া শিবিরের বঙ্গ ব্রিগেডের অন্যতম শীর্ষনেতা মুকুল রায়। প্রসঙ্গত, গতকাল দিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহর বাড়িতে রাজ্য বিজেপির নেতৃত্বদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ছিল।

সেই বৈঠকের পাশাপাশি কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র বাড়িতেও আরেকটি বৈঠক হয়েছে বলে গেরুয়া শিবির সূত্রের খবর। আর এই দুই বৈঠকেই মুকুল রায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট পেশ করেছেন বলে জানা গেছে। বিজেপির অসমর্থিত এক সূত্রের দাবি অনুযায়ী, সেই রিপোর্টে মুকুলবাবু নাকি বিস্তারিতভাবে জানিয়েছেন বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে গেরুয়া শিবিরের জন্য সম্ভাবনাময় আসনগুলিতে তালিকা। একইসাথে, সেই রিপোর্টে ওই সব আসনে জয় সুনিশ্চিত করার রোডম্যাপও নাকি দেওয়া হয়েছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

বিজেপির ওই সূত্রটির আরও দাবি, রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে গোটা রাজ্য জুড়েই বিজেপির উত্থান লক্ষ্যণীয়। বিশেষ করে ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের পরে বঙ্গবাসীর বিজেপির প্রতি আস্থা আরও নাকি সুদৃঢ় হয়েছে। আর তাই মুকুলবাবু তাঁর রিপোর্টে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে যে ১২১ টি আসনে বিজেপি এগিয়ে ছিল, তার পাশাপাশি যে ৪৪ টি আসনে খুব অল্প ব্যবধানে পিছিয়ে থাকতে হয়েছিল – সেই ১৬৫ টি আসনকে বিশেষ গুরুত্ত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

বিজেপির অপর একটি সূত্র দাবি করেছে, ওই রিপোর্টে বিশেষ গুরুত্ত্ব দেওয়া হয়েছে অল্প ব্যবধানে হেরে যাওয়া ৪৪ টি আসনে। সেখানে কোথাও সাংগঠনিক দুর্বলতা, কোথাও বা গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব পিছিয়ে থাকার বড় কারণ হতে পারে বলে আশংকা করা হয়েছে। ফলে, ওই ৪৪ টি আসন নিয়ে বিজেপি বিশেষ ‘টাস্ক ফোর্স’ গঠন করতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। রাজ্যস্তরের নেতারা খুঁটিয়ে ওই সব বিধানসভার ‘গ্রাসরুট’ রিপোর্ট তুলে আনবেন এবং তা রাজ্য সভাপতির কাছে জমা পর্বে বলে জানা গেছে। আর তার পরিপ্রেক্ষিতেই বিধানসভা নির্বাচনে সেখানে পরিকল্পনা রচনা করা হবে।

এদিকে মুকুলবাবুর এই রিপোর্টের খবর সামনে আসার পর, রাজনৈতিক মহলের দাবি তৃণমূলের চিন্তা ফের বাড়িয়ে দিলেন মুকুল রায়। কেননা ২৯৪ আসনের বাংলা বিধানসভা দখল করতে লাগে ১৪৯ জন বিধায়কের সমর্থন, কিন্তু মুকুলবাবুর এখনকার রিপোর্টই বলছে ‘টার্গেট ১৬৫’ – অর্থাৎ মুকুল রায়ের রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলায় শাসকের আসনে বসার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে গেরুয়া শিবিরের। সবমিলিয়ে বাংলায় ‘পরিবর্তনের পরিবর্তন’ করতে এখন থেকেই নীল-নকশা সাজাতে শুরু করে দিলেন বঙ্গ-বিজেপির ‘চানক্য’। তবে, তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী গেরুয়া শিবির শেষ হাসি হাস্তে পারে কিনা – সেদিকেই এখন তাকিয়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।

Top
error: Content is protected !!