এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > হাত বা পদ্ম এখন অতীত, কেন্দ্রে সরকার গড়বেন “পিসি-ভাইপোরাই”, আবার স্পষ্ট করলেন মমতা

হাত বা পদ্ম এখন অতীত, কেন্দ্রে সরকার গড়বেন “পিসি-ভাইপোরাই”, আবার স্পষ্ট করলেন মমতা

তাহলে কি এবার পিসি-ভাইপোরাই হবেন কেন্দ্রের নির্ণায়ক শক্তি? তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় এবার জাতীয় রাজনীতিতে শুরু হয়েছে এরকমই এক জল্পনা। কেননা একদিকে বাংলায় যখন পিসি মমতা এবং ভাইপো অভিষেক ঘাসফুল ফোটাতে বদ্ধপরিকর হয়েছেন, ঠিক তেমনি দেশের রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে পরিচিত উত্তরপ্রদেশে বুয়া-বাবুয়া অর্থাৎ আখিলেশ এবং মায়াবতীর জোটে পিসি- ভাইপোর ছাপই দেখতে পাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার ইটাহারের বিধিবাড়িতে বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষের সমর্থনে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “পদ্মফুলই হোক কিংবা হাত শিবির, একক ভাবে কেউ ক্ষমতায় আসবে না।”

আর এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বাংলা আর উত্তরপ্রদেশ মিলেই ঠিক করবে কেন্দ্রের আগামী সরকার। কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে কোনো লাভ নেই। ওরা বিজেপির সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করছে। এবার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে ইউনাইটেড ইন্ডিয়া ফ্রন্ট।”

হাতের মুঠোয় আরও সহজে প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে যোগ দিন –

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন মন্তব্য থেকেই পরিষ্কার যে, এবারের লোকসভা নির্বাচনে বিরোধী মহাজোটে বাংলার পিসি ভাইপো এবং উত্তরপ্রদেশের পিসি-ভাইপোই যে নির্ণায়ক শক্তি হতে চলেছে, তা ফের দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থীর অর্পিতা ঘোষের নির্বাচনী সভা থেকে আরও একবার প্রমাণ করবার চেষ্টা করলেন তৃণমূল নেত্রী বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

অন্যদিকে এদিন বাংলার সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ও নরেন্দ্র মোদীকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “গত পাঁচ বছরে আপনারা মোদীবাবুর কাজ দেখেছেন। সাধারণের রোটি, কাপড়া মাকান এবং সাধারনের জন্য উনি কোনো কাজ করেননি। দু কোটি মানুষের চাকরি দেওয়ার কথা ছিল। কোনো চাকরি হয়নি। উল্টে অনেক মানুষ নিজের চাকরি হারিয়েছেন।”

পাশাপাশি পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়েও এদিন বিজেপি সরকারকে তুলোধোনা করেন তৃনমূল নেত্রী। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় কিছুটা হলেও কংগ্রেসের প্রভাব রয়েছে। পাশাপাশি এখন উত্থান ঘটতে শুরু করেছে বিজেপিরও। তাই এবারে বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রে তৃনমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষের সমর্থনে প্রচারে এসে ইটাহার ও বুনিয়াদপুরের জনসভা থেকে আগামী দিনে দেশের নির্ণায়ক শক্তি গড়ে উঠবে বলে নিজে এবং নিজের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং উত্তরপ্রদেশের মায়াবতী ও অখিলেশের কথাকেই ফের আরও একবার তুলে ধরলেন তৃণমূল নেত্রী বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Top
error: Content is protected !!