এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম-বাঁকুড়া (Page 2)

লোকসভায় বিজেপি ঝড়ে নীচুতলার সংগঠন ভেঙে চুরমার! পুরভোট থেকেই ঘুরে দাঁড়াতে বড়োসড়ো সিদ্ধান্ততৃনমূলের

সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া জেলার দুটি লোকসভা কেন্দ্রেই পদ্মফুল ফুটেছে। তাই আগামী পৌরসভা নির্বাচনে জেলার তিনটি পৌরসভা দখলে রাখা এখন সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে। আগামী বছরের শুরুতেই পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই দুর্গাপূজার পরপরই সমস্ত রাজনৈতিক দল যে কোমর বেঁধে পৌরসভা নির্বাচনের জন্য মাঠে

নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনে মুখ ফস্কে ‘বেসামাল’ দিলীপ ঘোষ! তীব্র অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির

গত লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদিকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর কুরসী থেকে হঠাতে সব বিরোধী দল এক ছাতার তলায় আসার চেষ্টা করেছিল। আর সেই প্রচেষ্টাকে যিনি সবথেকে বেশি জোরালো করতে চেয়েছিলেন - তিনি হলেন আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি তখন জানিয়েছিলেন, নরেন্দ্র মোদিকে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মানেন না, যিনি

শুভেন্দু মাঠে নামতেই চাপে দিলীপ? গড়-রক্ষায় একাধিক পদক্ষেপ বিজেপি রাজ্য সভাপতির?

সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল যেমন 34 থেকে 22 এ নেমে এসেছে, ঠিক তেমনই একদা রাজ্যের পরিবর্তনের আঁতুড়ঘর তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত জঙ্গলমহলেও শাসকদলের ভোটব্যাংকে ধ্বস নামতে দেখা গেছে। যেখানে তড়িৎগতিতে উত্থান ঘটেছে বিজেপি। কিন্তু এবার তৃণমূলের জঙ্গলমহলের পর্যবেক্ষক তথা পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৎপর হতেই নিজের গড় রক্ষায় বারবার খড়্গপুরে ছুটে

সরকারি অনুষ্ঠানে বেফাঁস মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন হেভিওয়েট নেতা – জেনে নিন বিস্তারিত

সম্প্রতি একের পর এক অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে। যা নিয়ে স্বভাবতই দল অস্বস্তিতে। দলের অন্দরে উঠেছে চাপা গুঞ্জন। এবার আরো একবার দলকে অস্বস্তিতে ফেললেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা জেলা তৃণমূলের প্রথম সারির নেতা সুজয় বন্দোপাধ্যায়। বুধবার কংসাবতী জলাধারে মাছ ছাড়ার একটি সরকারি অনুষ্ঠানে রীতিমতন বেফাঁস মন্তব্য করে দলকে অস্বস্তিতে

এবার তৃণমূলের ঘর ভাঙলেন বিজেপির হেভিওয়েট নেতা,অস্বস্তি তৃণমূলে

সোমবার গোপীবল্লভপুরের বংশীধরপুর চকের সভা করে বিজেপি। আর সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু, রিমঝিম মিত্র সমেত স্থানীয় দলীয় নেতৃত্ব। আর সেখানেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন বহু কর্মী সমার্থক। জানা যাচ্ছে এদিন এলাকার কয়েকজন তৃণমূল কর্মী সমর্থক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁদের হাতে দখলীয় পতাকা তুলে দেন

একদা কংগ্রেসের গড়ে বড়সড় ভাঙ্গন ধরালো বিজেপি, হেভিওয়েট নেতা সহ গেরুয়া শিবিরে যোগ ১,৫০০-এর

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে অনেকটাই চাপে ফেলে এরাজ্যে ভালো ফল করেছে বিজেপি। আর বাংলায় বিজেপির উত্থানের পরই দিকে দিকে তৃণমূলের অনেক হেভিওয়েট নেতা, বিধায়ক, কর্মীরা গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাতে শুরু করেন। কিন্তু শুধু তৃণমূল নয়, রাজ্যের বিরোধী দল হিসেবে খাতায়-কলমে এখনও থাকা কংগ্রেসের গড়ে এবার ভাঙন ধরাতে সক্ষম হল গেরুয়া শিবির। সূত্রের

সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগে দল ছাড়লো তৃণমূলের ইউনিটের সমস্ত সদস্য, জোর চাঞ্চল্য জঙ্গলমহলে

কার্তিক গুহ,ঝাড়গ্রাম : সাঁকরাইল অনিল বিশ্বাস স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের টিএমসিপি ইউনিটের সমস্ত সদস্য পদত্যাগ করলেন। তারা টিএমসিপি ছেড়ে দিলেন। টিএমসিপির ঝাড়গ্রাম জেলা সভাপতি সত্যরঞ্জন বারিককে লিখিতভাবে তারা জানিয়ে দিয়েছেন, নেতৃত্বের কাছ থেকে কোনো রকম সহযোগিতা না পেয়ে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কয়েক মাস ধরেই ঝাড়গ্রাম জেলার কলেজগুলিতে গেরুয়া ছাত্র সংগঠন এবিভিপি এবং

শাসকদলের রক্তচাপ বাড়িয়ে সাংসদের হাত ধরে ফের তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে বহু, জেনে নিন

এককালে তৃণমূলের অন্যতম গড় হিসেবে পরিচিত জঙ্গলমহল এবারের হাতছাড়া হয়েছে শাসকদলের। সেই পঞ্চায়েত ভোটের সময় থেকেই পুরুলিয়ায় বিজেপির বাড়বাড়ন্ত লক্ষণীয়। পঞ্চায়েত ভোটে অন্য জায়গায় ভালো ফল করলেও হাতছাড়া হয়েছে পুরুলিয়া। যার ফলে তড়িঘড়ি সাংগঠনিক ক্ষেত্রেও রদবদল করেছেন নেত্রী। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি। লোকসভা ভোটে প্রকট হয়েছে তৃণমূলের অভ্যন্তরের ক্ষয়িষ্ণু

ঘর ওয়াপসির জেরে ফিরে এল পঞ্চায়েতের দখল, খুশির হাওয়া ঘাসফুল শিবিরে – জেনে নিন

2019 এর লোকসভা ভোটের পরেই দলবদল এর জিগির উঠে। দলে দলে লোকজন গিয়ে ভিড় জমায় বিজেপি শিবিরে। ফলস্বরূপ একে একে পঞ্চায়েত, মিউনিসিপ‍্যালিটিগুলি দখলে যায় বিজেপির। বিজেপি দাবি করে, লোকসভা ভোটে তাদের অভাবনীয় ফল এই ঘটনা ঘটায়। লোকসভা ভোটের পর বাঁকুড়া তৃণমূল দল থেকে একে একে সবাই বিজেপিতে যোগদান করেন। নাকাইজুরি অঞ্চলে

বিধানসভার ওপিনিয়ন – এই মুহূর্তে ভোট হলে কি হতে পারে বাংলার ২৯৪ আসনের জেলাভিত্তিক চিত্র?

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া এক্সক্লুসিভ - সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের পর - আরও জমজমাট বঙ্গভূমির রাজনৈতিক লড়াই। একদিকে, লোকসভায় ১৮ টি আসন ছিনিয়ে নিয়ে গেরুয়া শিবির তাল ঠুকছে, এবার তাদের লক্ষ্য নবান্নের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া। অন্যদিকে, স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরেছেন দলের সাংগঠনিক হাল, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রশান্ত কিশোরের মস্তিস্ক। এই পরিস্থিতিতে নিঃসন্দেহে

Top
error: Content is protected !!