এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম-বাঁকুড়া

বাঁকুড়ার গেরুয়া মাটিতে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে তৃণমূল! বিজেপি শিবিরে লাগল বড়সড় ভাঙন

  লোকসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া জেলায় অত্যন্ত ভালো ফল করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। এই জেলার দুটি লোকসভা আসন বাঁকুড়া এবং বিষ্ণুপুরে পদ্ম ফুল ফুটেছে। শুধু তাই নয়, জেলার অধিকাংশ পৌরসভা আসন থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত স্তরে প্রায় সবকটি জায়গাতেই শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের তুলনায় লোকসভা ভোটে এগিয়ে রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। কিন্তু

পুরনো সভাপতিই থাকছেন নাকি ৩ সাধারণ সম্পাদকের কেউ সভাপতির দায়িত্ব পাচ্ছেন? জল্পনা বিজেপিতে

লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপি সাফল্য পাওয়ার পর তারা এখন নজর দিয়েছে জেলায় জেলায় সংগঠনকে শক্তিশালী করার দিকে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের 23 টি সাংগঠনিক জেলার সভাপতির নাম ঘোষণা করেছে বঙ্গ বিজেপি। তবে আশ্চর্যজনকভাবে সেই তেইশটি জেলার মধ্যে নাম নেই বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার। ফলে সেখানে সভাপতি পদে বদল হবে, নাকি পুরনো সভাপতিই থাকবেন! তা

তৃণমূলকে বিপাকে ফেলতে বিজেপির হাতে বড় অস্ত্র! চলছে শান দেওয়ার প্রাথমিক প্রস্তুতি!

ভোট আসে ভোট যায়, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্দশা সেই একই জায়গায় রয়েছে। রাজনৈতিক মানচিত্রে হয়তো দল পরিবর্তন হয়, কিন্তু সাধারণের অবস্থার উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়না। এই ঘটনার উদাহরণ হিসেবে বাঁকুড়ার ভূতেশ্বর ওন্দার কথা বলা যায়। দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকার মানুষ একটি সেতুর দাবি করে এসেছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত ভোটের পর

বিজেপির মন্ডল সভাপতি নির্বাচন ঘিরে চূড়ান্ত অনিয়ম? বৃহত্তর আন্দোলনের পথে বিজেপি কর্মীরা?

ভারতীয় জনতা পার্টির মন্ডল সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে গেরুয়া শিবিরের জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। বারাসাত থেকে শুরু করে মেদিনীপুর, মেদিনীপুর থেকে শুরু করে বাঁকুড়া কোথাও বাকি নেই কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভ। এমতাবস্থায় যে যথেষ্ট অস্বস্তিতে রয়েছে পদ্মফুল শিবির নেতৃত্ব, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বাঁকুড়া জেলায়

তৃণমূল বিধায়কদের অনিয়ম-দুর্নীতি তুলে একুশে ভোট না দিতে “দুঃখী জনসাধারণের” লিফলেট বিলি শুরু

34 বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে গত 2011 সালে বাংলার মানুষ বিপুলভাবে সমর্থন করে ক্ষমতায় এনেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে ক্ষমতায় আসার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুশাসনের বার্তা দিলেও, যত দিন পেরিয়েছে, ততই দলের বিধায়কদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বজনপোষনের মত অভিযোগ উঠেছে। যার ফলে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে অনেক

বিজেপির সংগঠনে চলবে না দুর্নীতি-স্বজনপোষন! নাহলে আমরন অনশনের পথে নেতা-কর্মীরা!

বহু কষ্ট করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করে তারা তাদের জয় এনেছিলেন। কিন্তু জয় আসলেও দলের একশ্রেণীর নেতৃত্ব নিজেদের পথে বসে থাকায় এবং মন্ডল সভাপতি নির্বাচনে ব্যাপক স্বজনপোষণ হওয়ায় এবার দলীয় নেতৃত্বকে কার্যত ঘামিয়ে ছাড়ল নীচুতলার নেতাকর্মীরা। বস্তুত, বর্তমানে সারা রাজ্য জুড়ে বিজেপির মন্ডল সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে। কমবেশি প্রায় প্রত্যেক

আন্দোলন বিমুখ সংগঠনকে চাঙ্গা করতে একাধিক দাপুটে নেতাকে বড়সড় পদ দিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে চায় তৃণমূল

তৃণমূলে সভাপতিই শেষ কথা। তাই দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সভাপতি পদ না থাকলে যে দলকে অনেকটাই বিড়ম্বনায় পড়তে হয়, তা বিভিন্ন জায়গায় টের পেতে শুরু করেছিল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে যেমন তৃণমূলের ভরাডুবি হয়েছিল, ঠিক তেমনই তৃণমূলকে ভরাডুবি দেখতে হয়েছিল জঙ্গলমহলের এলাকাগুলিতেও। পুরুলিয়ায় তৃণমূলের পরাজয়ের পরই কিভাবে সেখানে

হকার উচ্ছেদ নিয়ে তুলকালাম! তৃণমূলের দুই হেভিওয়েটের দ্বন্দ্বে সরগরম রাজনৈতিক মহল

রাজ্যে আবার তৃণমূল অন্দরমহলে বিতর্কের সূত্রপাত। এবার বাঁকুড়াতে পুরসভার চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যানের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চলে এলো প্রকাশ্যে। বরাবরই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শিরোনামে থেকেছে সব সময়। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বন্ধ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কিছুতেই তা সফল হচ্ছে না। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই রাজ্যে বিরোধী দলগুলো শাসক

ট্যাগড

ব্যর্থ দিদিকে বলো? পুরোভোটেও গেরুয়া চমক? বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সুখবর শোনালেন নতুন নেতা

সম্প্রতি হয়ে যাওয়া রাজ্যের তিনটি বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূলের কাছে রীতিমতো পর্যুদস্ত হয় বিজেপি। নির্বাচনের আগে বিজেপি যেভাবে আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছিল, এই তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপ নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, রাজ্য বিজেপির আত্মবিশ্বাস পুরোপুরি তলানীতে গিয়ে ঠেকেছে। রাজ্য বিজেপির অন্দরে শুরু হয় হার নিয়ে কাটাছেঁড়া। তবে এরই

ট্যাগড

বালি নিয়ে দুর্নীতি কি এবার বন্ধ হবে? প্রশাসনের নতুন পদক্ষেপে বাড়ছে জল্পনা

বালি খাদান এবং দুর্নীতি এই রাজ্যে চর্চার চর্চিত বিষয়। মাঝেমধ্যেই রাজ্যের বিরোধীদলের নেতারা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই বিষয়ে শাসক দলের নেতাদের কাঠগড়ায় তোলেন। তবে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিভিন্ন জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে গিয়ে এই বালি খাদানের ব্যাপারে সরব হতে দেখা গেছে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানকে। আর এবার বালি নিয়ে দুর্নীতি

Top
error: Content is protected !!