এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য (Page 2)

এবার ফের বড়ধাক্কা তৃণমূলের , দলের হেভিওয়েট নেত্রী যোগ দিলেন বিজেপিতে

সামনেই উপনির্বাচন খড়গপুর বিধানসভা কেন্দ্রে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী 25 নভেম্বর খড়গপুর বিধানসভায় উপনির্বাচন। উপ নির্বাচনে জিততে প্রতিটি রাজনৈতিক দলই কোমর বেঁধে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে খড়গপুরকে বিজেপি মুক্ত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু তার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসকে মানসিকভাবে ধাক্কা দিলেন কাউন্সিলর বেলারানী অধিকারী। ভোটের

প্রাথমিক নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিলো রাজ্যের শিক্ষা দফতর, জনে নিন

এবার রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষার ভোলবদল হতে চলেছে। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর নির্দেশে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় পঞ্চম শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে। ইতিমধ্যে 2009 শিক্ষাবর্ষে রাজ্যে প্রাথমিকে পঞ্চম শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। এতদিন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চম শ্রেণীর স্থান ছিল উচ্চ প্রাথমিকে। কেন্দ্রীয় আইন অনুযায়ী প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী শিক্ষার প্রাথমিক

বুলবুলে বিধ্বস্ত এলাকা, এখনও দেখা নেই তৃণমূলের সেলিব্রিটি সাংসদের! অস্বস্তি প্রকট শাসকদলের

  ভোটের সময় প্রায় সকল রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরাই নানা প্রতিশ্রুতি দেন। নির্বাচিত হলে তারা সাধারণ মানুষের পাশে সব সময় থাকবেন বলে বড়াইও করেন। কিন্তু নির্বাচনের পর অনেক ক্ষেত্রে জয়লাভ করে সেই নেতা, মন্ত্রী, সাংসদদের আর নিজের এলাকায় দেখা যায় না বলে অভিযোগ জনসাধারণের। কিন্তু সদ্য সমাপ্ত 2019 এর লোকসভা নির্বাচনে যখন সারা

বিজেপির পঞ্চায়েত প্রধান সহ “নিখোঁজ” সদস্যরা “ফিরে এসেই” তৃণমূলী হয়ে গেলেন!

  লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বিজেপির দাপট প্রত্যক্ষ করা গিয়েছিল। গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়ে অনেক হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা, কর্মীরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করতে শুরু করে। তবে সম্প্রতি এই পরিস্থিতির ফের পরিবর্তন হয়। যে সমস্ত নেতাকর্মী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তারা আবার তৃণমূলে ফিরে আসতে শুরু করেন। আর এবার বিজেপির দখলে থাকা

ফের জেরা পুলিশকর্তাকে, জোর জল্পনা

  সারদা থেকে নারদা, বিভিন্ন ঘটনায় হেভিওয়েটদের জেরা করা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা ছড়িয়েছিল। কখনও শাসকদলের হেভিওয়েট নেতা, তো কখনও বা হেভিওয়েট পুলিশকর্তা, সিবিআইয়ের ডাক পড়লেই যেন গা শিউড়ে উঠত সকলের। তবে কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে নিয়ে সিবিআইয়ের অন্দরে কম জলঘোলা হয়নি। তবে বর্তমানে সেই ব্যাপারটি অনেকটাই আড়ালে চলে গিয়েছে

বেলাগাম শুভেন্দু অধিকারী, অস্বস্তিতে শাসকদল

  তিনি দক্ষ সংগঠক। ভালো বক্তাও বটে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্দিনের সঙ্গী হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এহেন জনপ্রিয় নেতৃত্বের মুখ থেকে যখন বেলাগাম শব্দ প্রয়োগ হতে দেখা যায়, তখন নিঃসন্দেহে অবাক হয়ে যায় রাজনৈতিক মহল। তিনি আর কেউ নন, রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী তথা একাধিক জেলার তৃণমূলের পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারী। বর্তমানে ভোট রাজনীতিতে উত্তপ্ত বাংলার মাটি।

দুর্নীতির অভিযোগে ডাকা সালিশিসভায় না যাওয়ায় তৃণমূলের নেতা কর্মীদের মেরে হাত ভেঙে দিল বিজেপি!

  সারা রাজ্যেই বিরোধী দল হিসেবে ভারতীয় জনতা পার্টি একাধিকবার তৃনমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ চালিয়েছে। বস্তুত, বিরোধী দল করায় তাদেরকে বারবার তৃণমূলী হামলার শিকার হতে হচ্ছে বলেও জানিয়েছে একাধিক বিজেপি নেতা। কিন্তু গত মঙ্গলবার রাত্রিবেলা গরবেতা এলাকার চন্দ্রকোনা রোডে দুর্গাপুর নামে একটি গ্রামে যে ঘটনা সামনে আসে, তাকে উলটপুরাণ বলে অভিহিত

জোট রাজনীতি জোরদার করতে একমঞ্চে অধীর- সেলিম! তাতেও কি “চাকা ঘুরবে”! উঠছে প্রশ্ন

  প্রথম 2016 সালের বিধানসভা নির্বাচনে একসাথে জোটবদ্ধ হয়ে লড়েছিল বাম এবং কংগ্রেস। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে হারাতে হাতে হাত রাখতে দেখা গিয়েছিল রাহুল গান্ধী এবং বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে। যে ঘটনা রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত বিরল বলেই মনে করেছিল রাজনৈতিক মহল। কিন্তু রাজনীতিতে চিরশত্রু, চিরমিত্র বলে কোনো কথা হয় না। তাই 2016 র

বিক্ষুব্ধ বিজেপি ও ভোট কাটাকাটির অংকে খড়্গপুরে বাজিমাতের আশায় তৃণমূল থেকে কংগ্রেস

  ভোটের অংক খুবই কঠিন। শাসক-বিরোধী কাটাকুটিতে শেষ পর্যন্ত কোন দলের প্রার্থী শেষ হাসি হাসবে, তা একমাত্র বলতে পারবে ভোটবাক্স। তবে রাজনৈতিক মহল থেকে বিশ্লেষক, প্রায় প্রত্যেকেই সেই ভোটের আগে ফলাফল বের করতে তৎপর হয়ে ওঠেন। আর তাই রাজ্যের হেভিওয়েট কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত খড়গপুর বিধানসভা কেন্দ্রে কোন প্রার্থী জয়লাভ করবে, তা

পদ দেখাচ্ছে মহারাষ্ট্র থেকে ঝাড়খন্ড! বিজেপির ঘুম ওড়াতে রাজ্যের বাইরে মহা-পরিকল্পনায় তৃণমূল

  2014 সালের পর 2019 সালে সারা দেশজুড়ে বয়ে গিয়েছে মোদি ঝড়। 2019 সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষে মহাজোট তৈরি করার কথা শোনা গেলেও নির্বাচনী ফলাফলে সেই মহাজোট কার্যত অস্তাচলে চলে গেছে। তৃণমূল প্রভাবিত পশ্চিমবঙ্গেও দাগ কেটে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে 22 টির বেশি আসন পেরোতে দেয়নি ভারতীয়

Top
error: Content is protected !!