এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ (Page 2)

বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েতে একশ দিনের টাকা তছরুপ, স্বতপ্রণোদিত হয়ে বিডিও করলেন এফআইআর

মূলত 2018 সালের পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে টেক্কা দিতে শুরু করে ভারতীয় জনতা পার্টি। লাগামহীন সন্ত্রাসের জেরে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীরা খুব একটা ভালো ফল না করলেও রাজ্যের সর্বকালের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়ে পাঁচ হাজারেরও বেশি পঞ্চায়েত আসনে জয়লাভ করে গেরুয়া শিবির। যদিও বা শাসক দল তৃণমূল

উত্তরবঙ্গে দিদির পাশাপাশি দাপাল গেরুয়া শিবিরের ফ্লেক্সও! শক্তিবৃদ্ধির স্পষ্ট ইঙ্গিত বিজেপির

বর্তমান রাজনীতিতে পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে যুযুধান দুই পক্ষ। একদিকে কেন্দ্রের শাসন ক্ষমতায় আসীন ভারতীয় জনতা পার্টি, অন্যদিকে পশ্চিমবাংলার মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। আর গোটা রাজ্যে যে এই রকম রাজনৈতিক বাতাবরণ তাতে করে এই দুই দলের নেতা-নেত্রীদের সামান্যতম ঘনিষ্ঠতা বড়সড় খবর হয়ে দাঁড়ায় সাংবাদিক মহলের কাছে। কিন্তু কোনো একটি ফ্লেক্স বা

“ঘর ওয়াপসিতেই” বাজিমাত করে সংগঠন মজবুত করে বিধানসভায় জয়ের সরনীতে ফিরতে চায় তৃণমূল

লোকসভা নির্বাচনে বহু চেষ্টা করেও কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্র দখল করতে পারেনি ঘাসফুল শিবির। প্রাক্তন তৃণমূল যুব নেতা গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়ে সেই কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের কাছ থেকে সেই জয় ছিনিয়ে নিয়ে নিজে জয়লাভ করেছেন। তিনি আর কেউ নন, নিশীথ প্রামাণিক। কিন্তু লোকসভায় ফল যাই হোক না কেন,

এবার বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে নিগ্রহের অভিযোগ তুলে পুলিশে অভিযোগ মহুয়া মিত্রের

এবার বিজেপির অন্দরেই বিজেপির বিরুদ্ধে উঠল অভিযোগ। অভিযোগও ছোটখাটো নয়, রীতিমতো শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছে এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে। এতদিন বিভিন্ন অভিযোগের ফলায় বিদ্ধ হতে হয়েছে তৃণমূল সহ অন‍্যান‍্য দলকে। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, বিরোধী দল বিজেপির বিরুদ্ধেও অভিযোগের খামতি পড়ছে না। এদিন আবারও একটি ঘটনায় তা প্রমাণ হল। জলপাইগুড়ি

পুজোর মরসুমে এবারও অন্ধকারই থাকবে দাশমুন্সি পরিবারের আঙিনা! হতাশ দলীয় কর্মী থেকে এলাকাবাসী

সারা রাজ্যে যখন শারদ উৎসবকে কেন্দ্র করে আনন্দ ঝরে পড়ছে, ঠিক তখনই যেন কিছুটা মুখ ভার কালিয়াগঞ্জের শ্রী কলোনির বাসিন্দাদের। কারণ এবারও এই শ্রী কলোনির দাশমুন্সি পরিবারে দুর্গা পূজো হচ্ছে না। অনেকে বলছেন, একটা সময় ছিল, যখন পুজোর সময় এই দাশমুন্সি পরিবারেই সমাজের সমস্ত বিশিষ্টজনদের ভিড় দেখা যেত। কিন্তু এখন

পুজোর চেক বিলিতেও দুই হেভিওয়েটের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে! অস্বস্তি ক্রমশ বাড়ছে শাসকদলে

লোকসভা নির্বাচনে গোটা উত্তরবঙ্গেই প্রায় ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। আর তাই, বিধানসভা নির্বাচনে ঘুরে দাঁড়াতে দিদিকে বলো থেকে শুরু করে একাধিক কর্মসূচি নিয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। কিন্তু অন্তর্কলহ ঘাসফুল শিবিরের অস্বস্তি ক্রমশ বাড়িয়ে তুলছে। লোকসভা নির্বাচনের আগে কি লোকসভা নির্বাচনের পরে, উত্তর

যাদের বিরুদ্ধে লড়ে সংগঠন তৈরি সেই হেভিওয়েট “দাদা-ভাই” জুটিই এখন বিজেপিতে! ক্ষোভ নীচুতলায়

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় এক সময় প্রচলিত শব্দ ছিল 'মেজদা'। অর্থাৎ গঙ্গারামপুরের প্রসিদ্ধ 'মেজো পুত্র' দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্র এই জেলায় তৃণমূলের শেষ কথা। জেলা স্তর থেকে শুরু করে গ্রামসভা স্তর পর্যন্ত তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো কাজই সম্পন্ন হত না। স্বাভাবিকভাবেই সংগঠনের এহেন শক্তিশালী

পুজোর মুখেই বড়সড় ধাক্কা খেলেন তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা, হারালেন পদ,জোর শোরগোল

উত্তরবঙ্গে বিগত লোকসভা নির্বাচনে ধুয়েমুছে সাফ হয়ে চলে গেছে তৃনমূল কংগ্রেস। এখানে আটটি লোকসভা সিটের মধ্যে সিট দখল করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। অন্যদিকে মালদা দক্ষিণে একটি সিট দখল করে টিমটিম করে জ্বলছে জাতীয় কংগ্রেস। কিন্তু উত্তরের রাজনৈতিক রনাঙ্গনে মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকু পর্যন্ত নেই শাসকদলের। যে সাতটি লোকসভা আসনে উত্তরবঙ্গে জয়যুক্ত হয়েছে

শাসকদলকে বড়সড় ধাক্কা দিয়ে বিজেপিতে যোগ হেভিওয়েট তৃণমূল নেতার , জেনে নিন

তৃণমূলকে বড়সড় ধাক্কা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা গঙ্গারামপুরের প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র।তিনি বিপ্লব মিত্রের ভাই। গত পরশু দাদা বিপ্লব মিত্রের অনুগামী হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে নাম লেখান গঙ্গারামপুরের প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র।এনআরসি সহ একাধিক বিষয়ে রাজ্যের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বেহাল রাস্তা ঠিক করা দূরের কথা, ভালো রাস্তা খুঁড়ে খারাপ করার অভিযোগ তৃণমূল পুরসভার বিরুদ্ধে

শারদোৎসবে যখন বৃষ্টিসুর চোখ রাঙাচ্ছে, আর তাতে যখন সেই অসুরকে বধের প্রার্থনা মা দুর্গার কাছে জানাচ্ছে রাজ্যবাসী, ঠিক তখনই পুজোর মুখে সড়ক ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়তে দেখা গেল তৃণমূল পরিচালিত রায়গঞ্জ পৌরসভাকে। একেই বৃষ্টিপাতের দিনে রাস্তার অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। যার ফলে দুর্গা প্রতিমা দেখতে গিয়ে অসুবিধার সম্মুখীন হতে পারেন

Top
error: Content is protected !!