এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ (Page 2)

“উপরমহলের” নির্দেশে তৃণমূলের জেলা সভাপতি এখন প্রশাসনেরও জেলা সভাপতি? উত্তাল উত্তরবঙ্গ

বিরোধীদের তরফে দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করা হচ্ছে, তৃণমূল কংগ্রেস এবং প্রশাসন এক হয়ে গিয়েছে। এমনকি অনেকে কৌতুক করেও দাবি করেছেন যে, সরকারি আধিকারিকরা এখন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি। অর্থাৎ রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে বিরোধীরা এই অভিযোগ তুলে প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন, রাজ্যে প্রশাসন বলে কিছু নেই। সবটাই দলতন্ত্র চলছে। তবে বরাবরই শাসকদলের পক্ষ

বিধানসভায় বাজিমাতে বড়সড় পরিকল্পনা তৃণমূলের, নীচুতলাকে ঢেলে সাজানো সহ একাধিক বড় পদক্ষেপ

লোকসভায় বিজেপি তাদের কাছ থেকে এই আসনটি নিজেদের দখলে নিয়েছিল। যার ফলে চাপে পড়েছিল তৃণমূল। পরবর্তীতে সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর জন্য আলিপুরদুয়ার জেলায় তৃণমূলের দায়িত্ব পান মৃদুল গোস্বামী। আর দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই সক্রিয়ভাবে কাজে মনোযোগী হয়ে পড়েন তিনি। একদম নিচুস্তরে কিভাবে সংগঠনকে চাঙ্গা করা যায়, তার জন্য চেষ্টা করতে থাকেন

উপনির্বাচন অতীত! পুরসভাতে বাজিমাত করতে এখন থেকেই আসরে নেমে পড়ল বিজেপি!

বিগত লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে তৃণমূল ধরাশায়ী হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির কাছে। উত্তরবঙ্গের আটটি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে সাতটি আসনে জয়লাভ করেছে বিজেপি। অন্যদিকে একটি আসন দখল করেছে কংগ্রেস। সেদিক থেকে উত্তরবঙ্গ একসময় তৃণমূলকে ব্যাপক সমর্থন দিলেও, এবারের লোকসভায় তৃণমূল সেখান থেকে একটি আসনও পায়নি। যার পরে কার্যত হতাশ হয়ে গিয়েছিল রাজ্যের

বেআইনি কাজ নিয়ে দলীয় পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূলেরই বিধায়ক! অস্বস্তি বাড়ছে দলে

সবুজ বাঁচাতে ইতিমধ্যেই রাস্তায় নামতে দেখা দিয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। রাজ্যের প্রায় প্রতিটি জেলায় নিজেদের সবুজরক্ষক হিসেবে বার্তা দিচ্ছেন তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রী থেকে বিধায়করা। কিন্তু নীচুতলায় যে এখনও পর্যন্ত সেই বার্তা দিতে পারেননি তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব, তা এবার সবুজছেদনকে কেন্দ্র করেই স্পষ্ট হয়ে গেল। যে ঘটনায় তৃণমূল বিধায়কের রোষের

পুরসভায় প্রার্থী বাছাই নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত তৃণমূলের! পিকের ফর্মুলা মেনেই বাজিমাতের ভাবনা

লোকসভায় তৃণমূল 22 টি আসন পাওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের রননীতিকার করেছিলেন ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোরকে। যার পরেই একদিকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দলের নেতাদের জনসংযোগ, আর অন্যদিকে ভালো ভাবমূর্তির লোকেদের ময়দানে নামানোর কাজ শুরু করে পিকের টিম। কেননা দুর্নীতিগ্রস্ত, স্বজনপোষণের সঙ্গে জড়িত নেতাদের দেখেই যে লোকসভায় অনেক কেন্দ্রে মানুষ তৃণমূলকে সমর্থন

জানুয়ারিতে আবারও উপনির্বাচন হচ্ছে ধরে নিয়ে বিজেপিকে মাত দিতে ঘুটি সাজানো শুরু তৃণমূলের

ছয় মাস আগে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির যে জনপ্রিয়তা রাজ্যে ছিল, তা যে দিনকে দিন কমতে শুরু করেছে, তা বিধানসভা উপনির্বাচনের ফলাফলের মধ্যে দিয়েই প্রকাশ পেয়ে গিয়েছে। করিমপুরকে বাদ রাখলেও খড়গপুর এবং কালিয়াগঞ্জ লোকসভায় বিজেপিকে প্রচুর ভোটে লিড পাইয়ে দিয়েছিল। কিন্তু এই দুই বিধানসভা উপনির্বাচনে কার্যত পর্যুদস্ত হতে হয়েছে গেরুয়া শিবিরকে।

আবার ঘরওয়াপসি করে উত্তরবঙ্গে বিজেপিকে বড়সড় ধাক্কা দিল তৃণমূল – জানুন বিস্তারিত

লোকসভা নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে রাজ্যজুড়ে গেরুয়া শিবিরের ব্যাপক উত্থান লক্ষ্য করা গিয়েছিল। কোচবিহার একসময় তৃণমূল কংগ্রেসকে ব্যাপক সমর্থন করলেও লোকসভা নির্বাচনে এবার কোচবিহারে ফুটে গিয়েছিল পদ্মফুল। যার ফলে সেখানে রাজনৈতিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটতে শুরু করে। অনেক পঞ্চায়েত তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে থাকলেও, গেরুয়া শিবির জয়লাভ করায় সেই পঞ্চায়েতের সদস্যরা যোগদান

বিজেপি-বাম-কং জোটকে উড়িয়ে 6-0 এর বড়সড় জয় তৃণমূলের! দাঁত ফোটাতে পারল না মিমও!

লোকসভা নির্বাচনে সারা রাজ্যে বিজেপি হওয়া প্রত্যক্ষ করা গেলেও সদ্যসমাপ্ত রাজ্যের তিন বিধানসভা উপনির্বাচনে জয়লাভ করেছে ঘাসফুল শিবির। যেখানে এনআরসির বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং সংখ্যালঘু মানুষের সমর্থন পেয়েই তৃণমূলের এই সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কিন্তু 3 বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল ভালো ফল করলেও সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদের ভোগ্রামে

বালুরঘাটেও কি দ্রুত বিজেপির জমি সরছে? গেরুয়া শিবিরের কর্মসূচি নিয়ে বাড়ছে জল্পনা

2019 এর লোকসভা ভোটে বালুরঘাট হাতছাড়া হয়েছে তৃণমূলের। রীতিমতো পায়ের তলার জমি শক্ত করে বালুরঘাটে বিজেপি আসন দখল করেছিল। 2019 এর লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কোণঠাসা অবস্থায় থাকার পর এবার উপনির্বাচন ছিল তা‌ঁদের কাছে প্রেস্টিজ ফাইট আর এই প্রেস্টিজ ফাইটে রীতিমতো লড়াই করে করিমপুর, কালিয়াগঞ্জ ও খড়্গপুরে তৃণমূল হইহই করে জয়লাভ

ট্যাগড

জেলা সভাপতির পদত্যাগ চেয়ে হাজার-হাজার কর্মীর বিক্ষোভ! সরগরম বিজেপির অন্দরমহল

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপি প্রবলভাবে নির্বাচনী প্রচার চালালেও রাজ‍্যে উপ নির্বাচন হওয়া কালিয়াগঞ্জ, করিমপুর এবং খড়্গপুর- কোথাও দাঁত ফোটাতে পারেনি। ইতিমধ্যে বিজেপির অন্দরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রবলভাবে প্রকাশ পেয়েছে। উপ-নির্বাচনের ফল বেরোনোর পর রাজ্য বিজেপির অন্দরে চলছে মন্ডল সভাপতির নির্বাচন।

ট্যাগড
Top
error: Content is protected !!