এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ

ফিরিয়ে আনুন খাটিয়া কালচার, প্রয়োজনে গিয়ে বসুন তেলেভাজার দোকানে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে উপলব্ধি করতে পেরেছে যে, জনসংযোগে তাদের দলীয় জনপ্রতিনিধিরা কিছুটা হলেও বিচ্যুত হয়েছেন। আর তার ফলেই উত্তরবঙ্গে দাগ কাটাতো তো দূর অস্ত, দক্ষিণবঙ্গের অনেক জেলাতেও তৃণমূল ধাক্কা খেয়েছে। উত্তরবঙ্গের আটটি আসনের মধ্যে সাতটি আসনই দখল করে নিয়েছে গেরুয়া শিবির। কিন্তু যেনতেন প্রকারেন

মুখ্যমন্ত্রীর পাহাড় সফরে হাজার হাজার মানুষের ভিড়, ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে তৃণমূল

  2011 সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর অত্যন্ত দক্ষতার সহকারে পাহাড় সমস্যার সমাধান করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কট্টর মমতা বিরোধীরাও সেকথা এক বাক্যে স্বীকার করে নেন। আর পাহাড় সমস্যা সমাধানের পরেই উন্নয়নের ডালি নিয়ে বারবার সেই দার্জিলিঙে পৌঁছে গেছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। কিন্তু এবারের লোকসভা নির্বাচনে সেই পাহাড়ে তৃণমূলের ভোটব্যাংক ধ্বসে পড়া

পুলিশ ঠিকঠাক কাজ করছে না, শান্তি রক্ষা করতে আরও সক্রিয় হতে হবে: মুখ্যমন্ত্রী

তিনি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। এতদিন রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসন ঠিকমতো কাজ করছে না বলে তাঁর বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা যেত রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে। কিন্তু বরাবরই বিরোধীদের অভিযোগকে গুরুত্ব দেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবার নিজের মুখেই যেন পুলিশের ভুল-ত্রুটির কথা স্বীকার করে নিতে দেখা গেল সেই মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। সূত্রের খবর,

এবার দেবোত্তর ট্রাস্টের সম্পত্তিও জবরদখলের অভিযোগ তৃনমূল পরিচালিত পুরসভার বিরুদ্ধে

বিভিন্ন প্রশাসনিক বৈঠকে জায়গা জবরদখল যাতে না হয়, তার জন্য সকলকে কড়া নির্দেশ দিতে দেখা যায় রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু তার নির্দেশই সার। এবার মাথাভাঙা শহরের রাজআমলের মদনমোহন বাড়ির দিঘীর পাড় দখল করার অভিযোগ উঠল মাথাভাঙ্গা পৌরসভার বিরুদ্ধে। বস্তুত, বিগত পৌরসভা যখন তা বামেদের দখলে ছিল, তখন এই মদনমোহন

এন আর সি নিয়ে মুখমন্ত্রীকে ক্ষমতার পরিসর নিয়ে তীব্র আক্রমণ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতার

লোকসভা ভোটের পর থেকে কেন্দ্রে বিজেপি নেতৃত্ব এনআরসি নিয়ে তৎপর হয়েছে। এনআরসি বা নাগরিক পঞ্জিকার প্রথম পর্ব শুরু হয়েছে আসাম থেকে। এনআরসি হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে, আসাম থেকে 19 লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়েছে। যার মধ্যে 11 লক্ষ হিন্দু বলে দাবি করা হচ্ছে। এনআরসি নিয়ে শুধু এদেশে না ভারতবর্ষের প্রতিবেশী

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এলাকাতেই দিনের পর দিন সংকল্প যাত্রায় “ফ্লপ শো”! ক্ষোভ বাড়ছে দলের যাত্রা

উত্তরবঙ্গে সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে ব্যাপকভাবে উত্থান ঘটেছে ভারতীয় জনতা পার্টির। দার্জিলিং থেকে মালদহ পর্যন্ত 8 টি লোকসভা আসনের মধ্যে 7 টি লোকসভা আসনেই পদ্মফুল ফুটেছে। কার্যত ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। আবার অন্যদিকে কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে নরেন্দ্র মোদি। আর বাংলার ক্ষেত্রে 18 টি আসন লাভ করা

বাংলাতে কখনই এনআরসি হতে দেব না, ফের হুংকার মমতার

অসমে জাতীয় নাগরিকপঞ্জির তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পরই দেখা যায়, অনেক বাঙালির নাম বাদ পড়েছে। যার পরে সেই ঘটনা নিয়ে অসম তথা গোটা ভারতে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। আর এই বিষয় নিয়ে বিজেপি বিরোধী প্রায় সব কটা রাজনৈতিক দল বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলনে গর্জে উঠলে প্রবল অস্বস্তিতে পড়ে গেরুয়া শিবির। তবে সেই অস্বস্তিকে

আমি ভুল করলে আমাকে ক্ষমা করবেন, আমার কাছে ক্ল্যারিফিকেশন চাইবেন: মমতা ব্যানার্জি

গতকালই উত্তরবঙ্গে পা রেখেছেন তিনি। পুজোর পর এই প্রথম তার উত্তরবঙ্গে আসা। আর সেই উত্তরবঙ্গ সফরে এসে সোমবার শিলিগুড়ির বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠান থেকে নিজেকে বাংলার পাহারাদার হিসেবে তুলে ধরে তিনি রাজ্যের মানুষের বিপদে সব সময় পাশে থাকবেন বলে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, এদিন শিলিগুড়ির মাল্লাগুরির পুলিশ লাইনের মাঠে

পুরসভা ভোট নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে ২০২১ নিয়ে মমতাকে বড়সড় বার্তা দিলেন মুকুল রায়

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক হানাহানির ঘটনা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। নৃশংসতার বিচারে একে অপরকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, 2019 এর লোকসভা ভোট পরবর্তী সময় থেকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ক্রমাগত বেড়েছে খুনোখুনির রাজনীতি। রাজনৈতিক হানাহানি কম তো হচ্ছেই না, বরং দিন দিন বেড়েই চলেছে। একের পর এক প্রাণ বলি হচ্ছে। এই রাজনৈতিক হানাহানি

দিলীপের হাত ধরে বিজেপিতে আসা দুই হেভিওয়েট ফিরলেন তৃণমূলে, জোর জল্পনা

2019 এর লোকসভা ভোটের পর থেকে দলবদলের প্রবণতা অনেক বেশি করে লক্ষ্য করা যায়। এই দলবদলের হাওয়ায় বিজেপির দিকেই সবার ঝোঁক বাড়ে। লোকসভা ভোটে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কোনরকমে নিজেদের গড় বাঁচিয়েছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের 42 টি আসনের মধ্যে তারা অধিকার করেছিলেন মোট 22 টি আসন। অন্যদিকে বিজেপি দল শুধুমাত্র সংগঠনের ওপর

Top
error: Content is protected !!