এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ

হেভিওয়েট তৃণমূল বিধায়ক এলাকায় এসে হুমকি দেওয়ার পরেই বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর শুরু!

শাসকদলের নেতা উস্কানি দিলে কর্মীরা যে চাঙ্গা হয়ে ওঠে, তা কারোরই অজানা নয়। তবে নেতার উস্কানিতে বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের ঘুম যে অনেক ক্ষেত্রেই উড়তে শুরু করে, তা বারে বারে প্রমাণিত হয়েছে। আর এবার দিনহাটার তৃণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহর হুঁশিয়ারির 24 ঘন্টার মধ্যেই ভেটাগুড়িতে‌ বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের

এবার আদিবাসীদের জমি দখলেও নাম জড়াল তৃণমূলের! শুরু তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর

কবিগুরু লিখেছিলেন, "এই জগতে হায়, সেই বেশি চায়, আছে যার ভুরি ভুরি, রাজার হস্ত করে সমস্ত, কাঙালের ধন চুরি।" এক জমিদার এবং এক কাঙালীর কাহিনী "দুই বিঘা জমি" কবিতার মধ্যে দিয়ে তুলে ধরে যার যত বেশি আছে, সে তত নীচুস্তরের মানুষের কাছ থেকে হরণ করার চেষ্টা করে বলে বোঝানোর চেষ্টা

দলীয় সভাপতির অকালমৃত্যুতে কি বিজেপি কার্যত দিশাহীন? শীর্ষনেতার কথায় মিলল ইঙ্গিত

  "হৃদয় বীণার তন্ত্রীতে তুমি বাজো, মরণ তোমায় হরণ করেনি আজো।" দক্ষ সংগঠক, দলের পক্ষে জোয়ারা আনা অভিজিৎ রায় চৌধুরীর অকাল প্রয়াণে এই বাক্যই আওড়াতে দেখা যাচ্ছে শিলিগুড়ির বিজেপির নেতা কর্মীদের। সমস্ত কিছু বেশ ভালই চলছিল। প্রথমবার সাফল্যের সঙ্গে শিলিগুড়িতে দলকে পরিচালনা করেছিলেন অভিজিৎ রায় চৌধুরী। দ্বিতীয়বার দলের দায়িত্ব নিতে কলকাতায়

মন্ডল সভাপতি নির্বাচন ঘিরে তীব্র গোষ্ঠীকোন্দল বিজেপিতে! তুলকালাম উত্তরবঙ্গ সামাল দিতে বিশাল পুলিশ

  মন্ডল সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীরা জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে শুরু করেছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বজনপোষণ সহ একাধিক অভিযোগ করতে দেখা যায় কোনো কোনো জেলাতে। কখনও তা এমন হয়ে দাঁড়ায় যে, রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে দেখা যায় বিজেপি শিবিরের নেতাকর্মীদের। আর এবার মন্ডল সভাপতি

নিহত জেলা সভাপতির স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পরেই বিস্ফোরক মুকুল রায় – এটা দুর্ঘটনা নয়, খুন!

গত শুক্রবারই বিজেপির পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গের 24 টি জেলার সভাপতি নির্বাচন করা হয়। যেখানে শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতির দায়িত্বে থাকা অভিজিৎ রায় চৌধুরী ফের সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হন। তবে দ্বিতীয়বারের জন্য তার জার্নি সুখকর হয়নি। দায়িত্ব নিয়েই কলকাতা থেকে ফেরার পথেই মৃত্যু হয় সেই অভিজিৎ রায় চৌধুরীর। বর্তমানে এই

কর্মীদের চেনেন না সঙ্গে দিনভর শিক্ষকতা! বিজেপি জেলা সভাপতিকে নিয়ে একরাশ প্রশ্ন দলের অন্দরেই

গত লোকসভা নির্বাচন থেকে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপির কাছে অত্যন্ত শক্তিশালী সাংগঠনিক জেলা হিসেবে পরিচিত হয়েছে। কেননা অতীতে এই জেলায় তৃণমূল কংগ্রেস তাদের শক্ত-সামর্থ্য ভিত গড়ে তুললেও গত লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভ করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। আর তারপর থেকেই এই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় উত্থান ঘটতে শুরু করেছে পদ্মফুল শিবিরের। সম্প্রতি সারা

57 হাজারে পিছিয়ে থাকা কালিয়াগঞ্জে জয়ই পুরভোটে তৃণমূলকে এককভাবে ক্ষমতার স্বপ্ন দেখাচ্ছে

উপনির্বাচনকে যদি সকল রাজনৈতিক দল কোয়ার্টার ফাইনাল ধরে, তাহলে সেমিফাইনাল আগামী পৌরসভা নির্বাচন। আর তারপরই ফাইনাল পর্ব অনুষ্ঠিত হবে, 2021 এর বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই কোয়ার্টার-ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এবার তাদের টার্গেট, আগামী পৌরসভা নির্বাচনে সেমিফাইনাল পর্ব। যে পর্বে উত্তর দিনাজপুর জেলার প্রায় সমস্ত পৌরসভাতেই ভালো ফল করতে

দল নিয়ে চূড়ান্ত হতাশ বিজেপি কর্মীদের সোশ্যাল বিস্ফোরণ বাড়ছে! আটকাতে কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

2019 সালের লোকসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি রাজ্যে ভালো ফল করেছিল। 18 টি আসন পেয়ে তারা প্রমাণ করে দিয়েছিল যে তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরোধী দল হিসেবে রাজ্যে গড়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে। তবে একতা না থাকলে যে কোনো কিছুই সম্ভব নয়, তা বারবার প্রমাণ হয়েছে রাজনীতিতে। আর তাইতো লোকসভা নির্বাচনের

মর্মান্তিক! পদ পেতেই ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন বিজেপি জেলা সভাপতি!

মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন নবনির্বাচিত বিজেপির শিলিগুড়ি জেলা সভাপতি অভিজিত্‍ চৌধুরী। গতকালই তাঁর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্য বিজেপির তরফে শিলিগুড়ির নতুন জেলা সভাপতি হিসাবে ঘোষণা করা হয়। এরপর কলকাতায় কাজ মিটিয়ে তিনি অন্যান্য সঙ্গীদের সঙ্গে বাড়ি ফিরছিলেন। কিন্তু, বহরমপুরের ভাকুড়ি এলাকায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে উল্টোদিক থেকে আসা এক ট্রাকের সঙ্গে

তৃণমূলীদের গায়ে হাত উঠলে তুলে নিয়ে গিয়ে শাস্তি দিয়ে ঠান্ডা করব! হুঁশিয়ারি তৃণমূল বিধায়কের

এতদিন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে বিরোধীদের উদ্দেশ্যে ধমক, চমক দিতে দেখা যেত। তবে উত্তরবঙ্গে কোনো তৃণমূল নেতাদের মধ্যে সেই দাপট লক্ষ্য করা যায়নি। তবে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের পর উত্তরবঙ্গের প্রায় সবকটি আসনেই ভারতীয় জনতা পার্টি জয়যুক্ত হলে তৃণমূল কর্মীরা কার্যত একঘরে হতে শুরু করে। আর তৃণমূল বনাম বিজেপির

Top
error: Content is protected !!