এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা

এবার কি এই পুরপ্রধানও বিজেপিতে যেতে চলেছেন, জোর শোরগোল রাজ্যে

লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 42 টি আসনের মধ্যে 42 টি আসনই দখল করার ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে তার সেই স্বপ্ন পূর্ণ হয়নি। উল্টে বিজেপি এই রাজ্য থেকে 18 টি আসন নিজেদের ঝুলিতে পুড়েছে। আর তৃনমূলের ভরাডুবি এবং বিজেপির উত্থানের পরেই শাসক দল ভেঙে একের পর এক জনপ্রতিনিধি গেরুয়া শিবিরে নাম

সুনীলের পর কি এই বিধায়ক যাচ্ছেন বিজেপিতে, জল্পনা তুঙ্গে

লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকেই উত্তর 24 পরগনায় তৃনমূলের সংগঠন ভাঙতে শুরু করে। ব্যারাকপুরের প্রার্থী হিসেবে দীনেশ ত্রিবেদীকে না মেনে ভাটপাড়ার তৎকালীন তৃণমূল তৃণমূল বিধায়ক অর্জুন সিং বিজেপিতে যোগদান করেন। আর তারপরই ব্যারাকপুর লোকসভায় দাঁড়িয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করেন তিনি। এদিকে ব্যারাকপুরের পাশাপাশি সারা রাজ্যে এবার তৃণমূল ভরাডুবি এবং

ফের মুখ্যমন্ত্রীর ছবি বিকৃত করে হুমকি চিঠি, জোর শোরগোল রাজ্যে

রাজনীতিতে শাসক বিরোধী দ্বৈরথ থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তার জন্য কোনো এক দলের প্রধানকে কুরুচিকর মন্তব্য করা কখনই কাম্য নয়। যে বাংলা সব সময় সংস্কৃতির জন্ম দিয়ে এসেছে, ভোট প্রচারে সেই বাংলার রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদেরই বিভিন্ন সময়ে কু মন্তব্য করতে দেখা গেছে। আর এবার ভোটের পরেও স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী

এবার এই পুরপ্রধানকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দিলেন শীর্ষ নেতৃত্ব, শোরগোল রাজ্যে

লোকসভা ভোটে তৃনমূলের ভরাডুবি এবং বিজেপির উত্থানে হতচকিত হয়েছেন অনেকেই। গত 2014 সালে তৃণমূল বাংলা থেকে 34 টা আসন পেলেও এবার তাদের দখলে এসেছে মোটে 22 টি আসন। অন্যদিকে বিজেপি 2 থেকে বাড়িয়ে তাদের আসন সংখ্যা 18 করে নিয়েছে। আর বিজেপির এই অভাবনীয় ফলাফলের পরই দিকে দিকে শাসকদলের জনপ্রতিনিধিরা তৃণমূল

সুনীল সিংহের তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে মুখ খুলে মমতাকে কটাক্ষ অর্জুনের

লোকসভা নির্বাচনের দামামা বাজার পর ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের তরফে দীনেশ ত্রিবেদীকে প্রার্থী করা হলে তা নিয়ে দলের অন্দরেই অসন্তোষ প্রকাশ করেন ভাটপাড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অর্জুন সিংহ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দীনেশ বাবুর নামেই প্রার্থী হিসেবে শীলমোহর দেওয়ায় দলের বিরুদ্ধে গিয়ে দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে বিজেপি নেতা মুকুল রায় ও

রাজ্যে তৃণমূল সরকার ছমাসের বেশি টিকবে না – হেভিওয়েটদের দলে নিয়ে দাবি বিজেপি নেতার

লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর তৃণমূলের ভরাডুবি এবং বিজেপির প্রবল উত্থানে হতচকিত হয়ে গিয়েছিলেন অনেকেই। এদিকে বিজেপির বঙ্গ রাজনীতিতে তড়িৎ গতিতে উত্থানের পরই শাসকদল তৃণমূল ছেড়ে একাধিক হেভিওয়েট নেতা, জনপ্রতিনিধিরা গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাতে শুরু করেন। এদিকে দলবদলের এই হিড়িকে নানা সময় বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, রাজ্যে

বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে মার খেল মুকুল পুত্রের সমর্থক, জোর চাঞ্চল্য এলাকায়

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবি এবং বিজেপির প্রবল উত্থানের পরই শাসকদলের একাধিক জনপ্রতিনিধি বিজেপিতে যোগদান করতে শুরু করেন। কিছুদিন আগেই বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের পুত্র তথা বীজপুরের বিধায়ক শুভ্রাংশু রায় ঘাসফুলের পতাকা ছেড়ে পদ্মফুলের পতাকা নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন। আর এরপরই অনেকে ভেবেছিলেন যে, এবার হয়তো বীজপুরে বিজেপির সংগঠনের কাছে তৃণমূল কুপোকাত

তৃণমূল দলটা আমার তৈরি, মমতাকে দলে নিয়ে ছিলেন – বিস্ফোরক মুকুল রায়

একসময় তৃণমূলের অঘোষিত নাম্বার টু হিসেবেই পরিচিত ছিলেন বাংলার বর্তমান হেভিওয়েট বিজেপি নেতা মুকুল রায়। প্রায় অনেকদিন হয়ে গেল, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। আর ঘাসফুলের পতাকা ফেলে দিয়ে পদ্মফুলের পতাকা হাতে নেওয়ার পরেই মুকুল রায়, জানিয়েছিলেন তিনিই তৃণমূলের জন্ম দিয়েছেন। আর এবার কাঁচরাপাড়ার জনসভা থেকে এই ব্যাপারে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন

ফের তৃণমূলে ভাঙ্গনের আতঙ্ক, হেভিওয়েট বিধায়ক সহ একাধিক কাউন্সিলর উড়ে গেলেন দিল্লিতে

লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকেই শাসক দল তৃণমূল ভেঙে একাধিক দাপুটে নেতা বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। যার মধ্যে অন্যতম ছিলেন ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের বর্তমান বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংহ। আর লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে তৃণমূলের ভরাডুবি এবং বিজেপির প্রবল উত্থানের পরই সেই শাসক দল ছেড়ে একাধিক জনপ্রতিনিধিদের বিজেপিতে যোগদানের প্রক্রিয়া বাড়তে থাকে। কিছুদিন আগেই বঙ্গ

মুখ্যমন্ত্রীকে “মানসিক ভারসাম্যহীন” বলার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টে মামলা করতে চলেছেন মমতার পুরনো সৈনিক

লোকসভা ভোটের কিছু আগেই দলের সাথে সমস্ত সম্পর্ককে ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করেছেন অর্জুন সিংহ। আর তারপরই রীতিমতো তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী দীনেশ ত্রিবেদীকে হারিয়ে শেষ হাসি হেসেছেন তিনি। আর তারপর থেকেই প্রাক্তন নেত্রীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি

Top
error: Content is protected !!