এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা

তৃণমূল সরকারের অনুন্নয়নের চিত্র স্পষ্ট করে অস্বস্তি বাড়ালেন খোদ দলীয় সেলিব্রিটি সাংসদ!

রাজ্যের সর্বত্র বেহাল রাস্তার চিত্র স্পষ্ট। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে উন্নয়নের কথা ফলাও করে প্রচার করা সত্ত্বেও বেহাল রাস্তা নিয়ে কোন উন্নয়ন মানুষের চোখে পড়েনি। বেহাল রাস্তা মেরামতের দাবিতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সড়ক অবরোধ নিত্যদিনের ঘটনা। ভাঙ্গা রাস্তার গর্তে জল জমে তা মরণফাঁদে পরিণত হয়, ফলে পথদুর্ঘটনা নিত্যদিনের ঘটনা। বহু

রাজ্যের মানুষ দেশছাড়া হতে চাইবেনা, তাই বিজেপিকে ভোট দেবেনা বলে মন্তব্য রাজ্যের মন্ত্রীর

নির্বাচনের কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী 25 নভেম্বর করিমপুর, খড়্গপুরের সাথে সাথে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জেও উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব চলবে। এই উপনির্বাচনকে ঘিরে এখন রাজনৈতিক দলগুলির ব্যস্ততা তুঙ্গে। এই উপনির্বাচনে নিজেদের দক্ষতা দেখাতে প্রস্তুত হচ্ছে রাজ্যের যুযুধান রাজনৈতিক দলগুলি। প্রতিটি দল তাঁদের নির্বাচনী প্রচার জোরকদমে শুরু করে দিয়েছে। লোকসভা নির্বাচনকে

ট্যাগড

অস্তিত্ব না থাকা “ডেভেলপমেন্ট ফি” নিয়ে পঞ্চায়েত স্তরে বড়সড় দুর্নীতি? কড়া ব্যবস্থার পথে রাজ্য

  2011 সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পঞ্চায়েত ব্যবস্থার উন্নতি করার চেষ্টা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু অনেক জায়গাতেই পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় দুর্নীতি জাঁকিয়ে বসেছে বলে অভিযোগ করতে দেখা যেত বিরোধীদের। তবে বিরোধীদের সেই অভিযোগ এবার যেন কিছুটা হলেও সত্যি হতে শুরু করল। বস্তুত, পঞ্চায়েত আইনে উন্নয়ন ফির নামে টাকা নেওয়ার কোনো

কৃষক ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে উপনির্বাচনে বিজেপিকে নক-আউট করতে কোমর বাঁধছে তৃণমূল

  হাতে আর মাত্র কিছুদিন বাকি। তারপরেই করিমপুর বিধানসভা উপনির্বাচন। প্রায় 39 বছর পর গত 2016 সালের এই কেন্দ্র থেকে জিতে বিধানসভায় গিয়েছিলেন তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। তবে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে তিনি কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে জয়ী হওয়ায় তার ছেড়ে যাওয়া এই করিমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে এবার উপনির্বাচন হচ্ছে। যেখানে তৃণমূলের

বাড়ছে উপনির্বাচনের উত্তাপ: লড়াইয়ে তৃনমূলের প্রতিশ্রুতির বন্যা বনাম বিজেপির হেভিওয়েট প্রচার

  দক্ষিণপন্থীদের বিশেষত কংগ্রেসিদের ঘাঁটি বলেই পরিচিত উত্তর দিনাজপুর জেলা। রায়গঞ্জ থেকে কালিয়াগঞ্জে এককালে কংগ্রেসের পতাকা ছাড়া আর কিছু দেখা যেত না। কিন্তু প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি অসুস্থ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই সেখানে কংগ্রেসের অস্তিত্ব বিপন্ন হতে শুরু করে। সদ্য সমাপ্ত 2019 এর লোকসভা নির্বাচনে রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি দখল করায় সেই কংগ্রেস দলে

দল থেকে সদ্য বহিষ্কৃত নেতাকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরছেন বিজেপি সাংসদ! তীব্র বিতর্ক গেরুয়া শিবিরে

লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি সাফল্য পাওয়ার পর আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে টার্গেট করেছে তারা। আর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে বিজেপি এখন নিজেদের দলের মধ্যে যেমন স্বচ্ছতা আনতে চাইছে, ঠিক তেমনই সংগঠনকে শক্তিশালী করতে চাইছে। ইতিপূর্বেই নানা ঘটনায় বিজেপি নিজেদের শৃঙ্খলার প্রমান দিতে অনেককেই দল থেকে বরখাস্ত করেছে। কিন্তু বিজেপির জেলা নেতৃত্ব থেকে

করিমপুরে এল ৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, আশায় বুক বাঁধছে বিজেপি, ফারাক দেখছে না তৃণমূল

  বরাবরই নির্বাচনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে রিগিংয়ের অভিযোগ করে এসেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। 2018 সালের পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে শুরু করে, বিভিন্ন পৌরসভা নির্বাচনে যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকে না, সেখানে গায়ের জোরে পঞ্চায়েত বা পৌরসভা দখলের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে নতুন কিছু নয়। সেজন্য গত লোকসভা নির্বাচন থেকেই 100% কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করার প্রস্তাব

আবারও বিক্ষোভের মুখে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় – জেনে নিন

  ত্রাণ নিয়ে রাজনীতি যেন কিছুতেই কমছে না বাংলায়।‌ আর এবার সেই ত্রাণের রাজনীতির শিকার হলেন বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় বলে অভিযোগ। রাজনীতির আনাচে-কানাচে প্রায় প্রত্যেকেই জানে, ইতিপূর্বে বঙ্গ রাজনীতিতে বাবুল সুপ্রিয়কে নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। নির্বাচনী প্রচার থেকে শুরু করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হেনস্থা পর্যন্ত, একাধিকবার আক্রান্ত

বিজেপি-তৃনমূলকে টপকে পিছন থেকে বাজিমাত করবেন না তো জোট প্রার্থী? “ব্যাক্তিগত ইমেজ” ভাবাচ্ছে

  গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যজুড়ে জয়জয়কার হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। মমতা জড়ে রীতিমতো উড়ে গিয়েছিল বাম-কংগ্রেস গণতান্ত্রিক জোটের প্রার্থীরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে রাজ্যের বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেস জোটবদ্ধ ভাবে লড়াই করলেও এই অসম জোটকে যে বাংলার মানুষ মেনে নিতে পারেনি, তার প্রমাণ পাওয়া গেছে, 2016 সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে। কিন্তু সেই ঝড়ের মধ্যেও

আয়লার থেকেও বেশি ক্ষতি করে দিল বুলবুল! সব হারিয়ে মাথা চাপড়াচ্ছে সুন্দরবনবাসী

বহু পূর্বে 2009 সালে পশ্চিম বাংলার বুকে আছড়ে পড়েছিল ভয়ংকর ঝড় আয়লা। যার তাণ্ডবে রীতিমতো ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল উপকূলবর্তী এলাকার জনসাধারণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। ঝড়ের ভয়ঙ্করতার কারণে আগাম সতর্কবার্তা দিয়ে নৌকা, লঞ্চ ট্রলারসহ মৎস্যজীবীদেরকে পূর্ব সতর্ক বার্তা প্রদান করা সত্ত্বেও কিছু প্রাণহানির ঘটনাও সামনে এসেছিল। এখনও পর্যন্ত বাংলার দেখা সবচেয়ে ভয়াবহ

Top
error: Content is protected !!