এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর

ভাতৃশোক ভুলে শুভেন্দু অধিকারীর অনুরোধে দলের কঠিন সময়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব এগিয়ে এলেন দাদা

পুরানে দাদা-ভাইয়ের নীতিকথা আমরা রামায়ণে পড়েছিলাম। দাদা রামের প্রতি ভাই ভরত কিংবা লক্ষণের নিবেদন প্রায় সকলেরই জানা। হয়ত বাস্তবেও এরকম কিছু দাদা ভাইয়ের সম্পর্ক রয়েছে। আর সেরকমই একটা আভাস পাওয়া গেল ভাই কুরবান শার মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত অবস্থাতেও সেই ভাইয়ের পূরণ না করা দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিলেন তারই দাদা আফজল

তৃণমূল নেতা খুনে আটক মুকুল ঘনিষ্ঠের ভাই সহ 3 অনুগামী

গত সোমবার নবমীর রাতে দলীয় কার্যালয়ে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন পাঁশকুড়া ব্লক তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি তথা পাঁশকুড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি কুরবান শা। আর এই ঘটনার পরই এলাকাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। কে বা কারা এই তৃণমূল নেতাকে খুন করল, তা নিয়ে শুরু হয় জোর জল্পনা। জানা যায়, নবমীর রাতে চারজন ব্যক্তির

পুজোর মধ্যেই শুভেন্দু-গড়ে পিটিয়ে খুন তৃণমূল কর্মী, অভিযোগের তীর বিজেপির দিকে

মহাষষ্ঠীর দিনে যখন মায়ের বোধনকে কেন্দ্র করে বাঙালির মনে-প্রাণে আনন্দের সঞ্চার সৃষ্টি হয়েছে, ঠিক তখনই পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর রক্তে রঙিন হয়ে উঠল। মায়ের বোধনের দিনই তৃণমূলের এক সক্রিয় কর্মীকে খুন হতে হল। বস্তুত, গত শুক্রবার সকালে কেশপুরের একটা রাস্তাকে কেন্দ্র করে দুই দল তীব্র বচসায় জড়িয়ে পড়ে। আর সেই সময়ই

দিলীপ ঘোষ না শুভেন্দু অধিকারী? “পুজোর লড়াইয়ে” জিতলেন কে?

রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে 2019 সালের লোকসভা নির্বাচন ঘিরে। যে রাজ্যে ভারতীয় জনতা পার্টিকে একসময় আতস কাঁচ দিয়ে খুঁজতে হত, সেই রাজ্যে 18 টি আসন পেয়ে শাসকের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। আর বঙ্গ বিজেপির এই জয়যাত্রায় পদাধিকারের দিক থেকে ক্যাপ্টেনের ভূমিকা পালন করেছেন বঙ্গ বিজেপি রাজ্য

দিলীপ ঘোষের হাওয়া কাটতে দশেরাতেও খড়্গপুরে মাটি কামড়ে শুভেন্দু, তবুও সামনে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

আর কিছুদিন পরেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা মেদিনীপুরের বর্তমান বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষের ছেড়ে যাওয়া খড়গপুর আসনে বিধানসভা উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।অতীতে এই আসনটি বিজেপি দখল করলে এবার সেই আসনে ঘাসফুল ফোটাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে তৃণমূল। যার জন্য এখানকার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের নেতা তথা রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে। পুজো থেকে

প্রশাসক বসিয়ে পুরসভার “উন্নয়ন” থমকে যেতেই এবার “এন্ট্রি” নিচ্ছেন প্রাক্তন চেয়ারম্যান!

রাজ্যের পৌরসভার নির্বাচনগুলি পিছিয়ে যাওয়া নিয়ে বারবার সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলো। বিজেপি থেকে শুরু করে কংগ্রেস, কংগ্রেস থেকে শুরু করে বামফ্রন্ট, প্রত্যেকেই শাসকের পৌর নির্বাচন স্থগিত রেখে পৌরসভায় প্রশাসক বসিয়ে কার্য পরিচালনাকে সরকারের চাপিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বলে কটাক্ষ করেছেন। কিন্তু রাজ্য সরকারের তরফ থেকে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং

তৃণমূল নেতা খুনে ক্ষুব্ধ শুভেন্দুর অঙ্গীকার – মুকুল-ঘনিষ্ঠকে বরাবরের জন্য জেলে ঢোকানোর!

বরাবরই শাসক বিরোধী দলের মধ্যে অভিযোগের তীর উঠতেই থাকে। লোকসভা ভোট পরবর্তী সময়ে এরাজ্যে ক্রমাগত বেড়েছে খুনোখুনির রাজনীতি। দুর্গাপূজার মধ্যেও সেই হানাহানি বন্ধ হলো না। হানাহানির জেরে প্রাণ গেলো তৃণমূলের দলীয় সমর্থকের। ঘটনাটি ঘটেছে পাঁশকুড়া এলাকায়। ঘটনার পর শাসক বিরোধী দল একে অন্যের ওপর দোষ চাপানো শুরু হয়ে গেছে। এই

পুজোর মধ্যেই দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে গুলিতে তৃণমূল নেতাকে ঝাঁঝরা করে দিল দুষ্কৃতীরা

লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক সংঘর্ষ ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে ঘরের মেয়ে উমা যখন কৈলাশ থেকে মর্তে আসছেন, যখন উৎসবে মধ্যে থাকবে প্রতিটি বাঙালি, ঠিক তখন বাংলার রাজনৈতিক সংঘর্ষ যাতে না হয়, তার জন্য প্রার্থনা করেছিলেন প্রত্যেকেই। প্রত্যেকেই আশাবাদী ছিলেন যে, দল-মত-নির্বিশেষে হয়ত বা বাংলার সবথেকে

অনুদানপ্রাপ্ত পুজোকে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি টাঙানোর নির্দেশ জেলা পরিষদের! শুরু বিতর্ক

অতীতে নাকি একসময় বিনিময় প্রথার প্রচলন ছিল। ইতিহাসের বই পড়ার সুবাদে একথা প্রায় সকলেরই জানা। এবার কি সেই বিনিময় প্রথা চালু হল রাজ্যের শারদ উৎসবেও? প্রশ্নটা শুনতে আশ্চর্য মনে হলেও একটি ঘটনাকে ঘিরে সাম্প্রতিককালে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। বস্তুত ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্যের ক্লাবগুলোকে আর্থিক অনুদান দেওয়া শুরু করেছে

শুভেন্দুকে কড়া টক্করে মাত দিয়ে বিজেপিকে অ্যাডভ্যান্টেজ দিলেন দিলীপ? জল্পনা খড়্গপুর জুড়ে

পুজোর পরেই খড়্গপুর বিধানসভা কেন্দ্রের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যাকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন বিজেপি দিলীপ ঘোষকে মুখ করে ফের এই কেন্দ্র নিজেদের দখলে ফিরিয়ে আনবার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে, ঠিক তেমনই তৃণমূল কংগ্রেস শুভেন্দু অধিকারীকে সামনে দাঁড় করিয়ে এবার এই আসন জিততে মরিয়া হয়ে উঠেছে। ফলে, দলীয় প্রার্থীদের জেতাতে এখন থেকেই

Top
error: Content is protected !!