এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর

রাজ্যে একের পর এক বিজেপি কর্মী হত্যার ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়লেন বিজেপি সাংসদ

লোকসভা ভোটের পরবর্তী কাল থেকে লক্ষ্য করা যাচ্ছিল পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক হিংসা ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী। বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের ফলে চূড়ান্ত অশান্তি ছড়িয়েছে। অন্যদিকে, রাজনৈতিক মহলেও এ ধরনের রাজনৈতিক হিংসাকে কেন্দ্র করে হত্যার ঘটনায় চূড়ান্ত বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি রাজনৈতিক হিংসার ফলে প্রাণ গেছে আরও একজনের। দাঁতনের সন্তোষপুর এলাকায় তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষের

উপনির্বাচনের মুখে খড়্গপুরে এবার বিজেপির ঘর ভাঙলো তৃণমূল

সামনেই উপ নির্বাচনের দামামা বেজেছে খড়গপুর বিধানসভা কেন্দ্রে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী 25 নভেম্বর খড়্গপুরে বিধানসভা উপনির্বাচন। এই উপনির্বাচন জিততে প্রতিটি রাজনৈতিক দলই কোমর বেঁধে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে খড়গপুরকে বিজেপি মুক্ত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু তার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসকে মানসিকভাবে ধাক্কা দিয়ে কাউন্সিলর

রাজ্যের মানুষ দেশছাড়া হতে চাইবেনা, তাই বিজেপিকে ভোট দেবেনা বলে মন্তব্য রাজ্যের মন্ত্রীর

নির্বাচনের কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী 25 নভেম্বর করিমপুর, খড়্গপুরের সাথে সাথে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জেও উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব চলবে। এই উপনির্বাচনকে ঘিরে এখন রাজনৈতিক দলগুলির ব্যস্ততা তুঙ্গে। এই উপনির্বাচনে নিজেদের দক্ষতা দেখাতে প্রস্তুত হচ্ছে রাজ্যের যুযুধান রাজনৈতিক দলগুলি। প্রতিটি দল তাঁদের নির্বাচনী প্রচার জোরকদমে শুরু করে দিয়েছে। লোকসভা নির্বাচনকে

ট্যাগড

কৃষক ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে উপনির্বাচনে বিজেপিকে নক-আউট করতে কোমর বাঁধছে তৃণমূল

  হাতে আর মাত্র কিছুদিন বাকি। তারপরেই করিমপুর বিধানসভা উপনির্বাচন। প্রায় 39 বছর পর গত 2016 সালের এই কেন্দ্র থেকে জিতে বিধানসভায় গিয়েছিলেন তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। তবে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে তিনি কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে জয়ী হওয়ায় তার ছেড়ে যাওয়া এই করিমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে এবার উপনির্বাচন হচ্ছে। যেখানে তৃণমূলের

বাড়ছে উপনির্বাচনের উত্তাপ: লড়াইয়ে তৃনমূলের প্রতিশ্রুতির বন্যা বনাম বিজেপির হেভিওয়েট প্রচার

  দক্ষিণপন্থীদের বিশেষত কংগ্রেসিদের ঘাঁটি বলেই পরিচিত উত্তর দিনাজপুর জেলা। রায়গঞ্জ থেকে কালিয়াগঞ্জে এককালে কংগ্রেসের পতাকা ছাড়া আর কিছু দেখা যেত না। কিন্তু প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি অসুস্থ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই সেখানে কংগ্রেসের অস্তিত্ব বিপন্ন হতে শুরু করে। সদ্য সমাপ্ত 2019 এর লোকসভা নির্বাচনে রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি দখল করায় সেই কংগ্রেস দলে

এবার ফের বড়ধাক্কা তৃণমূলের , দলের হেভিওয়েট নেত্রী যোগ দিলেন বিজেপিতে

সামনেই উপনির্বাচন খড়গপুর বিধানসভা কেন্দ্রে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী 25 নভেম্বর খড়গপুর বিধানসভায় উপনির্বাচন। উপ নির্বাচনে জিততে প্রতিটি রাজনৈতিক দলই কোমর বেঁধে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে খড়গপুরকে বিজেপি মুক্ত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু তার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসকে মানসিকভাবে ধাক্কা দিলেন কাউন্সিলর বেলারানী অধিকারী। ভোটের

বেলাগাম শুভেন্দু অধিকারী, অস্বস্তিতে শাসকদল

  তিনি দক্ষ সংগঠক। ভালো বক্তাও বটে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্দিনের সঙ্গী হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এহেন জনপ্রিয় নেতৃত্বের মুখ থেকে যখন বেলাগাম শব্দ প্রয়োগ হতে দেখা যায়, তখন নিঃসন্দেহে অবাক হয়ে যায় রাজনৈতিক মহল। তিনি আর কেউ নন, রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী তথা একাধিক জেলার তৃণমূলের পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারী। বর্তমানে ভোট রাজনীতিতে উত্তপ্ত বাংলার মাটি।

দুর্নীতির অভিযোগে ডাকা সালিশিসভায় না যাওয়ায় তৃণমূলের নেতা কর্মীদের মেরে হাত ভেঙে দিল বিজেপি!

  সারা রাজ্যেই বিরোধী দল হিসেবে ভারতীয় জনতা পার্টি একাধিকবার তৃনমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ চালিয়েছে। বস্তুত, বিরোধী দল করায় তাদেরকে বারবার তৃণমূলী হামলার শিকার হতে হচ্ছে বলেও জানিয়েছে একাধিক বিজেপি নেতা। কিন্তু গত মঙ্গলবার রাত্রিবেলা গরবেতা এলাকার চন্দ্রকোনা রোডে দুর্গাপুর নামে একটি গ্রামে যে ঘটনা সামনে আসে, তাকে উলটপুরাণ বলে অভিহিত

বিক্ষুব্ধ বিজেপি ও ভোট কাটাকাটির অংকে খড়্গপুরে বাজিমাতের আশায় তৃণমূল থেকে কংগ্রেস

  ভোটের অংক খুবই কঠিন। শাসক-বিরোধী কাটাকুটিতে শেষ পর্যন্ত কোন দলের প্রার্থী শেষ হাসি হাসবে, তা একমাত্র বলতে পারবে ভোটবাক্স। তবে রাজনৈতিক মহল থেকে বিশ্লেষক, প্রায় প্রত্যেকেই সেই ভোটের আগে ফলাফল বের করতে তৎপর হয়ে ওঠেন। আর তাই রাজ্যের হেভিওয়েট কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত খড়গপুর বিধানসভা কেন্দ্রে কোন প্রার্থী জয়লাভ করবে, তা

উপনির্বাচনের আগে উড়ছে টাকা? নাকা চেকিংয়ে ধরা পরল 18 লক্ষ টাকা, বাড়ছে উত্তেজনা

  প্রায় প্রতিটি নির্বাচনেই টাকার খেলা হয় বলে অভিযোগ বিরোধীদের। কিন্তু শাসকের বিরুদ্ধে তোলা এই অভিযোগকে বারবারই অস্বীকার করা হয়েছে সেই শাসকদলের তরফে। কিন্তু উপনির্বাচন থেকে লোকসভা, লোকসভা থেকে বিধানসভা, বিধানসভা থেকে পঞ্চায়েত, প্রায় প্রতিটি নির্বাচনেই টাকা দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রভাবিত করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। তবে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বাড়বাড়ন্ত

Top
error: Content is protected !!