এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর

“পশ্চিম মেদিনীপুরে তৃণমূলের সর্বনাশ করে দেওয়ার” দায় এনার ঘাড়েই চাপালেন শুভেন্দু

একসময় জঙ্গলমহলে তৃণমূলের অন্যতম আস্থা ভরসার নাম ছিল প্রাক্তন আইপিএস অফিসার তথা বর্তমান বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ। কিন্তু লোকসভা ভোটের আগেই সেই ভারতীদেবীর সাথে তৃণমূলের সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করে। এমনকি পরিস্থিতি এমন জায়গায় যায় যে, গত 2017 সালের ডিসেম্বর মাসে সেই পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারের পদ থেকে ভারতী ঘোষকে

কেশপুরকে এবার বিজেপির ‘গড়’ করতে মাটি কামড়ে লড়াই শুরু করলেন ভারতী ঘোষ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া এক্সক্লুসিভ - সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় যে কটা আসনে 'আকর্ষণীয় লড়াই' হয়েছে - তার মধ্যে ঘাটাল অন্যতম। যেখানে একদিকে ছিলেন বাংলা সিনেমার সুপারস্টার তথা গতবারের বিজয়ী সাংসদ তৃণমূল প্রার্থী দীপক অধিকারী দেব, আর অন্যদিকে ছিলেন এই জঙ্গলমহলের দায়িত্ব একদিন নিজের হাতে দাপিয়ে সামলানো প্রাক্তন পুলিশ সুপার ভারতী

মুকুলকে ধাক্কা দিয়ে হেভিওয়েট নেতাকে ঘরে ফেরালো শুভেন্দু,সাথে এলেন ঘরছাড়ারাও

উলট পুরান রাজ্যে, লোকসভা ভোট মিটতেই শাসকদল ছেড়ে একে একে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পরে গেছে। বিধায়করা তো বটেই রাজ্যের তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরাও দলে দলে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। কিন্তু এহেন পরিস্থিতিতে রাজ্যে পূর্ব মেদিনীপুরে দেখা গেলো উল্টো চিত্র। শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে এদিন ঘরের ছেলেরা ঘরে ফিরলেন। এদিন একটি দলীয় জনসভা অনুষ্ঠিত

কি এমন হল যে সভা শেষ না করেই মাইক ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে বেরিয়ে গেলেন দিলীপ ঘোষ? জানুন বিস্তারিত

রাজ্যে এবারের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি অভূতপূর্ব ফলাফল করেছে। যা নিয়ে জেলায় জেলায় বিজেপির তরফে জনসংযোগ যাত্রা করে সাধারণ মানুষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের সদ্য জয়ী বিজেপি সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের জয়ের জন্য ব্যবসায়ী সমিতির হলে ডেবরা মণ্ডল কমিটির পক্ষ থেকে তার সংবর্ধনার

ফের দিলীপ ঘোষের হাত ধরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ, নেত্রীকে তীব্র আক্রমণ বিজেপি সভাপতির

পশ্চিম মেদিনীপুর, কার্তিক গুহ :- মঙ্গলবার লোকসভার অন্তর্গত ডেবরা ব্লকে এক দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল ছেড়ে এদিনও প্রায় সাড়ে চারশো নেতা কর্মী যোগ দেয় বিজেপিতে। তাদের হাতে পতাকা তুলে দেন দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষের সাথেই অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রাক্তন আইপিএস ভারতী ঘোষ। শুধু দিলীপ ঘোষই নন বিভিন্ন অঞ্চলে সন্ত্রাস

শুভেন্দু গড়ে বিজেপির হানা, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ কর্মীদের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষমতায় আসা পর্যন্ত পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি ছিল সিপিআইএম এর গড়। কিন্তু রাজ্যে পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বদলাতে থেকে সবকিছু। এককালের সিপিআইএমের গড় আসতে আসতে হয়ে ওঠে তৃণমূলের গড়। কিন্তু রাজ্যে তৃণমূলের প্রভাব এড়িয়ে ক্রমশ ফুলে ফেঁপে উঠছে বিজেপি। রাজ্যে বিধায়ক নেতা ছাড়াও কর্মী সমর্থকরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে

শুভেন্দু গড়ে তৃণমূলের পার্টি অফিসে আগুন, অভিযোগের তীর বিজেপির দিকে, জোর শোরগোল রাজ্যে

পূর্ব মেদিনীপুর তৃণমূল নেতা তথা পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গড় আর সেখানে এদিন তৃণমূলের পার্টিই অফিসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটলো। যা ঘিরে জোর শোরগোল পরে গেছে রাজ্যে। জানা যাচ্ছে যে, সোমবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরের গোবরা গ্রাম পঞ্চায়েতের আকনা গ্রামের এলাকায় তৃণমূলের পার্টি অফিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

হারার আগে হার না মেনে বুক চিতিয়ে দলীয় কর্মীদের লড়াই করার জন্য জাগিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী

এবারের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের অনেকটাই ভরাডুবি হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি এরাজ্যে তাদের শক্তি অনেকটাই বাড়িয়ে নিয়েছে। আর লোকসভা নির্বাচনে দলের খারাপ ফলাফলের পরই কিছু কিছু জায়গায় শাসক দলের কর্মীরা মুছড়ে পড়তে শুরু করেছেন। কিন্তু কিছুদিন পরেই যে বিধানসভা নির্বাচন। আর তাই এখন থেকেই দলীয় কর্মীদের উজ্জীবিত করতে নতুন রূপে সংগঠনকে সাজাতে

কান ধরে ওঠবোসের চরমশিক্ষা ভোটবাক্সে শাসকদলকে ‘গণতন্ত্রের থাপ্পড়’ গ্রামবাসীদের

দুর্নীতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলেন তিনি। ফলাফল ভালো হয়নি। দলের শীর্ষ কর্মীরা তাকে কানধরে উঠবস করিয়েছিলেন।গলায় জুতোর মালা পরেও ঘোরানো হয়েছিলো। তিনি মেদিনীপুর সদর অঞ্চলের কনকাবতী গ্রাম এর প্রাক্তন তৃণমূল নেত্রী কবিতা দাস। পঞ্চায়েত ভোটে ছাপ্পা ভোটের বিরোধিতা করলে শাস্তি পেতে হয় তাঁকে। তবে অপরাধীদের অপরাধ মেনে নেননি গ্রামবাসীরা। লোকসভা ভোটে

নিজের খাসতালুকেই বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক,শোরগোল রাজ্যে

কিছুদিন আগেই চন্দ্রকোনার পর নৈহাটি এবং ভাটপাড়া এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়কে উদ্দেশ্য করে কিছু যুবক জয় শ্রীরাম ধ্বনি দেওয়ায় এবং এই গোটা ঘটনাটিকে বিজেপির চক্রান্ত বলে তৃণমূল নেত্রী উল্লেখ করায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজ্য রাজনীতি। আর এবার নিজের এলাকায় কার্যত বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল খেজুড়ির তৃণমূলের বিধায়ক

Top
error: Content is protected !!