এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম (Page 2)

মালদাতে শুরু মৌসম-ম্যাজিক! মমতার অনুপ্রেরণায় বড় ভাঙন বিজেপি-কংগ্রেসে

2019 এর লোকসভা ভোটের পর থেকেই দলবদল এর প্রবণতা অনেক বেশি করে লক্ষ্য করা যায়। পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে লোকসভা ভোটের পর শাসক শিবির থেকে অনেক নেতা কর্মীরা বিজেপি দলে যোগদান করেন। কিন্তু পরবর্তীতে ছবি আবার পরিবর্তন হয়। বিজেপি থেকে আবার শাসক দলে ফিরতে শুরু করে দলবদলকারীরা। তবে, এবার মালদায় মৌসম

বিজেপিতে যোগ দিয়ে প্রচার করেছেন দলীয় নেতারাই! এবার তৃণমূল ছাড়া নিয়ে বিস্ফোরক অনুব্রত মণ্ডল

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত স্নেহধন্য তিনি। দিদি অন্তপ্রাণ বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। লোকসভা নির্বাচনে সারা রাজ্যের সর্বত্র বিরোধী দল বিজেপির উত্থান ঘটলেও, তিনি তার জেলায় থাকা দুটি লোকসভা কেন্দ্র উপহার দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তবে সেই অনুব্রত মণ্ডল কি এবার যোগ দিচ্ছেন ভারতীয় জনতা পার্টিতে! বিধানসভা ভিত্তিক কর্মী সম্মেলনে কর্মীদের

বিরোধী দলে ভাঙ্গন ও নিজের দলের সাংগঠনিক পরিবর্তন – একুশের লক্ষ্যে গড় সাজিয়ে নিচ্ছেন অনুব্রত

বীরভূমে তাঁর দাপটে বিরোধীরা নির্বাচনী প্রচার থেকে শুরু করে কার্যকলাপ, কোনো কিছুই করতে পারে না বলে মাঝেমধ্যেই অভিযোগ ওঠে। কখনও চরাম চরাম, আবার কখনও বা গুড় বাতাসার কথা বলে ভোটের আগে বাজার গরম করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট তিনি। তবে শুধু পরোক্ষে বিরোধীদের হুমকি দেওয়াই নয়, তার কাছে দলের কর্মীরা যদি

কয়লার বাটোয়ারা নিয়ে উত্তাল বীরভূম! 2 গোষ্ঠীর মধ্যে তুমুল গুলি ও বোমার লড়াই আহত 2 মহিলা সহ 9

বালি খাদান থেকে কয়লা খাদান কার দখলে থাকবে! তা নিয়ে গোষ্ঠী সংঘর্ষ নতুন কিছু নয়। এমনকি সেই গোষ্ঠী সংঘর্ষে বোমা-গুলির লড়াইও নতুন কিছু নয় আজকাল বাংলায়। তবে নতুন ঘটনাটি হল, প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গায় এই দখলদারিকে কেন্দ্র করে অশান্তি। আজ বাঁকুড়া, তো কাল বিষ্ণুপুর, আজ নদীয়া, তো কাল কৃষ্ণনগর। আর এবার

উপনির্বাচনে ভরাডুবি হতেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফেরার হিড়িক! পথ দেখাচ্ছেন অনুব্রত!

লোকসভা নির্বাচনে সারা রাজ্যে তৃণমূলের কিছুটা ধ্বস নামলেও বীরভূম জেলায় দুটি সিটই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপহার দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। তবে অনেক বুথেই হেরে যেতে হয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। যার ফলে বীরভূম জেলার দুটি লোকসভা আসন তৃণমূল দখল করলেও, সারা রাজ্যে বিজেপি 18 আসন পাওয়ায় বীরভূমে যে তার প্রভাব পড়বে, সেই

এবার এই জেলা পুনরুদ্ধারে হেভিওয়েট নেত্রীকে বড়সড় নির্দেশ দিলেন স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী

উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই 2011 সালে ভালো ফল করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। যার মধ্যে ছিল মালদহ জেলাও। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে দলীয় গোষ্ঠীকোন্দল হোক বা নেতাকর্মীদের দুর্ব্যবহার, যেকোনো কারণেই 2011 সালের পর থেকে এই জেলাতে হারের মুখ দেখতে হয় ঘাসফুল শিবিরকে। বহু চেষ্টা করেও নিজেদের মরা গাঙে জল আনতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। তবে কংগ্রেসের

তোলাবাজির রাশ হাতে রাখা নিয়ে তীব্র বোমাবাজি তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে! ক্রমশ বাড়ছে অস্বস্তি

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের সকল স্তরের কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, দলে থেকে যাতে কেউ বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত না থাকেন। আর এই ফলাফলের পর নেত্রীর এই কড়া বার্তা দলের ভালোর জন্যই বলে মনে করেছিল রাজনৈতিক মহল। সেই মত বেশ কিছু ক্ষেত্রে তোলাবাজি থেকে শুরু করে মানুষের উপর

বঙ্গ বিজেপিতে আরও সংকট! এবার দল ছাড়তে চলেছেন চরম ক্ষুব্ধ এই হেভিওয়েট নেতা?

নির্বাচনে কিছুটা ধাক্কা খেলে যে দলের সদস্যসংখ্যাও ধীরে ধীরে কমতে থাকে, তা হয়ত বা এবার প্রমাণ হতে চলেছে বঙ্গ বিজেপির ক্ষেত্রে। লোকসভার আগে থেকে বাংলায় বিজেপির প্রভাব লক্ষ্য করা গিয়েছিল। লোকসভায় বাংলায় বিজেপি 18 টা আসন পেয়ে তৃণমূলকে বার্তা দিতে সক্ষম হয়েছিল। তবে লোকসভার ফলাফলের ছয় মাস পেরিয়ে যেতে না

মালদা জুড়ে বিজেপির মন্ডল কমিটি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ! উঠছে “টাকার খেলার” মত গুরুতর অভিযোগ!

  দলের সংগঠনকে শক্তিশালী করেই যে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ঝাপাতে হবে, তা অনুভব করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। 2019 এর লোকসভা নির্বাচনে সারা রাজ্যজুড়ে 18 টি আসন পেলেও, তা যে শুধুমাত্র বিজেপি হাওয়া এবং মোদী ঝড়ের জন্যই সম্ভব হয়েছে, তা বুঝতে বাকি নেই বিজেপি নেতাদের। আর তাইতো লোকসভার ফলাফল মেটার পর তারা যখন

এবার সিপিএমকে লোক দিয়ে সাহায্য করতে চান দাপুটে তৃণমূল নেতা! চূড়ান্ত বিভ্রান্ত দলীয় কর্মীরা

  অনেকে বলেন, তৃণমূলের গঠনটাই হয়েছিল বাম বিরোধিতার মধ্যে দিয়ে। 2011 সালের আগে রাজ্যের তৎকালীন শাসক দল বাম সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল তারা। পরবর্তীতে 13 মে ঐতিহাসিক রায়ের পর 21 মে 2011, মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকে প্রায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিগত বাম সরকারের বিরুদ্ধে

Top
error: Content is protected !!