এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম (Page 2)

সংগঠনের কাজে মন না দিলে বড়সড় শান্তির নিদান দিলো তৃণমূল নেতৃত্ব, জেনে নিন

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ফলাফল খারাপ হওয়ার পেছনের সব থেকে বড় কারণ দলের নেতাদের কর্মসূচি নেওয়ার অভাব এবং জনসংযোগের অভাব। অর্থাৎ সাধারণ মানুষের থেকে বিচ্যুত হয়ে নেতারা নিজের মতো করে হৃষ্টপুষ্ট হতে শুরু করেছিলেন। যাতে নিঃসন্দেহে জনসাধারণ তৃণমূলের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। আর এর প্রভাব সরাসরি পড়েছিল ভোটবাক্সে। কিন্তু লোকসভা

কাকে ভয় পান অনুব্রত, জানালেন এবার

  বীরভূম জেলা রাজনীতিতে তার বিকল্প এখনও পর্যন্ত হয়ে উঠতে পারেননি কেউ। শুধু বীরভূম নয়, বিতর্কিত মন্তব্য করার দিক থেকে তার সাথে পাল্লা দেয়, সারা রাজ্য জুড়ে এমন নেতার যথেষ্ট অভাব আছে। কখনও গুড় বাতাসা, কখনও চড়াম চড়াম, বিতর্কে অনুব্রত মন্ডলের সাথে পাল্লা দেওয়া অত্যন্ত কঠিন। তবে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগত

লোহাপুরের প্রতিবাদ সভা থেকে গর্জে উঠলেন অনুব্রত এন আর সির বিরুদ্ধে রীতিমত চ্যালেঞ্জ চুঁড়ে দিলেন কেন্দ্রকে

জাতীয় নাগরিক পঞ্জী আইন নিয়ে ইতিমধ্যে সারা দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। এ রাজ্যে প্রথম থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় নাগরিকপঞ্জি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে গর্জে উঠেছেন। পথে নেমে তিনি প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রথম থেকেই। শুধু তাই নয়, জাতীয় নাগরিকপঞ্জি আইনের বিরুদ্ধে দেশের অবিজেপি দলগুলিকে একজোট হওয়ার আবেদন জানান তিনি। পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে এনআরসি

সিপিএমের সভায় বক্তা হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা, জোর গুঞ্জন রাজ্যে!

  নিজের জীবদ্দশায় তৃণমূলকে কখনও এমন দিন দেখতে হবে, তা আঁচ করতে পারেনি কেউই। কিন্তু নাগরিকত্ব সংশোধনী বিরোধী ইস্যুতে বাংলায় যে ঘটনাটি ঘটে গেল, তা নিঃসন্দেহে নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। 2011 সালের আগে বাম বিরোধিতার মধ্যে দিয়েই নিজেদের ক্ষমতার পথ প্রশস্ত করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা

নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রধান বক্তা হিসেবে নাম হেভিওয়েট তৃণমূল সাংসদের, প্রবল অস্বস্তিতে শাসকদল!

  নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন লাগু হবার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ সংগঠিত হয়েছে। রাজনৈতিক বিক্ষোভের পাশাপাশি সেই বিক্ষোভকে অশান্তির আগুনে পরিণত করেছে একাংশ। যেখানে প্রথম থেকেই শান্তি স্থাপন করে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে যাতে বিক্ষোভ হয়, তার জন্য আর্জি জানাতে দেখা গিয়েছিল তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু এবার নাগরিকত্ব আইনের

খুনের মামলায় জোর অস্বস্তিতে মুকুল রায়, জেনে নিন!

  অনেকদিন ধরেই লাভপুরের সিপিএম সমর্থক সহ তিন ভাইকে খুনের মামলা নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। অভিযোগ ওঠে, এই ঘটনায় নাম রয়েছে বর্তমান বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের। তবে নিজের অবস্থানে অনড় থেকে বরাবরই সেই অভিযোগ খন্ডন করতে দেখা গেছে বঙ্গ বিজেপির চাণক্যকে। কিন্তু এবার লাভপুর খুনের মামলায় ফের অস্বস্তি বাড়ল বিজেপির এই হেভিওয়েট

এনআরসি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য তৃণমূলের জেলা সভাপতির,রাজনৈতিক সমালোচনা তুঙ্গে

এন আর সি ও সি এ এ এবং এনপিআরের বিরোধিতায় প্রথম থেকেই দেশের বিরোধী শক্তিগুলি মূলত এককাট্টা হয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে আসছে। যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম প্রথম সারিতে আসবে। নাগরিকত্ব আইনকে প্রতিষ্ঠা করতে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে জানানো হয়েছে নির্দিষ্ট আইনি পদ্ধতি মেনেই তবে এনআরসি গোটা দেশে চালু হবে। আর

এনআরসি প্রসঙ্গক্রমে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহকে তীব্র আক্রমণ তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতার

জাতীয় নাগরিক পঞ্জী আইন নিয়ে ইতিমধ্যে দেশজুড়ে প্রতিবাদ, আন্দোলন শুরু হয়েছে। যার রেশ এসে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে। প্রথম থেকেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় জাতীয় নাগরিকপঞ্জি আইনের বিরুদ্ধে রাজপথে প্রতিবাদ, মিছিল করে আপত্তি জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, সারাদেশের বিজেপি দলগুলিকে একজোট হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। এবার পশ্চিমবঙ্গ থেকেই তৃণমূলের আরেক সদস্য অনুব্রত

বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে তৃণমূল নেতাদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, অস্বস্তিতে শাসকদল !

  লোকসভা নির্বাচনে খারাপ ফলাফলের পর দলকে যখন ঐক্যবদ্ধ হয়ে চলার বার্তা দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তখন সকলেই আশ্বস্ত হয়েছিলেন যে, এবার হয়ত তৃণমূলে দ্বন্দ্ব কিছুটা হলেও কমবে। কিন্তু না। বিজেপির বিরুদ্ধে এনআরসি ইস্যুতে যখন প্রতিবাদ করছে তৃণমূল, ঠিক তখনই তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এল। সূত্রের খবর, এদিন মালদহের রতুয়ায়

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী আন্দোলনে যখন উত্তাল রাজ্য,মুর্শিদাবাদে শুরু ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী আন্দোলনে যখন উত্তাল রাজ্য, ঠিক সেই আবহের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে শুরু হলো ভোটার তালিকায় নাম তোলা, সংশোধন, সংযোজন-বিয়োজনের কাজ। গত 16 ই ডিসেম্বর থেকে এই কাজ শুরু হয়েছে। চলবে আগামী 15 ই জানুয়ারী 2020 পর্যন্ত।  নির্বাচন কমিশন সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, প্রতিবছর ভোটার তালিকায় নতুন করে

Top
error: Content is protected !!