এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম

নাম না করে অনুব্রত গড়ে গিয়ে ‘কেষ্টা’কে হুঁশিয়ারি দিলীপের, জেনে নিন

রাজ্য রাজনীতিতে হুমকির রেওয়াজ যেন কমছে না কিছুতেই। বারবার সমালোচনার শিকার হওয়া সত্ত্বেও বিতর্কিত মন্তব্য থেকে সরে আসছেন না বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শাসকদল তৃনমূলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিরোধীতা করতে গিয়ে অনেকবারই শালীনতার সীমা অতিক্রম করতে দেখা গেছে তাঁকে। আর এবার ফের তৃণমূল কর্মীদের ঠ্যাং ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি

গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মিটিয়ে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে বড়সড় দায়িত্ব ও পদ মৌসম নূরকে

সম্প্রতি উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জায়গা বলে পরিচিত মালদহ জেলা রাজনীতিতে তৃণমূলের অন্দরমহলে ফাটল ধরতে শুরু করেছিল। ইংরেজবাজার এবং পুরাতন মালদহ পৌরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তৃণমূল কাউন্সিলরদের অনাস্থা প্রবল বিপাকে ফেলেছিল জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব এবং রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্বকে। যার ফলে জটিলতা দিনকে দিন বেড়েই যাচ্ছিল। পৌরসভার কাজকর্ম এই অনাস্থা আনার জন্য না হওয়ায়

ভোট বড় বালাই , বিজেপিকে রুখতে এবার দলে ফেরানো হলো হেভিওয়েট বহিস্কৃত নেতাকে জোর জল্পনা

2019 এর লোকসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের বুক থেকে প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছিল। কোনরকমে 42 টি আসনের মধ্যে 22 টি আসনে জিতে শেষ রক্ষা করেছে তাঁরা। তবে বরাবরই দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত এ রাজ্যের শাসক দল। এমনকি রাজ্যের নেতা, সাংসদ, বিধায়কদের 'দিদিকে বল' জনসংযোগ কর্মসূচিতে গিয়ে স্থানীয় মানুষদের কাছে দুর্নীতি সংক্রান্ত

এবার অনুব্রতর গড়ে গুলিতে প্রাণ গেলো বিজেপি কর্মীর মায়ের, অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে

বীরভূমের নানুর বরাবরই উত্তেজনা প্রবণ এলাকা। রাজনৈতিক হিংসা সেখানে লেগেই থাকে। ভোটের আগে বা পরে বলে নয়, যেকোনো সময় এখানে চলে হানাহানি। 2019 এর লোকসভা ভোটের পরবর্তীকালে নানুরে হানাহানির শিকার হন রাজনৈতিক কর্মীরা। এবার আবার রাজনৈতিক সংঘর্ষকে ঘিরে উত্তপ্ত হল নানুর। নানুরকে ঘিরে রাজনৈতিক মহল উত্তাল হয়ে উঠেছে। তৃণমূল বিজেপির

দুর্নীতি রুখতে দলীয় নেতাদের এবার বড়সড় হুঁশিয়ারি অনুব্রত মন্ডলের – জানুন বিস্তারিত

বরাবরই দুর্নীতির অভিযোগে এ রাজ্যের শাসক দলকে বিরোধী দল তীব্র আক্রমণ করে এসেছে। এমনকি রাজ্যের নেতা, সাংসদ, বিধায়কদের 'দিদিকে বল' জনসংযোগ কর্মসূচিতে গিয়ে স্থানীয় মানুষদের কাছে এলাকার তৃণমূল নেতাদের সম্পর্কে দুর্নীতির অভিযোগ শুনতে হয়েছে। দুর্নীতিকে কোনোভাবেই এড়াতে পারছে না তৃণমূল। তৃণমূল পরিচালিত সবকটি প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ রাজ্যের বিভিন্ন স্তরে।

ট্যাগড

সালিশি সভার “বিচারে” বিবস্ত্র করে গ্রাম ঘোরানো হল মহিলাকে! তীব্র বিতর্ক অনুব্রত-গড়ে!

বিতর্কিত মন্তব্যের দিক থেকে তার জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু তিনি সবসময় আইনমাফিক চলার নিদান দেন। আর সেই আইনের নিদান দেওয়া বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের গড়েই এবার ঘটল এক বেআইনি ঘটনা। সূত্রের খবর, এবার মধ্যযুগীয় বর্বরতার সাক্ষী হল নানুরের খুজুটিপারা গ্রাম। জানা গেছে, এই গ্রামের এক বিবাহিত যুবক বিজয়নাথের সঙ্গে

জিয়াগঞ্জ কান্ডে বিজেপিকে রুখতে এবার ময়দানে নামলেন স্বয়ং শুভেন্দু অধিকারী

ইতিমধ্যেই রাজ্যে এক বীভৎস নৃশংস খুনের ঘটনা ঘটে গেছে। একই পরিবারের শিক্ষক, তার সন্তান সম্ভবা স্ত্রী এবং তার এক ছোট্ট নাবালক শিশুকে কুপিয়ে খুন করার ঘটনায় আলোড়িত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। আর এই খুনের ঘটনার পর থেকেই শাসক হোক বা বিরোধী, প্রায় প্রতিটা রাজনৈতিক দলই একে অপরের বিরুদ্ধে খুনের ঘটনায়

এবার মুর্শিদাবাদে শুরু হতে চলেছে অধীর-শুভেন্দু দ্বৈরথ

এখনো পর্যন্ত এ রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের আসন ছিনিয়ে নিয়েছে কংগ্রেস। ভোট যুদ্ধের দামামা বাজতেই এবার মুর্শিদাবাদে হুংকার ছাড়লো দুই পক্ষ তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেস। এমনিতেই মুর্শিদাবাদে অধীর চৌধুরীর গড় বলেই সুপরিচিত। কোন সময় অধীর চৌধুরীকে তার গড় থেকে সরানো যায়নি। কোন দলই তা পারেনি। সামনে 2021 এর বিধানসভা নির্বাচন। আর

অনুব্রত-গড়ে তৃণমূলকে ঘুরে দাঁড় করাতে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে আসরে অন্য নেতা! বাড়ছে জল্পনা

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ফলাফল খারাপ হওয়ার পেছনে দলের জনপ্রতিনিধিদের জনসংযোগের ব্যাপারে ত্রুটি যে প্রবল পরিমাণে দায়ী, তা ভালই বুঝতে পেরেছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তাই আগামী বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে প্রশান্ত কিশোরের পরিকল্পনামাফিক "দিদিকে বলো" কর্মসূচি করে দলের সমস্ত স্তরের নেতৃত্বদের জনসংযোগে পাঠিয়ে দিতে সক্ষম হন তিনি। রাজ্যের

কোনও দিশা নেই, নেতৃত্বের অভাব, দুর্নীতি – বিস্ফোরক সিদ্ধান্ত নিলেন প্রাক্তন তৃণমূল মন্ত্রী

রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ক্রমশই যেন বেআব্রু হয়ে পড়ছে! আর এবার দলের বিরুদ্ধে একরাশ বিস্ফোরক অভিযোগের পাশাপাশি নিজের চরম সিদ্ধান্তের কথা বলে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিলেন একদা তৃণমূলের দাপুটে মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী। প্রবল বাম জমানাতেও যাঁকে ইংলিশবাজারে হারানো যেত না, সেই তিনিই তৃণমূলে এসে হারের স্বাদ

Top
error: Content is protected !!