এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম

রাহুলের জায়গা কেড়ে বড়সড় পদে বসলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী

লোকসভা ভোট মিতে গেছে অনেক কদিনই হলো। কিন্তু কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারছিল না যে লোকসভায় কংগ্রেস পরিষদীয় দলের নেতা হবেন কে? অনেকে ভেবেছিলেন রাহুল গান্ধীকেই সেই পদের জন্য মনোনীত করা হবে আবার উঠে এসেছিলো অধীর চৌধুরীর নামও। আর আজ রাহুল গান্ধী নন, লোকসভায় কংগ্রেস পরিষদীয় দলের নেতা মনোনীত

এবার মুর্শিদাবাদেও ঘাসফুল শিবিরকে ধুয়ে মুছে সাফ করে বড় জয় পেতে শুরু করল গেরুয়া শিবির

একটা প্রচলিত ধারণা হল - বিজেপি হিন্দুত্ববাদী দল, ফলে সংখ্যালঘু মানুষের সমর্থন বোধহয় বিজেপির বিরুদ্ধেই যাবে সবসময়। সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে দুর্দান্ত ফল করলেও, সংখ্যালঘু মানুষ এককাট্টা হয়ে নিজেদের ভোট তৃণমূলকে দিয়েছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। কিন্তু, সেই পরিসংখ্যানে বোধহয় এবার পরিবর্তন আনার সময় হয়েছে। কেননা বাংলায় অন্যতম সংখ্যালঘু অধ্যুষিত

মালদায় সংখ্যালঘু ভোটব্যাংকে ভাঙ্গন! বিজেপিতে যোগদান ৫০০এর বেশি!

কংগ্রেসের শক্তঘাঁটি মালদায় এবারের লোকসভা নির্বাচনে গোটা রাজ্যের মত মালদাতেও গেরুয়া ঝড় অব্যাহত।লোকসভা ভোটের পরও বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে মালদায়। এদিন বিজেপির মালদা সদর দপ্তরে এক যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন মালদা উত্তর কেন্দ্রের নবনির্বাচিত সাংসদ খগেন মুর্মু,জেলা সম্পাদক সঞ্জিত মিশ্র।ওই যোগদান সভায় মালতিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন দল থেকে প্রায় ৫০০কর্মী

সভাপতির হুমকি সত্ত্বেও দল ছেড়ে বিজেপিতে যাচ্ছেন প্রকাশ্যে ঘোষণা করলেন তৃনমূল হেভিওয়েট নেতা

সম্প্রতি তার দলবদল নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। বীরভূমের দুবরাজপুর টাউন তৃণমূলের সভাপতি প্রভাত চট্টোপাধ্যায়ের তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাচ্ছেন বলে নানা মহলের তরফে খবর রটতে শুরু করে। এদিকে এই ঘটনার পরই রবিবার সেই প্রভাত চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। দুবরাজপুর টাউন তৃণমূলের সভাপতিকে গিরগিটি বলে কটাক্ষ করে

সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংকে ভাঙ্গন খোদ অনুব্রত গড়ে, আশঙ্কার পারদ চড়ছে বীরভূমে

লোকসভা নির্বাচনে গোটা রাজ্যে বিজেপি ১৮ আসন পেলেও খাতা খুলতে পারেনি অনুব্রত গড়ে। গড় ধরে রাখলেও নির্বাচনের পরেই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন মনিরুল ইসলামের মত হেভিওয়েট সংখ্যালঘু বিধায়কদের। আর এর পরেই বীরভূমে সংখ্যালঘু ভোটব্যাংক নিজেদের দখলে আনতে মরিয়া বিজেপি। এদিন বীরভূমের জেলা বিজেপি সভাপতি রামকৃষ্ণ রায়ের হাত ধরে মল্লারপুরে প্রায়

ঘুরে দাঁড়াতে নানা পরামর্শ সমেত দলীয় নেতাদের টাকা নিয়ে না পালানোর নির্দেশ অনুব্রতর

এবারের লোকসভা নির্বাচনে সারা রাজ্যে তৃণমূলের ফল খুব একটা ভাল হয়নি। তবে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল তার আয়ত্তে থাকা বীরভূম জেলার দুটি লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীদের জয়লাভ করালেও বেশ কিছু জায়গায় বিজেপির ভোটব্যাংক বৃদ্ধি হওয়ায় এবার তৃণমূলের এই দাপুটে নেতার কপালেও চিন্তার ভাঁজ পড়তে শুরু করেছে। জানা যায়, গত

অধীর চৌধুরীর গুরুত্ব বাড়ছে হাইকমান্ডের কাছে দেওয়া হতে পারে বড়সড় পদ – জোর জল্পনা

লোকসভা ভোটে বাংলায় কংগ্রেসের ভরাডুবি হয়েছে। শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তারা লড়তে চাইলেও প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করেছে বিজেপি। কিন্তু কেন এই খারাপ ফলাফল হল তা নিয়ে শনিবার রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেসের কর্মসমিতির বৈঠক ছিল। তবে আশ্চর্যজনকভাবে কলকাতায় উপস্থিত থাকলেও এই বৈঠকে থাকতেই দেখা গেল না বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস

বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন হেভিওয়েট নেতা, জল্পনার মধ্যে অনুব্রতর হুমকি, ফের বাড়াল বিজেপি যোগের জল্পনা

এবারের লোকসভা ভোটে রাজ্য জুড়ে যেমন তৃণমূলের খুব একটা ভাল হয়নি, ঠিক তেমনই বীরভূমের দুটি লোকসভা আসনে তৃণমূল জয়লাভ করলেও পুরসভায় তাদের হার হয়েছে। আর লোকসভায় তৃণমূলের খারাপ ফলাফল হওয়ার পরই শাসকদলের একাধিক জনপ্রতিনিধিরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে নাম লেখাতে শুরু করেন। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতেও তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। আর এরই

দলীয় পর্যবেক্ষককে নিয়ে দলের নেতার সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট ঘিরে বাড়ছে জল্পনা, অনুব্রতকে নিয়ে প্রশ্ন উঠছে

বীরভূমের দাপুটে নেতা হিসেবে পরিচিত অনুব্রত মণ্ডল। বরাবরই বিতর্কিত মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে উঠে আসেন তিনি। এমনকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত স্নেহভাজন বলে পরিচিত অনুব্রত মণ্ডলের দক্ষ সংগঠনের ছোঁয়া পেতে চান রাজ্যের প্রায় প্রতিটি জেলার তৃণমূল কর্মী সমর্থকরাই। আর এবার সেই অনুব্রত মণ্ডলকে কাটোয়ার পর্যবেক্ষক করার কথা শুনে রীতিমতো সোশ্যাল মিডিয়ায়

তৃণমূলের ভাঙ্গন অব্যাহত, দলে সম্মান নেই – এই অভিযোগে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিজেপিতে যোগদান

এবারের লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 42 এ 42 এর স্লোগান দিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে তার সেই শ্লোগান পরিপূর্ণতা পায়নি। উল্টে 2014 সালে বাংলা থেকে তৃণমূল 34 টা আসন পেলেও এবার তাদের দখলে এসেছে মোটে 22 টি আসন। অন্যদিকে বিজেপি 2 থেকে বড়িয়ে তাদের আসন সংখ্যা 18 করে নিয়েছে। উত্তরবঙ্গের প্রায় প্রতিটা

Top
error: Content is protected !!