এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা

ফের বিজেপিতে বড় ভাঙ্গন, জোর অস্বস্তি গেরুয়া শিবিরে !

  লোকসভা নির্বাচনের পর বিজেপিতে অন্য দল থেকে যোগদানের হিড়িক পরে গিয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করেছে। এবার বিজেপি ছেড়ে প্রচুর কর্মীর তৃণমূলে যোগদানে চরম অস্বস্তিতে পড়ল গেরুয়া শিবির। সূত্রের খবর, সোমবার মেদিনীপুর শহরের কেশিয়াড়ির একাধিক বিজেপি নেতা ঘাসফুল শিবিরে নাম লেখান। যাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন জেলা তৃণমূল

হেভিওয়েট বিরোধী বিধায়কের বাড়িতে তৃণমূল নেতা, জোর জল্পনা রাজ্যে!

  সৌজন্যের রাজনীতি বঙ্গ রাজনীতিতে একসময় প্রাসঙ্গিক হলেও, বর্তমানে রাজনৈতিক দলের নেতাদের দলবদল করার হিড়িক দেখে রাজনৈতিক সৌজন্যে রাজনৈতিক শাসক-বিরোধী নেতাদের একে অপরের বাড়িতে যাতায়াত রীতিমতো জল্পনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যার জেরে বর্তমানে শাসক দলের কোনো নেতা বিরোধী দলের কোনো হেভিওয়েট জনপ্রতিনিধি অথবা দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করলে বাড়িতে গেলেই এমনকি

তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রীর পায়ের নীচে নেতাজী, জোর বিতর্ক!

  কিছুদিন আগেই স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম জয়ন্তী উদযাপন ঘিরে প্রবল বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। যেখানে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম জয়ন্তী উদযাপনের নিচে তৃণমূলের একাধিক নেতার ছবি দেখতে পাওয়া যাচ্ছিল। যা নিয়ে চূড়ান্ত বিতর্ক তৈরি হয় রাজ্যজুড়ে। তবে এই ঘটনার পর তৃণমূল নিজেদের শুধরে নেবে বলে বিরোধীদের তরফে মনে করা

শোভনকে নিয়ে নতুন পদক্ষেপ বিজেপির, জেনে নিন

প্রায় অনেকদিন হয়ে গেল, তিনি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। তবে তার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের ফলে তিনি বিজেপিতে অত্যন্ত শক্তিশালী জায়গা পাবেন বলে মনে করেছিল একাংশ। কিন্তু তা তো হয়ইনি, উল্টে বান্ধবী বৈশাখী বন্দোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রবল আপত্তি তৈরি হয়েছিল বিজেপির অন্দরে। যার ফলে বিজেপির সাথে দূরত্ব বাড়তে শুরু করে

দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর, জোর অস্বস্তি শাসকদলের!

  সকলে তাকে ভোটগুরু বলেই চেনেন। বর্তমানে তিনি পশ্চিমবাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের রণনীতিকার। তবে তার আরেকটি পরিচয়ও রয়েছে। তিনি পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের রণনীতিকার। কিন্তু এবার তার নিজের দলের প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে কি দূরত্ব তৈরি হচ্ছে প্রশান্ত কিশোরের! জানা গেছে, দিল্লী বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে প্রশান্ত কিশোরের

বিধানসভা ভোটে বিজেপির আসন কোন সমীকরণে বাড়বে জানালেন দিলীপ ঘোষ

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর তরজা সৃষ্টি হয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস বনাম বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টির মধ্যে। প্রথম দিন থেকেই এই আইন লাগু হওয়ার সাথে সাথে তার চরম বিরোধিতা করতে শুরু করেছে তৃনমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একাধিক পদযাত্রা সভা-সমিতির মধ্যে দিয়ে এই আইন বাতিলের দাবি

ভোটে না দাঁড়াতে পারা, 31 টি পৌরসভার চেয়ারম্যানকে নিয়ে নয়া ভাবনায় মমতা

  পৌরসভা ভোট নিয়ে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের অন্দরেই এতদিন প্রস্তুতি লক্ষ্য করা গিয়েছিল। কিন্তু ভোটের আগে ওয়ার্ড সংরক্ষণের খসড়া তালিকা প্রকাশ হওয়ার আগেই যেন সেই প্রস্তুতি কিছুটা হলেও থিতিয়ে পড়েছে। কেননা ওয়ার্ড সংরক্ষণের তালিকায় সবথেকে বেশি সমস্যায় পড়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এক্ষেত্রে দেখা গেছে, রাজ্যের অনেক পৌরসভায় তৃণমূলের চেয়ারম্যান,

সৌমিত্র, সায়ন্তনের পর এবার সুভাষের তোপের মুখে বুদ্ধিজীবীরা, জোর সোরগোল!

  নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন লাগু হওয়ার পর থেকেই তার চরম বিরোধিতা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। পাশাপাশি বিজেপির বিরুদ্ধে এবং এই ইস্যুর বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গেছে বাংলার একাংশ বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়কেও। কাগজ আমরা দেখাবো না বলেও স্লোগান তুলেছেন তারা আর বুদ্ধিজীবীদের একাংশ কেন্দ্রীয় নীতির বিরোধিতা করায়, সম্প্রতি বেশ কিছুদিন ধরে তাদের প্রবল কটূক্তি

শান্তি নেই তৃণমূল কাউন্সিলরদের,সংরক্ষণ নয়, নয়া গেরো, প্রার্থী হতে পারবেন না অনেকেই

  বর্তমানে পৌরসভা নির্বাচনের আগে ওয়ার্ড সংরক্ষনের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। যার ফলে অনেক সংরক্ষণ হয়ে যাওয়ায়, তৃণমূলের অনেক কাউন্সিলররা সেই সমস্ত ওয়ার্ডে দাঁড়াতে পারবেন না। যা নিয়ে অনেক কাউন্সিলরের মধ্যে শঙ্কা কাজ করেছে। তবে যে সমস্ত কাউন্সিলরদের ওয়ার্ড সংরক্ষণের আওতায় পড়েনি, তারা কিছুটা হলেও চিন্তার বাইরে ছিলেন। কিন্তু তৃণমূলের গঠনতন্ত্র বর্তমানে

লক্ষ পুরভোট তাই তৃণমূলকে মাত দিতে আসরে বড়সড় পরিকল্পনা নিয়ে আসরে বিজেপি

দেশের জনসাধারণের মধ্যে ইতিমধ্যে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও জাতীয় নাগরিকপঞ্জি নিয়ে নানান বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। শুধু বিরোধী নয়, সাধারণ মানুষেরও অভিযোগ দেশের অস্থির পরিস্থিতিতে এই বিভ্রান্তি দূর করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার কোনোরকম চেষ্টা করেনি বরং পরস্পরবিরোধী তত্ত্ব ধরা পড়েছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের গলায়। বিভ্রান্তি জোর করে চাপিয়ে রাখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এনআরসি

ট্যাগড
Top
error: Content is protected !!