এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা

যে কোনও মুহুর্তে কালীঘাটেও সিবিআই হানা! জল্পনা ক্রমশ বাড়াচ্ছেন গেরুয়া নেতারা!

দেশের বিভিন্ন এলাকায় যখন বিরোধী নেতাদের উপরে থাকা আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলো, তখন স্বাভাবিক কারণেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীদের কেন্দ্রে শাসকদল ভারতীয় জনতা পার্টির উপরে ক্ষোভ উগরে দেওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু কেন্দ্র সরকারের শাশ্বত বিরোধিতায় যেভাবে পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী

তৃণমূলের সংগঠনের দাদাগিরিতে অবৈধ জবরদখল হঠাতে পারল না পুলিশ – সরগরম উত্তরের রাজনীতি

দীর্ঘদিন ধরেই মাথাভাঙ্গা পৌরসভা পরিচালিত শিশুউদ্যান ও মহকুমাশাসকের বাংলোর প্রবেশের রাস্তায় অস্থায়ীভাবে একটি অটোস্ট্যান্ড গড়ে উঠেছিল। আর পুলিশের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার সেই অটোস্ট্যান্ডটি সরাতে গেলেই তীব্র বিপত্তি বাধে। জানা যায়, পুলিশ এই অটোস্ট্যান্ডটি সরানোর জন্য উদগ্রীব হলেও সেখানে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাতে বাধা দেয় এবং প্রবল আপত্তি জানান। পুলিশের পক্ষ

উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য বিজেপি সাংসদ আসরে নামতেই, রাজনীতির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গ থেকে একটি আসনও তৃনমূল নিজেদের দখলে রাখতে পারেনি। সেখানকার আটটির মধ্যে সাতটি আসনই দখল করেছে বিজেপি। যার পরেই সেই উত্তরবঙ্গের যে সমস্ত জায়গায় বিজেপি সাংসদরা জয়লাভ করেছে, সেই সমস্ত জায়গার উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের কাছে আরও বেশি করে পৌঁছতে উদ্যোগী হয়েছে বিজেপি সাংসদরা। সূত্রের খবর, আলিপুরদুয়ার লোকসভা

কর্মসূচি ঘোষণা করেও আভ্যন্তরীন দ্বন্দ্বে রাস্তায় নামা যাচ্ছে না! চূড়ান্ত অস্বস্তিতে বিজেপি

লোকসভা নির্বাচনে সাফল্য পাওয়ার পর বিভিন্ন জায়গায় আরও বেশি করে ময়দানে নামতে শুরু করেছে বিজেপি। কিন্তু রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি কর্মসূচি করলেও ইসলামপুর মহকুমায় জনজাগরণ কর্মসূচি নিয়ে এখনও পর্যন্ত মাঠে নামতে পারেনি তারা। ইতিমধ্যেই একবার তারা কর্মসূচি ঘোষণা করলেও দিনক্ষণ পিছোতে হয়েছে। আর জনজাগরণ নামের ওই কর্মসূচি প্রকৃত পক্ষে বিরোধীদের কাউন্টার

বড়সড় দুঃসংবাদ, মাথায় হাত সিভিক ভলেন্টিয়ারদের ! শুরু চরম উৎকণ্ঠা!

বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ক্ষমতায় আসার পরপরই সিভিক ভলেন্টিয়ার চালু করেছিল রাজ্যের মা-মাটি-মানুষের সরকার। তবে চলতি মাসেই প্রথম প্যানেলের সিভিক ভলান্টিয়ারদের কাজের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে মালদহে। যার ফলে সেই সমস্ত সিভিক ভলান্টিয়ারদের মধ্যে এখন তীব্র চিন্তার ভাঁজ পড়তে শুরু করেছে। জানা যায়, গত 2013 সালের 18 নভেম্বর দুটি প্যানেল মিলে

হেভিওয়েট পুরসভায় চরমে শাসক দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব – চূড়ান্ত অস্বস্তিতে তৃণমূল

যত সময় যাচ্ছে, ততই যেন জটিল পরিস্থিতি হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত মালদহের ইংরেজবাজার পৌরসভার। লোকসভা নির্বাচনের খারাপ ফলাফলের পর দলীয় স্তরে দ্বন্দ্ব কমানোর নির্দেশ দেওয়া হলেও এই পৌরসভায় শাসকদলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব যেন কমছে না কিছুতেই। জানা গেছে, বর্তমানে এই পৌরসভার চেয়ারম্যান নীহার রঞ্জন ঘোষের সঙ্গে একাধিক কাউন্সিলরের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। আর

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার অপরাধে ফেলে পেটানো হলো অধ্যাপক-গবেষকদের! অভিযোগের তীর তৃনমূলের দিকে

ফের শিক্ষাঙ্গনে নৈরাজ্য। এবার উত্তরবঙ্গের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রসারিত ক্যাম্পাস দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের মাঝিয়ান কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে অধ্যাপক, গবেষক এবং কর্মীদের মারধর ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যে ঘটনা আরও একবার রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে আঙ্গুল তুলতে শুরু করেছে। কিন্তু কেন হঠাৎ এইভাবে সমাজ গড়ার কারিগরদের তৃণমূলের প্রহারের শিকার

আন্দোলনের আবহে এক জায়গায় মিলে গেল তৃণমূল- বিজেপি-সিপিএম! কোথায় ঘটল, জানুন বিস্তারিত

রাজ্য রাজনীতিতে তিন দলই পৃথক পৃথক অবস্থানে বিশ্বাসী। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে তারা একে অপরের বিপরীত মেরুতে অবস্থান করলেও শ্রমিকদের স্বার্থে কার্যত এক হতে দেখা গেল সেই তৃণমূল-বিজেপি এবং সিপিএমকে। সূত্রের খবর, ধুপগুড়ি ব্লকের চামুর্চি চা-বাগানে পাঁচজন চৌকিদারিকে ইতিমধ্যেই বিনা নোটিশে কাছ থেকে বসিয়ে দাওয়া হয়েছে। আর তাদের কাজে ফিরিয়ে নেওয়া, শূন্য

দুর্নীতি-কাণ্ডে মুকুল রায়ের অস্বস্তি বাড়িয়ে এবার শাসকদলের সুরের সুর মেলাল কংগ্রেস

"পচা পদ্মের এমনই জাদু যে, যোগ দিলে চোরও সাধু" - কিছুটা দুর্নীতির সঙ্গে যোগসাজশ থাকা মুকুল রায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরই তাঁকে সেইভাবে আর তদন্তকারী সংস্থারা ডাকছে না বলে অভিযোগ তুলতে দেখা যেত তৃণমূলকে। যার জেরে এই স্লোগান তুলে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে ছড়িয়ে দিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করত রাজ্যের

বিধানসভা নির্বাচনে ঘুরে দাঁড়াতে রাজ্যের শিক্ষককূলের ‘মান ভাঙাতে’ আসরে নামতে চলেছে শাসকদল

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ফলাফল খুব একটা ভালো হয়নি। তবে 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনকে টার্গেট করে এখন বিজেপিকে টেক্কা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে রাজ্যের শাসক দল। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়ে দলকে জনসংযোগে পাঠিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবার সেই বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে সমাজের মূল কারিগর

Top
error: Content is protected !!